টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

রহিম গ্রামে গিয়ে দেখলো কৃষকরা পাট কেটে তা পানিতে চুবিয়ে রাখছে।কিছুদিন পর তুলে পাটকাঠি থেকে আঁশ ছাড়াতে লাগলো।রহিমের মনে পড়লো এর পেছনে একটি অনুজীবের ভূমিকা রয়েছে। 

উদ্দীপকের অনুজীবটি ভাইরাস হতে ভিন্ন, কারণ 


A.

আকারে সর্বাপেক্ষা ছোট 

B.

জড় বৈশিষ্ট্য দেখা যায় 

C.

এমাইটোসিস ঘটে

D.

কেলাসিত হয়

সঠিক উত্তরঃ C.

এমাইটোসিস ঘটে

Explanation:

Another Explanation (5):

উদ্দীপকের অনুজীব: ব্যাকটেরিয়া 🦠

রহিমের দেখা পাট পচানোর কাজে ব্যবহৃত অনুজীবটি হলো ব্যাকটেরিয়া। এটি ভাইরাস থেকে ভিন্ন হওয়ার কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে পার্থক্য 🧬🔬

ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া উভয়ই রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু, তবে তাদের মধ্যে গঠন, প্রজনন প্রক্রিয়া এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে অনেক পার্থক্য রয়েছে। নিচে একটি তুলনামূলক তালিকা দেওয়া হলো:

বৈশিষ্ট্য ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া
কোষীয় গঠন কোষীয় গঠন নেই (নিউক্লিক অ্যাসিড ও প্রোটিন শেলের সমন্বয়ে গঠিত) কোষীয় গঠন বিদ্যমান (কোষ প্রাচীর, সাইটোপ্লাজম, রাইবোসোম ইত্যাদি থাকে)
প্রজনন প্রক্রিয়া জীবন্ত কোষের অভ্যন্তরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে (অবশ্যই পোষক কোষ লাগবে) দ্বি-বিভাজন (Binary fission) প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি করে। এমাইটোসিস প্রক্রিয়ায় কোষ বিভাজন ঘটে। ➗
আকার ব্যাকটেরিয়া থেকে অনেক ছোট (প্রায় ২০-৩০০ ন্যানোমিটার) অপেক্ষাকৃত বড় (প্রায় ০.৫ থেকে ৫ মাইক্রোমিটার) 📏
নিউক্লিক অ্যাসিড DNA অথবা RNA থাকে (একসাথে নয়) DNA এবং RNA উভয়ই থাকে 🧬
কোষ প্রাচীর নেই 🚫 আছে (পেপটিডোগ্লাইকান দিয়ে তৈরি) 🧱
রাইবোসোম নেই 🚫 আছে (৭০S)
নিজের খাদ্য তৈরি পারে না ❌ কিছু প্রজাতি পারে (যেমন: সায়ানোব্যাকটেরিয়া)। 🌱
অ্যান্টিবায়োটিক অ্যান্টিবায়োটিক দ্বারা প্রভাবিত হয় না 💊 অ্যান্টিবায়োটিক দ্বারা প্রভাবিত হয় এবং ধ্বংস করা যায়।

উদ্দীপকের অনুজীব কেন ভাইরাস নয়? 🤔

  1. কোষীয় গঠন: ভাইরাসের কোনো কোষীয় গঠন নেই। এটি শুধুমাত্র একটি প্রোটিন শেলের মধ্যে আবদ্ধ নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA বা RNA) দিয়ে গঠিত। ব্যাকটেরিয়ার নিজস্ব কোষীয় অঙ্গাণু (যেমন: রাইবোসোম, সাইটোপ্লাজম) বিদ্যমান।
  2. প্রজনন ক্ষমতা: ভাইরাস জীবন্ত কোষের বাইরে একেবারে নিষ্ক্রিয় এবং কোনো জীবন্ত কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে সেটির মাধ্যমে নিজেদের সংখ্যাবৃদ্ধি করে। অন্যদিকে, ব্যাকটেরিয়া দ্বি-বিভাজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজেরাই বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
  3. এমাইটোসিস: ব্যাকটেরিয়া এমাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি করে। এটি একটি সরল কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া, যেখানে নিউক্লিয়াস সরাসরি দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে যায়। ভাইরাসের এই ধরণের বিভাজন দেখা যায় না।

