টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

চন্দ্রশেখর সীমার চেয়ে কম ভরের তারার পরিণতি কি?

A. শ্বেত বামন
B. নিউট্রন তারা
C. সুপারনোভা
D. কৃষ্ঞ বিবর
সঠিক উত্তরঃ A. শ্বেত বামন
Explanation:

Another Explanation (5):

চন্দ্রশেখর সীমা এবং শ্বেত বামন: একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা

চন্দ্রশেখর সীমা হলো কোনো তারার ভরের সেই সর্বোচ্চ মান, যার উপরে গেলে এটি শ্বেত বামন হিসেবে স্থিতিশীল থাকতে পারে না। এই সীমা প্রায় ১.৪৪ সৌর ভরের সমান। ভারতীয় বিজ্ঞানী সুব্রাহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর এই সীমা আবিষ্কার করেন।

চন্দ্রশেখর সীমার চেয়ে কম ভরের তারার পরিণতি: শ্বেত বামন 🌟

যখন কোনো নক্ষত্রের ভর চন্দ্রশেখর সীমার চেয়ে কম থাকে, তখন তার পরিণতি সাধারণত শ্বেত বামন (White Dwarf) নামক একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বস্তুতে হয়। নিচে এর পর্যায়গুলো উল্লেখ করা হলো:

  1. প্রধান পর্যায় (Main Sequence): তারা তার জীবনের শুরুতে হাইড্রোজেনকে হিলিয়ামে রূপান্তরিত করে শক্তি উৎপাদন করে এবং এই পর্যায়ে দীর্ঘকাল থাকে। ☀️
  2. লাল দানব পর্যায় (Red Giant Phase): যখন হাইড্রোজেন ফিউশন শেষ হয়ে যায়, তখন তারাটি প্রসারিত হয়ে লাল দানবে পরিণত হয়। 🔥
  3. গ্রহীয় নীহারিকা (Planetary Nebula): লাল দানব পর্যায় শেষে তারাটি তার বাইরের স্তরগুলো ত্যাগ করে, যা গ্রহীয় নীহারিকা হিসেবে ছড়িয়ে পরে। 💨
  4. শ্বেত বামন (White Dwarf): অবশেষে, তারাটির কোর সংকুচিত হয়ে একটি ছোট, ঘন এবং উত্তপ্ত শ্বেত বামনে পরিণত হয়। ✨

শ্বেত বামনের বৈশিষ্ট্যসমূহ 📝

  • ছোট আকার: এদের আকার পৃথিবীর প্রায় সমান হয়ে থাকে। 🌍
  • উচ্চ ঘনত্ব: এদের ঘনত্ব অনেক বেশি, প্রায় এক চামচ উপাদানের ভর কয়েক টন হতে পারে। 🥄⚖️
  • উচ্চ তাপমাত্রা: সৃষ্টির শুরুতে এদের তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকে, তবে ধীরে ধীরে এটি ঠান্ডা হতে থাকে। 🌡️
  • কোনো ফিউশন নেই: শ্বেত বামনে কোনো নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া ঘটে না। 🚫🔥
  • ধীরে ধীরে শীতল: এরা ধীরে ধীরে তাপ বিকিরণ করে শীতল হতে থাকে এবং অবশেষে কৃষ্ণ বামনে (Black Dwarf) পরিণত হয় (যা এখনো তাত্ত্বিকভাবে অনুমিত)। 🥶➡️⚫

চন্দ্রশেখর সীমার গুরুত্ব 📊

বিষয় বর্ণনা
গুরুত্ব এটি নক্ষত্রের বিবর্তনের শেষ পরিণতি নির্ধারণ করে।
প্রভাব ভর বেশি হলে নিউট্রন তারা বা কৃষ্ণগহ্বর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আবিষ্কারক সুব্রাহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর। 👨‍🔬

উদাহরণস্বরূপ 💡

সূর্য একটি শ্বেত বামনে পরিণত হবে। কারণ সূর্যের ভর চন্দ্রশেখর সীমার চেয়ে কম। 👍

অতিরিক্ত তথ্য: শ্বেত বামন তারাগুলো মহাবিশ্বের অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যেমন কার্বন এবং অক্সিজেন সরবরাহ করে। 💫