লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

প্লাসমিড আবিষ্কারের কৃতিত্ব সাধারণত জোশুয়া ল্যাডারবার্গ (Joshua Lederberg) কে দেওয়া হয়। ১৯৫২ সালে তিনি এবং তার ছাত্র এলিজাবেথ মিরিয়াম টার্টার (Elizabeth Miriam Tatter) ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে জেনেটিক উপাদান স্থানান্তরের প্রক্রিয়া - কনজুগেশন (conjugation) আবিষ্কার ??রেন। এই কনজুগেশনের মাধ্যমেই প্লাসমিডের অস্তিত্ব প্রথম বোঝা যায়।
প্লাসমিড আবিষ্কার কোনো একক ঘটনা নয়, বরং ধারাবাহিক গবেষণার ফসল। নিচে একটি টাইমলাইন দেওয়া হলো:
প্লাসমিড হলো ব্যাকটেরিয়ার কোষে অবস্থিত ছোট, বৃত্তাকার DNA অণু। এটি ব্যাকটেরিয়ার ক্রোমোজোমাল DNA থেকে আলাদাভাবে অবস্থান করে এবং স্বাধীনভাবে সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে।
| ক্ষেত্র | ব্যবহার |
|---|---|
| জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং | জিন ক্লোনিং, জিন থেরাপি |
| ফার্মাসিউটিক্যালস | ইনসুলিন, ভ্যাকসিন তৈরি |
| কৃষি | কীটপতঙ্গ প্রতিরোধী ফসল উৎপাদন |
সুতরাং, ল্যাডারবার্গ প্লাসমিড আবিষ্কারের সাথে সরাসরি জড়িত না থাকলেও, তার কাজ প্লাসমিড সম্পর্কে জানতে এবং বুঝতে অনেক সাহায্য করেছে। 👍
আরও জানতে ভিজিট করুন: প্লাসমিড - উইকিপিডিয়া
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে। 😊