টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন বন্যপ্রাণীটি বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত?

A. নেকড়ে
B. খেঁকশিয়াল
C. বুনো হাঁস
D. কালো ভাল্লুক
সঠিক উত্তরঃ A. নেকড়ে
Explanation: নেকড়ে বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত। সুতরাং সঠিক উত্তর Option A। Option B (খেঁকশিয়াল), Option C (বুনো হাঁস), এবং Option D (কালো ভাল্লুক) এখনও বাংলাদেশে কিছু এলাকায় বিদ্যমান। নোট: ??েকড়ে বিলুপ্তির কারণ মানুষের ক্রমাগত শিকার এবং বাসস্থানের ক্ষতি।
Another Explanation (5):

বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত বন্যপ্রাণী: নেকড়ে

বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবেশে বিভিন্ন বন্যপ্রাণী বাস করে। তবে, দুঃখজনকভাবে কিছু প্রজাতি আর্তনাদ করছে বা বিলুপ্তির পথে যাচ্ছে। এই প্রবন্ধে আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাণীর বিষয়ে আলোচনা করবো, যা বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

নেকড়ে (Canis aureus) - বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত

নেকড়ে বা "অ্যাবসেল" মূলত এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়। তবে, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশে এই প্রাণীটি এখন আর দেখা যায় না। এটি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো:

  • অরণ্য ধ্বংস ও বনাঞ্চলের ক্ষতি 🌲🚧
  • অ্যাম্বুশ ও শিকার 🎯
  • প্রাকৃতিক বাসস্থানের পরিবর্তন 🌍
  • অন্য প্রজাতির সাথে প্রতিযোগিতা ও নিধন 🦊

বিলুপ্তির কারণসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

কারণ বর্ণনা
বন ধ্বংস অরণ্য ও বনাঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে প্রজনন ও বাসস্থান সংকুচিত হয়।
শিকার ও অবৈধ সংগ্রহ বিভিন্ন কারণে মানুষ এই প্রাণীটিকে শিকার করে বা ধরে রাখে।
প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবর্তন প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে।

উপসংহার

বাংলাদেশে নেকড়ে এখন আর দেখা যায় না, যা আমাদের জন্য সতর্কবার্তা যে আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা করা জরুরি। বনাঞ্চল রক্ষা ও পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি করে এই ধরনের প্রাণীদের সংরক্ষণ করতে পারি। 🌱🌏

Option A Explanation:
  • নেকড়ে: নেকড়ের খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের প্রাণী অন্তর্ভুক্ত থাকে।
  • প্রধান খাদ্যঃ ছোট প্রাণী, যেমন ছাগল, গরু, খরগোশ, পাখি, এবং অন্যান্য সরীসৃপ বা স্তন্যপায়ী প্রাণী।
  • অন্যথায়, নেকড়েরা শিকার করার ক্ষেত্রে খুবই দক্ষ এবং তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের শিকার সম্ভব।
  • এছাড়াও, নেকড়েরা এতটাই শক্তিশালী ও দ্রুত যে তারা অনেক সময় বড় শিকারও করে নিতে পারে।
Option B Explanation:
  • খেঁকশিয়াল: খেঁকশিয়াল হলো একটি ছোট আকারের স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা সাধারণত শিকারি প্রাণী হিসেবে পরিচিত।
  • বৈশিষ্ট্য: এর দেহে ছোট দাঁত এবং শক্তিশালী চোয়াল রয়েছে, যা শিকার ধরা ও খাওয়ার জন্য উপযুক্ত।
  • অবস্থান: এই প্রাণীটি মূলত আফ্রিকা, এশিয়া ও ইউরোপের কিছু অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • বাংলাদেশে: বাংলাদেশের পরিবেশে খেঁকশিয়াল দেখা যায় না বা বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
  • উল্লেখ্য: এটি সাধারণত মাটির নিচে থাকেন এবং ক্ষুদ্র শিকারি হিসেবে কাজ করে।
Option C Explanation:
  • প্রকার: জলচর পাখি
  • অবস্থান: মূলত অ্যামাজন, উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়ার কিছু অংশে দেখা যায়। বাংলাদেশে এর উপস্থিতি খুবই কম বা বিলুপ্ত বলে ধরা হয়।
  • অভ্যাস: সাধারণত জলাশয়, পুকুর, জলাভূমিতে বাস করে এবং ধীরগতিতে ডোবে বা হাঁটে।
  • আহার: মূলত জলজ উদ্ভিদ, জলজ কীটপতঙ্গ এবং ক্ষুদ্র জলজ প্রাণী খেয়ে জীবনধারণ করে।
  • বৈশিষ্ট্য: এর দেহের রঙ সাধারণত ধূসর বা বাদামী হয়, এবং এর ডানাগুলি প্রশস্ত ও বড়।
  • সাধারণ ব্যবহার: পাখিটি তার সৌন্দর্য এবং জলজ পরিবেশে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য পরিচিত।
Option D Explanation:
  • কালো ভাল্লুক: এই বন্যপ্রাণীটি প্রাকৃতিকভাবে বাংলাদেশে পাওয়া যায় না। তবে, কিছু গবেষণায় জানা যায় যে, কালো ভাল্লুকের মূল আবাসস্থল বিশ্বের বিভিন্ন অংশে বিস্তৃত হলেও, বাংলাদেশে এটি বিলুপ্ত বা দেখা যায় না।
  • অন্য কিছু অঞ্চলে এই প্রজাতি দেখা যায়, তবে বাংলাদেশে এর অস্তিত্ব নিশ্চিত নয়।
  • বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের পরিবেশ ও বাসস্থান এই প্রজাতির জন্য উপযুক্ত নয়।