টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

সিক্রেটিন-

  1. গ্যাস্ট্রিক রস নিঃসরণ বন্ধ করে
  2. অগ্ন্যাশয় রস নিঃসরণকে নিয়ন্ত্রণ করে
  3. ডিওডেনামের মিউকোসা থেকে ক্ষরিত হয়

নিচের কোনটি সঠিক?

A.

ii ও iii

B.

i ও ii

C.

i ও iii

D.

i,ii ও iii

সঠিক উত্তরঃ A.

ii ও iii

Explanation:


Another Explanation (5): ```html

সিক্রেটিন: একটি বিস্তারিত আলোচনা 🧪

সিক্রেটিন একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন যা আমাদের পরিপাকতন্ত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখে। নিচে এর কাজ এবং উৎস সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:

সিক্রেটিনের কার্যাবলী ⚙️

  1. গ্যাস্ট্রিক রস নিঃসরণ বন্ধ করা: সিক্রেটিন গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে অ্যাসিড নিঃসরণ কমাতে সাহায্য করে। এর ফলে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ✅
  2. অগ্ন্যাশয় রস নিঃসরণকে নিয়ন্ত্রণ করা: এটি অগ্ন্যাশয়কে বাইকার্বোনেট সমৃদ্ধ রস নিঃসরণে উদ্দীপিত করে, যা ডিওডেনামে অ্যাসিড প্রশমিত করে। 💯
  3. পিত্ত নিঃসরণে সাহায্য করে: এটি লিভার(যকৃত) থেকে পিত্ত নিঃসরণে সাহায্য করে।

সিক্রেটিনের উৎস 📍

  • ডিওডেনামের মিউকোসা: সিক্রেটিন মূলত ডিওডেনামের S-কোষ থেকে নিঃসৃত হয়। ডিওডেনামে অ্যাসিড প্রবেশ করলে এই হরমোন ক্ষরিত হয়। 🧬
  • এটি ক্ষুদ্রান্ত্রের অন্যান্য অংশেও তৈরি হতে পারে তবে ডিওডেনাম প্রধান উৎস।

সিক্রেটিনের প্রভাব 📊

অঙ্গ 🏛️ প্রভাব ➕
পাকস্থলী 🍔 গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড নিঃসরণ হ্রাস 📉
অগ্ন্যাশয় 🫙 বাইকার্বোনেট নিঃসরণ বৃদ্ধি 📈
লিভার(যকৃত) 🍺 পিত্ত উৎপাদন এবং নিঃসরণ বৃদ্ধি ⬆️

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️

সিক্রেটিন পরিপাকতন্ত্রের pH এর ভারসাম্য রক্ষা করে এবং খাদ্য হজমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি অ্যাসিড নিউট্রিলাইজেশনে বিশেষভাবে সহায়ক। 👍

আরও জানতে বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। 📚

আশাকরি, এই আলোচনাটি সিক্রেটিন সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 😊🙏

```
Option A Explanation:
  1. সাব-মেটাসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমে কেন্দ্রস্থল থেকে কিছুটা দূরে অবস্থান করে ক্রোমাটিডের সংযোগস্থল। এর কেন্দ্রীয় অংশটি মাঝামাঝি হলেও কিছুটা পাশের দিকে থাকে।
  2. টেলোসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমের কেন্দ্রস্থল বা কেন্দ্রীয় অংশটি একেবারে শেষের দিকে থাকে, অর্থাৎ ক্রোমোসোমের প্রান্তে অবস্থিত। এর ফলে এর কেন্দ্রীয় অংশটি সম্পূর্ণরূপে প্রান্তে থেকে যায়।
Option B Explanation:
  1. মেটাসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমের কেন্দ্রীয় অংশে সেন্ট্রিয়লের অবস্থান কেন্দ্রীয় হয়। অর্থাৎ, ক্রোমোসোমের দুই প্রান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়।
  2. সাব-মেটাসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমে সেন্ট্রিয়ল কেন্দ্রীয় থেকে কিছুটা দূরে অবস্থান করে, ফলে ক্রোমোসোমের একটি অংশ অন্যটির তুলনায় বেশ কিছুটা বড় হয়।
Option C Explanation:
  1. মেটাসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমের কেন্দ্রীয় অংশে কেন্দ্রস্থলটি অবস্থিত থাকে, যেখানে ক্রোমাটিনের শাখাগুলি সমানভাবে বিস্তৃত হয়। এর ফলে, ক্রোমোসোমের দুই প্রান্ত সমান আকারের হয়।
  2. টেলোসেন্ট্রিক: এই প্রকারের ক্রোমোসোমের কেন্দ্রীয় অংশটি অনেক দূরে অবস্থিত থাকে, ফলে এর একটি প্রান্তের আকার বড় এবং অন্যটি ছোট হয়। এই ধরণের ক্রোমোসোম সাধারণত টেলোোমের দিকে ঝুঁকে থাকে।
Option D Explanation:
  1. মেটাসেন্ট্রিক: এই অবস্থানে ক্রোমোসোমের কেন্দ্রস্থল (সেন্ট্রমিয়ার) ক্রোমোসোমের মাঝখানে অবস্থিত। অর্থাৎ, ক্রোমোসোমের দুই প্রান্ত সমানভাবে দীর্ঘ এবং সংক্ষিপ্ত।
  2. সাব-মেটাসেন্ট্রিক: এই অবস্থানে সেন্ট্রমিয়ার ক্রোমোসোমের এক প্রান্তের কাছাকাছি অবস্থিত। এতে ক্রোমোসোমের একটি অংশ দীর্ঘ এবং অন্যটি সংক্ষিপ্ত হয়।
  3. টেলোসেন্ট্রিক: এই অবস্থানে সেন্ট্রমিয়ার ক্রোমোসোমের একদম প্রান্তে অবস্থিত। ফলে, ক্রোমোসোমের একপাশে দীর্ঘ অংশ থাকে এবং অন্যপাশে খুবই সংক্ষিপ্ত।