টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

আবৃতবীজ উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ডিপ্লয়েড স্ত্রীরেণু মাতৃকোষটি মায়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে কয়টি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু তৈরি করে?

A. ছয়টি
B. চারটি
C. দুইটি
D. আটটি
সঠিক উত্তরঃ B. চারটি
Explanation:
Another Explanation (5):

আবৃতবীজী উদ্ভিদে স্ত্রীরেণু উৎপাদন: একটি একাডেমিক আলোচনা 🌸

ডিপ্লয়েড স্ত্রীরেণু মাতৃকোষের মায়োসিস বিভাজন 🧬

আবৃতবীজী উদ্ভিদের জীবনচক্রে স্ত্রীরেণু (megaspore) একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডিপ্লয়েড স্ত্রীরেণু মাতৃকোষ (megaspore mother cell) মায়োসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু উৎপন্ন করে। নিচে প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো:

  1. ডিপ্লয়েড স্ত্রীরেণু মাতৃকোষ (2n): এটি ডিম্বকের মধ্যে অবস্থিত। 🥚
  2. মায়োসিস-১: এই ধাপে কোষটি দুটি হ্যাপ্লয়েড কোষে (n) বিভক্ত হয়। ➗
  3. মায়োসিস-২: প্রতিটি হ্যাপ্লয়েড কোষ আরও দুটি কোষে বিভক্ত হয়। এর ফলে মোট চারটি হ্যাপ্লয়েড কোষ তৈরি হয়। ➗
  4. ফলাফল: চারটি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু তৈরি হয়। 🌱

চারটি স্ত্রীরেণুর পরিণতি 🥀

মায়োসিসের মাধ্যমে সৃষ্ট চারটি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণুর মধ্যে তিনটি সাধারণত নষ্ট হয়ে যায়। 🗑️ শুধুমাত্র একটি স্ত্রীরেণু কার্যকরী থাকে এবং সেটি ভ্রূণথলি (embryo sac) গঠনে অংশ নেয়। 🤰

ভ্রূণথলি গঠন প্রক্রিয়া 🌼

কার্যকরী স্ত্রীরেণুটির নিউক্লিয়াস কয়েকবার মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে ভ্রূণথলি গঠন করে। এই ভ্রূণথলিতে ডিম্বাণু (egg cell) সহ অন্যান্য কোষ থাকে, যা নিষেক প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। 🎯

সংক্ষেপে 📊

বৈশিষ্ট্য সংখ্যা
ডিপ্লয়েড স্ত্রীরেণু মাতৃকোষ ১
উৎপন্ন হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু ৪
কার্যকরী স্ত্রীরেণু ১
নষ্ট হওয়া স্ত্রীরেণু ৩

সুতরাং, আবৃতবীজ উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ডিপ্লয়েড স্ত্রীরেণু মাতৃকোষ মায়োসিস প্রক্রিয়ায় বিভক্ত হয়ে চারটি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু তৈরি করে। 🎉

আশা করি, এই আলোচনাটি আবৃতবীজী উদ্ভিদে স্ত্রীরেণু উৎপাদন প্রক্রিয়াটি বুঝতে সহায়ক হবে। 👍

Option A Explanation:

বর্ণনা: ডিপ্লয়েড স্ত্রীরেণু তৈরির প্রক্রিয়া (মায়োসিস)

  • প্রথম মায়োসিসের ধাপ: মাতৃকোষের ডিপ্লয়েড (2n) কোষটি প্রথমে মায়োসিস I দ্বারা বিভক্ত হয়।
  • প্রথম মায়োসিসের ফলাফল: এটি দুটি হ্যাপ্লয়েড (n) কোষে বিভক্ত হয়।
  • দ্বিতীয় মায়োসিসের ধাপ: প্রতিটি হ্যাপ্লয়েড কোষ আবার মায়োসিস II দ্বারা বিভক্ত হয়।
  • দ্বিতীয় মায়োসিসের ফলাফল: মোট চারটি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু তৈরি হয়।
  • তবে, যদি ডিপ্লয়েড কোষটি একাধিক বিভাজনের মধ্য দিয়ে যায় এবং বিভিন্ন পর্যায়ে বিভাজিত হয়, তবে সম্ভাব্য সংখ্যাগুলি পরিবর্তিত হতে পারে।
  • তবে, সাধারণত: এক ডিপ্লয়েড কোষ থেকে চারটি হ্যাপ্লয়েড স্ত্রীরেণু তৈরি হয়।
Option B Explanation:
  • প্রশ্নের উত্তরে চারটি পুংকেশর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে।
  • ক্রুসিফেরি গোত্রে সাধারণত চারটি পুংকেশর দেখা যায়।
  • এগুলো হচ্ছে মূল পুংকেশর এবং তার তিনটি উপ-পুংকেশর।
  • প্রতিটি পুংকেশর বিভিন্ন দেহের অংশে অবস্থান করে।
  • এই সংখ্যাটি বিভিন্ন শারীরিক বৈশিষ্ট্য বা অঙ্গের উপর নির্ভর করে।
Option C Explanation:
  • মানবদেহে একজন স্ত্রী জনন মাতৃকোষ থেকে সাধারণত দুটি ডিম্বাণু তৈরি হয়।
  • প্রথম ডিম্বাণুটি সাধারণত দ্রুত বিকাশ লাভ করে এবং ঋতুস্রাবের সময় বের হয়ে যায়।
  • দ্বিতীয় ডিম্বাণু সাধারণত পরবর্তী সময়ে বিকাশ লাভ করে, যদি প্রথম ডিম্বাণুর গর্ভধারণ না হয়।
  • এই প্রক্রিয়ার ফলে একজন মহিলার ঋতুস্রাব চক্রের মধ্যে দুটি ডিম্বাণু মুক্ত হয়।
Option D Explanation:
  • ক্রুসিফেরি গোত্রের পুংকেশর সংখ্যা সাধারণত আটটি বলে বিবেচিত হয়।
  • প্রতিটি পুংকেশর একটি বিশেষ ধরণের অঙ্গবিশেষের মাধ্যমে পরিপক্বতা অর্জন করে।
  • এই সংখ্যা বৈচিত্র্যপূর্ণ হলেও, সাধারণত আটটি পুংকেশর উল্লেখ করা হয়, যা এই গোত্রের বৈশিষ্ট্য।