টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোথায় গ্লাইকোজেন বেশি সঞ্চিত হয়?

A. চামড়ায় 
B. পাকস্থলীতে 
C. পিত্তথলিতে 
D. যকৃতে 
সঠিক উত্তরঃ D. যকৃতে 
Explanation:

Another Explanation (5):

গ্লাইকোজেন সঞ্চয়: একটি বিস্তারিত আলোচনা 🧐

গ্লাইকোজেন হলো গ্লুকোজের পলিস্যাকারাইড ফর্ম, যা মানুষ এবং প্রাণীদের মধ্যে শক্তি সঞ্চয়ের প্রধান উপায় হিসেবে কাজ করে। যখন শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়, তখন অতিরিক্ত গ্লুকোজ গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা হয়। পরবর্তীতে, যখন শরীরের শক্তির প্রয়োজন হয়, তখন গ্লাইকোজেন ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয় এবং শক্তি সরবরাহ করে।

কোথায় গ্লাইকোজেন বেশি সঞ্চিত হয়? 🤔

গ্লাইকোজেন প্রধানত দুটি অঙ্গে জমা হয়:
  • যকৃত (লিভার) 肝臓: যকৃতে সবচেয়ে বেশি গ্লাইকোজেন জমা থাকে। যকৃতের কোষগুলি, হেপাটোসাইট, গ্লাইকোজেন সংশ্লেষ এবং ভাঙনে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
  • পেশী 💪: পেশীতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে গ্লাইকোজেন জমা থাকে, যা শারীরিক কার্যকলাপের সময় শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

গ্লাইকোজেন সঞ্চয়ের পরিমাণ 📊

অঙ্গ গ্লাইকোজেনের আনুমানিক পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ কাজ
যকৃত মোট ওজনের প্রায় ৫-৬% (প্রায় ১০০ গ্রাম) রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সারা শরীরে গ্লুকোজ সরবরাহ করে।
পেশী মোট ওজনের প্রায় ১-২% (প্রায় ৫০০ গ্রাম) পেশী সংকোচনের জন্য সরাসরি শক্তি সরবরাহ করে।

কেন যকৃতে বেশি গ্লাইকোজেন জমা হয়? 🤷‍♀️

* হেপাটোসাইটের প্রাচুর্য: যকৃতে প্রচুর পরিমাণে হেপাটোসাইট কোষ থাকে, যা গ্লাইকোজেন সংশ্লেষণে অত্যন্ত দক্ষ। * গ্লুকোজ পরিবহনের সুবিধা: যকৃতের গঠন এমন যে এটি সহজেই রক্ত থেকে গ্লুকোজ গ্রহণ করতে পারে। * হরমোনের প্রভাব: ইনসুলিন এবং গ্লুকাগনের মতো হরমোন যকৃতে গ্লাইকোজেনের সংশ্লেষণ ও ভাঙন নিয়ন্ত্রণ করে।

গ্লাইকোজেনের গুরুত্ব 🌟

* শক্তির রিজার্ভ: গ্লাইকোজেন শরীরের জন্য দ্রুত ব্যবহারযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। * রক্তে গ্লুকোজের স্থিতিশীলতা: যকৃত গ্লাইকোজেন সঞ্চয় করে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। * শারীরিক কার্যকলাপের জন্য শক্তি: পেশীতে সঞ্চিত গ্লাইকোজেন ব্যায়াম এবং অন্যান্য শারীরিক কার্যকলাপের সময় পেশীকে শক্তি সরবরাহ করে।

গ্লাইকোজেন সম্পর্কিত কিছু মজার তথ্য 💡

* গ্লাইকোজেনকে "প্রাণীজ স্টার্চ"ও বলা হয়। * ডায়াবেটিস রোগীদের গ্লাইকোজেন সঞ্চয়ে সমস্যা হতে পারে। * দীর্ঘ সময় ধরে উপোস থাকলে শরীরে গ্লাইকোজেনের মাত্রা কমে যায়। 📉 * শারীরিক ব্যায়াম গ্লাইকোজেন স্টোরেজ বাড়াতে সাহায্য করে। 🏋️‍♀️ আশা করি, এই আলোচনা থেকে গ্লাইকোজেন এবং এর সঞ্চয় সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 😊
Option A Explanation:
  • চামড়ায় গ্লাইকোজেনের অবস্থা: সাধারণত, চামড়ায় গ্লাইকোজেন সঞ্চিত হয় না বা খুব কম পরিমাণে সঞ্চিত হয়। এটি প্রধানত শক্তি সংরক্ষণে কাজ করে না।
  • কারণ: গ্লাইকোজেন মূলত লিভার ও পেশীতে সঞ্চিত হয়, যেখানে এটি দ্রুত শক্তির জন্য কাজে লাগে। চামড়া এই প্রক্রিয়ায় খুব কম ভূমিকা পালন করে।
  • প্রভাব: অতিরিক্ত গ্লাইকোজেন চামড়ায় জমা হলে তা সাধারণত দেখা যায় না এবং স্বাভাবিক কার্যকারিতার বাইরে।
Option B Explanation:
  • পাকস্থলী মূলত হজমের জন্য কাজ করে এবং খাদ্যভাগের ক্ষুদ্র আকারে ভাঙনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ প্রদান করে।
  • এখানে কিছু ব্যাকটেরিয়া জীবাণু উপস্থিত থাকে যা কিছু নির্দিষ্ট যৌগের পরিবর্তন বা ভাঙনের কাজ করে।
  • তবে, নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থের ইউরিয়ার সংশ্লেষণ এই অঙ্গের মাধ্যমে ঘটে না।
  • নাইট্রোজেনের সংশ্লেষণ ও পরিশোধন মূলত কিডনির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
Option C Explanation:
  • পিত্তথলি: এটি একটি ছোট ঝিল্লি বা থলির মতো অঙ্গ যা যকৃতের নিচে অবস্থিত।
  • মূল কাজ: পিত্তথলিতে পিত্ত সংরক্ষণ ও সংক্ষিপ্ত সময়ে শরীরের জন্য প্রস্তুতকৃত পিত্ত নিঃসরণ করে।
  • পিত্তের উৎপাদন: পিত্ত মূলত যকৃতে উৎপন্ন হয়, তবে এটি পিত্তথলিতে সংরক্ষিত হয়ে দেহে প্রবাহিত হয়।
  • উৎপত্তির স্থান: যদিও পিত্তথলি পিত্ত সংরক্ষণ করে, তবে পিত্তের উৎপত্তি হয় যকৃতে।
Option D Explanation:
  • যকৃতে: ইউরিয়া উৎপন্ন হয় যকৃতে।
  • যকৃৎ হলো শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা বিভিন্ন ধরণের বর্জ্য ও টক্সিনের প্রক্রিয়াকরণ করে।
  • এটি প্রসেস করে অ্যামোনিয়া, যা শরীরের মধ্যে বিপুল পরিমাণে তৈরি হয়, বিশেষ করে প্রোটিন বিপাকের সময়।
  • অ্যামোনিয়া খুবই বিষাক্ত, তাই এটি দ্রুত ইউরিয়া তে রূপান্তরিত হয়, যা পানির সাথে দ্রবণীয়।
  • ইউরিয়া রক্তের মাধ্যমে কিডনিতে পৌঁছে, যেখানে এটি ফিল্টার হয়ে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।