টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

146C এবং 168O কে বলা হয় পরস্পরের -

A. আইসোবার
B. আইসোটোপ
C. আইসোমার
D. আইসোটোন
সঠিক উত্তরঃ D. আইসোটোন
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

146C এবং 168O : আইসোটোন ব্যাখ্যা

146C (কার্বন-14) এবং 168O (অক্সিজেন-16) -কে কেন পরস্পরের আইসোটোন বলা হয়, তা নিচে আলোচনা করা হলো:

আইসোটোন কী?

আইসোটোন হলো বিভিন্ন মৌলিক পদার্থের পরমাণু যাদের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন। ⚛️ অর্থাৎ, তাদের পারমাণবিক সংখ্যা (Z) ভিন্ন কিন্তু ভর সংখ্যা (A) ভিন্ন হওয়ার কারণে নিউট্রন সংখ্যা (N = A - Z) একই থাকে।

146C এবং 168O এর নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয়

আমরা জানি, নিউট্রন সংখ্যা (N) = ভর সংখ্যা (A) - পারমাণবিক সংখ্যা (Z)

  • কার্বন-14 (146C):
    • ভর সংখ্যা (A) = 14
    • পারমাণবিক সংখ্যা (Z) = 6
    • নিউট্রন সংখ্যা (N) = 14 - 6 = 8
  • অক্সিজেন-16 (168O):
    • ভর সংখ্যা (A) = 16
    • পারমাণবিক সংখ্যা (Z) = 8
    • নিউট্রন সংখ্যা (N) = 16 - 8 = 8

সিদ্ধান্ত

উপরের গণনা থেকে দেখা যাচ্ছে যে, 146C এবং 168O উভয়ের নিউট্রন সংখ্যাই 8। যেহেতু এদের নিউট্রন সংখ্যা সমান, তাই তারা পরস্পরের আইসোটোন। 🎉

সারণিতে উপস্থাপনা

পরমাণু ভর সংখ্যা (A) পারমাণবিক সংখ্যা (Z) নিউট্রন সংখ্যা (N)
146C 14 6 8
168O 16 8 8

আরো কিছু তথ্য

আইসোটোনগুলো একই মৌলের পরমাণু নয়। এদের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য ভিন্ন হতে পারে কারণ এদের প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন। 🧪

আশা করি, এই ব্যাখ্যা থেকে 146C এবং 168O কেন আইসোটোন, তা পরিষ্কার হয়েছে। 📚

```