লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

দেহে স্থাপনযোগ্য পেসমেকার (Implantable Pacemaker) আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। এটি হৃদরোগীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বিশাল ভূমিকা রেখেছে।
পেসমেকারের ধারণাটি ১৯৫০-এর দশকে শুরু হলেও, সম্পূর্ণরূপে দেহে স্থাপনযোগ্য পেসমেকার তৈরি হতে বেশ কয়েক বছর লেগেছিল।
১৯৬৯ সালে প্রথম সফলভাবে দেহে স্থাপনযোগ্য পেসমেকার আবিষ্কার করা হয়।💡
| প্রকার | বৈশিষ্ট্য | ব্যবহার |
|---|---|---|
| সিঙ্গেল চেম্বার পেসমেকার | একটি তার (Lead) হৃদপিণ্ডের একটি প্রকোষ্ঠে (Atrium অথবা Ventricle) থাকে। | সাধারণ হৃদস্পন্দন সমস্যা সমাধানে ব্যবহৃত। |
| ডুয়েল চেম্বার পেসমেকার | দুটি তার (Lead) হৃদপিণ্ডের দুটি প্রকোষ্ঠে (Atrium এবং Ventricle) থাকে। | হৃদপিণ্ডের স্বাভাবিক ছন্দ ফিরিয়ে আনতে বেশি কার্যকর। |
| রেট-রেসপন্সিভ পেসমেকার | শারীরিক কার্যকলাপের সাথে সামঞ্জস্য রেখে হৃদস্পন্দন পরিবর্তন করতে পারে। | শারীরিক পরিশ্রমের সময় হৃদস্পন্দন বাড়ানোর প্রয়োজন হলে এটি ব্যবহার করা হয়। |
পেসমেকারের কিছু সুবিধা ও অসুবিধা নিচে দেওয়া হলো:
বর্তমানে আধুনিক পেসমেকারগুলো আকারে ছোট এবং প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী কাস্টমাইজ করা যায়। এছাড়াও, কিছু পেসমেকার তারবিহীন (Leadless Pacemaker) হয়ে থাকে, যা সরাসরি হৃদপিণ্ডে স্থাপন করা যায়।
দেহে স্থাপনযোগ্য পেসমেকার নিঃসন্দেহে মানবজাতির জন্য একটি আশীর্বাদ। এটি লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে এবং উন্নত জীবন ধারণে সহায়তা করেছে। ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তির আরও উন্নতি হবে, এটাই প্রত্যাশা। 🙏