টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন প্রাণীতে ৭ জোড়া গলবিলীয় ফুলকারন্ধ্র পাওয়া যায়? 

A.

Myxine gutinosa

B.

Petromyzon marinus

C.

Scoliodon laticaudus

D.

Channa punctatus

সঠিক উত্তরঃ B.

Petromyzon marinus

Explanation:

Another Explanation (5):

Petromyzon marinus: সাত জোড়া গলবিলীয় ফুলকারন্ধ্র বিশিষ্ট প্রাণী

Petromyzon marinus, সাধারণভাবে সি ল্যাম্প্রে নামে পরিচিত, একটি চোয়ালবিহীন মাছ 🐟 যা পেট্রোমাইজোন্টিফর্মিস বর্গের অন্তর্ভুক্ত। এদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এদের দেহে সাত জোড়া গলবিলীয় ফুলকারন্ধ্র (gill slits) বিদ্যমান। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

শারীরিক গঠন ও বৈশিষ্ট্য 🧬

  • শ্রেণী: পেট্রোমাইজোন্টিডা (Petromyzontida)
  • বৈশিষ্ট্য: চোয়ালবিহীন মেরুদণ্ডী প্রাণী
  • আকার: সাধারণত ৩০-১০০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয় 📏
  • জীবনকাল: প্রায় ৬-১০ বছর বাঁচে ⏳
  • বাসস্থান: আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তর অংশ এবং ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার উপকূলীয় অঞ্চলে এদের দেখা যায় 🌊

গলবিলীয় ফুলকারন্ধ্র (Gill Slits)

ল্যাম্প্রেদের প্রতিটি ফুলকারন্ধ্র একটি করে আলাদা ছিদ্রের মাধ্যমে সরাসরি বাইরের পরিবেশে উন্মুক্ত হয়। এই ফুলকারন্ধ্রগুলো ল্যাম্প্রেকে জলের থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে সাহায্য করে। নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে এদের ফুলকারন্ধ্রের বিশেষত্ব তুলে ধরা হলো:

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
সংখ্যা প্রতি পাশে ৭টি করে, মোট ১৪টি (৭ জোড়া) 💯
অবস্থান মাথার দু’পাশে সারিবদ্ধভাবে অবস্থিত 🧍‍♀️🧍
কাজ শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়ায় সাহায্য করা এবং অক্সিজেন গ্রহণ 🌬️
অন্যান্য বৈশিষ্ট্য ছিদ্রগুলো সরাসরি গলবিলের সাথে যুক্ত থাকে 🫁

খাদ্য গ্রহণ 🍽️

সি ল্যাম্প্রে শিকারী প্রাণী। এরা অন্য মাছের রক্ত চুষে খাদ্য গ্রহণ করে। ল্যাম্প্রে তাদের মুখের সাহায্যে অন্য মাছের সাথে আটকে যায় এবং ধারালো দাঁত ও জিভের সাহায্যে মাছের শরীর থেকে রক্ত চুষে নেয় 🧛।

পরিবেশগত প্রভাব 🌍

যদিও ল্যাম্প্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতি, তবে এদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে মাছের অন্যান্য প্রজাতির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। এরা মাছের ক্ষতি করে অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সমস্যা তৈরি করতে পারে 😥।

সংরক্ষণ ⚠️

কিছু অঞ্চলে, সি ল্যাম্প্রের সংখ্যা কমে যাওয়ায় এদের সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এদের আবাসস্থল রক্ষা করা এবং এদের বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করার মাধ্যমে এদের সংরক্ষণ করা যেতে পারে 👍।

আশা করি, Petromyzon marinus সম্পর্কে এই আলোচনাটি তথ্যপূর্ণ ছিল। আরও জানতে চাইলে জিজ্ঞাসা করতে পারেন 🤔।

Option A Explanation:

Myxine gutinosa এর বৈশিষ্ট্যসমূহ

  • প্রজাতি: Myxine gutinosa
  • প্রকার: একপ্রজাতির জেলিফিশ বা গিল-ফিশ
  • অস্তিত্বের স্থান: মূলত সমুদ্রে গভীর জলের অঞ্চলে পাওয়া যায়
  • গলবিলীয় ফুলকারন্ধ্র: এতে ৭ জোড়া গলবিলীয় ফুলকারন্ধ্র দেখা যায়, যা সাধারণত লম্বা এবং সংযুক্ত থাকে, এবং এর মাধ্যমে জল প্রবাহ ও শ্বাসপ্রশ্বাসের কাজ করে
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: এটি একটি অজৈব, অমেরুদণ্ডী প্রাণী, যা আঠালো ধাতু দিয়ে গঠিত এবং এর শরীরের গঠন খুবই নমনীয়
Option B Explanation:

Petromyzon marinus এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • প্রজাতি: সাধারণত লবণাক্ত জলে পাওয়া একটি সরীসৃপের মতো মাছ, যা ল্যাম্প্রাইপি পরিবারের অন্তর্গত।
  • উৎপত্তিস্থল: উত্তপ্ত ও শীতল জলাশয়, বিশেষ করে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরীয় অঞ্চলে দেখা যায়।
  • শরীরের গঠন: দেহে একটি দীর্ঘ, সরু এবং সর্পিল আকৃতি রয়েছে। দেহের উপর ভিন্ন ভিন্ন পৃষ্ঠতল রয়েছে।
  • সেফালোকর্ডা: এর মাথার অংশে একটি সেফালোকর্ডা (সার্ভিকাল কর্ড) উপস্থিত থাকে যা বিকাশের সময় শরীরের অন্যান্য অংশের জন্য ভিত্তি তৈরি করে।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: এটি একটি জ্যান্ত জীব যা প্রজনন ও বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন শর্ত অনুসরণ করে।
Option C Explanation:
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: সীলমুখী (cartilaginous) শরীর, যা মূলত মেরুদণ্ডী শামুকের মতো দেখতে।
  • লেজের বৈশিষ্ট্য: হেটেরোসার্কাল ধরণের লেজ সাধারণত অর্ধবৃত্তাকার বা ডিম্বাকৃত, যা শরীরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
  • উদাহরণ: শার্ক বা স্কেলিডন (Scoliodon laticaudus) এর লেজের গঠন এই ধরণের।
  • প্রাকৃতিক বাসস্থান: সামুদ্রিক পরিবেশে থাকে, যেখানে তারা শিকার ও প্রবাল শৈবাল খুঁজে পায়।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: এদের দেহের ত্বক সাধারণত শিলার মতো বিন্দু বা ধারালো।
Option D Explanation:
  • প্রজাতি: Channa punctatus (চেন্না পাঞ্চাটাস)
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই মাছটির পটকা রক্তজালিকা সমৃদ্ধ, যা শ্বসন প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে।
  • শ্বসন প্রক্রিয়ায় ভূমিকা: রক্তজালিকা সমৃদ্ধ পটকা গ্যাস বিনিময় প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে, ফলে মাছটি অক্সিজেন শোষণে সক্ষম হয়।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: এই মাছটি পানিতে বিভিন্ন ধরনের জলজ পরিবেশে বসবাস করতে পারে এবং এর শারীরবৃত্তীয় গঠন এই ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।