টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

বাংলাদেশ কোন প্রাণিভৌগলিক অঞ্চলে অবস্থিত ?

A. অস্ট্রেলিয়ান
B. ওরিয়েন্টাল
C. ইথিওপিয়ান
D. নিআর্কটিক
সঠিক উত্তরঃ B. ওরিয়েন্টাল
Another Explanation (5): বাংলাদেশটি সাধারণত বিভিন্ন প্রাণি ও ভৌগলিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হলেও, এটি বিশেষভাবে "ওরিয়েন্টাল" (Oriental) অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ, জলবায়ু, এবং জীববৈচিত্র্য মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ওরিয়েন্টাল অঞ্চলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি এশিয়ার মূল ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া, গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বনাঞ্চল এবং বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণির উপস্থিতি দেখা যায়।
  • ভৌগলিক অবস্থান: বাংলাদেশ পূর্ব এশিয়ার অংশ, যা ওরিয়েন্টাল অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
  • প্রাণি ও উদ্ভিদ: এখানে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণি যেমন বন্য হাতি, শেরপুরি বন, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও মাছ পাওয়া যায় যা ওরিয়েন্টাল অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য।
  • প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য: গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বনাঞ্চল, নদী-খাল, জলাভূমি ইত্যাদি ওরিয়েন্টাল অঞ্চলের সাধারণ বৈশিষ্ট্য।
সারাংশে, বাংলাদেশের ভৌগলিক ও প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য এই অঞ্চলের অন্তর্গত বলে বিবেচিত, যা "ওরিয়েন্টাল" বলে পরিচিত।
Option A Explanation:
  • অস্ট্রেলিয়ান: এটি পৃথিবীর বৃহৎ মহাদেশ ও মহাসাগরীয় অঞ্চল।
  • অস্ট্রেলিয়ান মহাদেশটি মূলত অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড, পাপুয়া নিউ গিনি, এবং অন্যান্য ছোট দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্ভুক্ত।
  • এটি সাধারণত অস্ট্রেলিয়ান প্লেটের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা ভূতত্ত্ব অনুযায়ী পৃথক মহাদেশ হিসেবে স্বীকৃত।
  • অস্ট্রেলিয়ান অঞ্চলে প্রচুর অরণ্য, মরুভূমি, এবং বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী দেখা যায়।
  • অস্ট্রেলিয়ান মহাদেশের বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে সুদৃঢ় ভূ-প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য এবং অনন্য জৈববৈচিত্র্য।
Option B Explanation: ওরিয়েন্টাল অঞ্চল ব্যাখ্যা

ওরিয়েন্টাল অঞ্চল

  • অর্থ: "ওরিয়েন্টাল" শব্দের অর্থ হলো "প্রাচ্য" বা "পূর্ব"।
  • ভূগোলিক দিক থেকে: এটি এশিয়া মহাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব অংশের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলটি প্রায়ই উষ্ণ জলবায়ু, ঘন বনাঞ্চল, এবং বিভিন্ন ধরনের উষ্ণপ্রধান প্রজাতির জন্য পরিচিত।
  • সংস্কৃতি ও জীবনধারা: ওরিয়েন্টাল অঞ্চল সাধারণত প্রাচ্য সংস্কৃতি, ধর্ম, এবং জীবনধারার জন্য বিখ্যাত, যেমন হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ধর্মের প্রভাব।
  • অর্থনৈতিক দিক: এই অঞ্চলে প্রাচীনকাল থেকে কৃষি, হস্তশিল্প, ও ব্যবসা-বাণিজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে।
Option C Explanation: ইথিওপিয়ান প্রাণিভৌগলিক অঞ্চল

ইথিওপিয়ান প্রাণিভৌগলিক অঞ্চল

  • অবস্থান: আফ্রিকার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।
  • প্রধান ভূখণ্ড: ইথিওপিয়া দেশটি মূলত দেহাতি ও পাহাড়ি এলাকা দ্বারা পরিবেষ্টিত।
  • প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য: বিশাল উচ্চভূমি, পাহাড়, ও মরুভূমি অঞ্চল রয়েছে।
  • জীববৈচিত্র্য: বিভিন্ন প্রজাতির প্রাচীন প্রাণী ও উদ্ভিদ পাওয়া যায়।
  • অঞ্চলের গুরুত্ব: এটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানকার প্রাচীন সভ্যতা ও সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু।
Option D Explanation:
  • নিআর্কটিক: এটি পৃথিবীর উত্তর মেরু অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি:
    • শীতল জলবায়ু এবং বরফের স্তর দ্বারা আচ্ছাদিত।
    • বহু অরণ্য এবং প্রাকৃতিক সম্পদ বিদ্যমান।
    • বিশ্বের বৃহৎ তুষারাবৃত আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত।
  • প্রধান জীববৈচিত্র্য:
    • উদাহরণস্বরূপ, বিভিন্ন ধরণের পেঙ্গুইন, সীল, এবং অন্যান্য ঠাণ্ডা পরিবেশে বাস করা প্রাণী।
  • অর্থনৈতিক গুরুত্ব:
    • তেল, গ্যাস, এবং মিনারেল সম্পদ অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ।
    • বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।