টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন প্রাণিতে মুকুলোদগম পদ্ধতির প্রজনন হয়?

A. কেঁচো
B. হাইড্রা
C. আরশোলা
D. এ্যামিবা
সঠিক উত্তরঃ B. হাইড্রা
Explanation:
Option A Explanation:
  • আবাস: সাধারণত মাটির মধ্যে বা মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহের মধ্যে বসবাস করে।
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: দেহে বিভিন্ন ধরণের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থাকে, যেমন মাথা, দেহ, বিচ্ছিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।
  • উৎপত্তি: এটি একটি পরজীবী বা মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর অবশিষ্টাংশে পরিণত হয়।
  • প্রজনন: সাধারণত বিচ্ছিন্নভাবে বা অঙ্কুরের মাধ্যমে প্রজনন করে।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: এদের দেহের গঠন সাধারণত সরু এবং দীর্ঘ, এবং এরা বিভিন্ন পরিবেশে সহজে বেঁচে থাকতে সক্ষম।
Option B Explanation:

হাইড্রা

  • প্রাণী: হাইড্রা (Hydra)
  • ত্রিস্তরী গঠন: হাইড্রা ত্রিস্তরী প্রাণী, অর্থাৎ এর শরীরে তিনটি স্তর থাকে।
  • স্তরসমূহ:
    • একটি বাহ্যিক স্তর (Ectoderm)
    • মাঝের স্তর (Mesoderm)
    • অভ্যন্তরীণ স্তর (Endoderm)
  • অর্থ: এই ত্রিস্তরী গঠন তাকে জটিল ও কার্যক্ষম করে তোলে, যেমন চলাচল ও খাদ্য গ্রহণে সুবিধা করে।
  • উপকারিতা: সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায় এবং ছোট জলজ প্রাণী হিসেবে পরিচিত।
Option C Explanation:
  • প্রকৃতি: আরশোলা সাধারণত একটি ছোট থেকে মাঝারি আকারের উড়ন্ত পতঙ্গ, যা পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়।
  • রঙ: তাদের শরীর সাধারণত বাদামী বা ধূসর রঙের হয়, তবে সবুজ রঙের প্রজাতি কিছু ক্ষেত্রে পাওয়া যায়।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: আরশোলা দ্রুত দৌড়াতে সক্ষম এবং বেশ কিছু সময়ের জন্য খাবার এবং পানির উৎস খুঁজে পেতে সক্ষম।
  • অর্থনীতি ও পরিবেশ: তারা বিভিন্ন পরিবেশে বাস করে এবং পরিবেশ পরিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • উপকারিতা ও ক্ষতি: কিছু প্রজাতি ক্ষতিকর হলেও, তারা প্রকৃতির চক্রের অংশ হিসেবে উপকারী হতে পারে।
Option D Explanation:
  • প্রজনন প্রক্রিয়া: এ্যামিবা সাধারণত মুকুলোদগম (অ্যামিবিয়াসিস বা আউটগোয়িং) পদ্ধতিতে প্রজনন করে।
  • প্রজনন পদ্ধতি: এ্যামিবা গুটি বা মুকুল তৈরি করে যা পৃথক হয়ে নতুন এ্যামিবা হিসেবে বিকাশ লাভ করে।
  • প্রজননের সুবিধা: এই পদ্ধতিতে দ্রুত সংখ্যা বৃদ্ধি হয় এবং আশপাশের পরিবেশের উপর নির্ভরশীলতা কম হয়।
  • ব্যবহার: এই পদ্ধতিতে প্রজনন করে এ্যামিবা তাদের পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে সক্ষম হয়।