লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

চিকনগুনিয়া একটি মশাবাহিত রোগ। এটি চিকনগুনিয়া ভাইরাস (CHIKV) দ্বারা সৃষ্ট। এই রোগটি মূলত আফ্রিকা ও এশিয়ার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে দেখা যায়।
চিকনগুনিয়া রোগটি প্রথম ১৯৫২ সালে তানজানিয়াতে সনাক্ত করা হয়। 'চিকনগুনিয়া' শব্দটি কিমাকonde ভাষা থেকে এসেছে, যার অর্থ "বাঁকা হয়ে যাওয়া"। এটি রোগের কারণে সৃষ্ট বাতের ব্যথায় আক্রান্ত রোগীর শারীরিক ভঙ্গিমার কারণে নামকরণ করা হয়েছে।
এই রোগটি মূলত Aedes aegypti এবং Aedes albopictus মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এই মশাগুলো ডেঙ্গু এবং জিকা ভাইরাসেরও বাহক।
চিকনগুনিয়ার কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই। সাধারণত লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
| অঞ্চল | ঝুঁকির মাত্রা | মন্তব্য |
|---|---|---|
| আফ্রিকা 🌍 | উচ্চ | রোগটি প্রথম এখানেই সনাক্ত করা হয়েছিল। |
| এশিয়া 🌏 | মাঝারি থেকে উচ্চ | ভারত, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ইত্যাদি দেশে outbreaks দেখা যায়। |
| আমেরিকা 🌎 | কম থেকে মাঝারি | কিছু ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে এবং দক্ষিণ আমেরিকাতে case report করা হয়েছে। |
আরও তথ্যের জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সাথে যোগাযোগ করুন। 👨⚕️👩⚕️
সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন। 🙏
```