পাট পচনে ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা 🌱 ➡️ 🧶

  • পাট গাছ থেকে আঁশ ছাড়ানোর জন্য ব্যাকটেরিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • Clostridium, Bacillus এর মতো ব্যাকটেরিয়াগুলো পেকটিনেজ নামক এনজাইম নিঃসরণ করে।
  • এই এনজাইমগুলো পাট গাছের তন্তুগুলোকে আলাদা করতে সাহায্য করে, যা পরবর্তীতে আঁশ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

সুতরাং, উদ্দীপকের অনুজীবটি (ব্যাকটেরিয়া) ভাইরাস থেকে ভিন্ন, কারণ এটি কোষীয় গঠন সম্পন্ন, এমাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি করতে পারে এবং অ্যান্টিবায়োটিক দ্বারা প্রভাবিত হয়। ✅

Option A Explanation:
  • আকারে সর্বাপেক্ষা ছোট: ভাইরাসের তুলনায় অন্যান্য অনুজীব যেমন ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের আকার অনেক বড়।
  • প্রায় ২০-২৫ ন্যানোমিটারের মধ্যে ভাইরাসের আকার হয়, যা অনেক বড় অপেক্ষা ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের জন্য।
  • আকারের এই পার্থক্য তাদের নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এটি দেখায় ভাইরাসের অতি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রকৃতি।
Option B Explanation: উপস্থিত অপশনের মধ্যে "জড় বৈশিষ্ট্য দেখা যায়" এর ব্যাখ্যা নিম্নরূপ:
  • জড়তা (Inertia): জৈব অণুগুলোর মধ্যে আঘাত বা বাহ্যিক শক্তি প্রয়োগের পর দ্রুত পরিবর্তন বা গতি কমে যায়। অর্থাৎ, তারা স্থির বা ধীরগতির হয়।
  • অপ্রচলিত জীবনচক্র: জড়িয়ে থাকা অণুগুলো সাধারণত স্বতন্ত্র জীবনচক্র বা চিহ্নিত জীবনকাল বহন করে না।
  • প্রচন্ড গঠনবৈচিত্র্য: জড় অণুগুলোর গঠন সাধারণত খুবই জটিল বা বৈচিত্র্যপূর্ণ হতে পারে, যা ভাইরাসের মতো স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যযুক্ত নয়।
  • নির্দিষ্ট আকার বা আকৃতি: জড় অণুগুলোর আকার বা গঠন সাধারণত নির্দিষ্ট এবং স্থির থাকে, যা ভাইরাসের মতো ক্ষুদ্র ও স্বতন্ত্র নয়।
Option C Explanation:
  • এমাইটোসিস (Mitosis) হলো একটি কোষ বিভাজনের প্রক্রিয়া, যেখানে একটি মূল কোষ দুটি সমান কপি কোষে বিভক্ত হয়।
  • এটি সাধারণত শরীরের বৃদ্ধির জন্য বা ক্ষত সারানোর জন্য ঘটে, যেখানে কোষের আকার ও গঠন অপরিবর্তিত থাকে।
  • এমাইটোসিসের মাধ্যমে জৈবিক বিকাশ, কোষের পুনঃপ্রজনন এবং টিস্যুর রক্ষণাবেক্ষণ সম্ভব হয়।
  • প্রক্রিয়াটির ধাপগুলো হলো প্রি-প্রোফেজ, প্রোফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ, এবং টেলোফেজ।
  • এই প্রক্রিয়ায় জেনেটিক উপাদানের কপি হয়, ফলে নতুন কোষে একই জেনেটিক তথ্য থাকে।
Option D Explanation:
  • কেলাসিত হয়: এই বৈশিষ্ট্যটি জীবাণু বা উদ্ভিদজাতির জন্য সাধারণ।
  • কেলাসিতা বা কেলাসিত হওয়া মানে জীবাণু বা অণুজীবের কোষের ভিতরে কেলাস বা কেলাসের গঠন।
  • এটি এক ধরনের জীবাণুর কোষ গঠনের বৈশিষ্ট্য, যেখানে কোষের অভ্যন্তরে কেলাস বা কেলাসের গঠন দেখা যায়।
  • বিষয়টি সাধারণত ব্যাকটিরিয়া, প্রাণী ও উদ্ভিদজগতের জীবাণুদের মধ্যে দেখা যায়, যেখানে কোষের ভিতরে কেলাস থাকে।
  • অর্থাৎ, কেলাসিত হওয়া জীবাণুর আকার বা গঠনে একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য যা ভাইরাসের ক্ষেত্রে দেখা যায় না।