লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
Ans: C.
অ্যালেসিথ্যাল ডিম্বাণু বলতে বোঝায় সেই ডিম্বাণুকে, যেখানে কুসুমের (Yolk) পরিমাণ খুবই কম থাকে বা প্রায় অনুপস্থিত। মানুষের ডিম্বাণু এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। নিচে এর বৈশিষ্ট্য, সুবিধা এবং অন্যান্য তথ্য আলোচনা করা হলো:
মানুষের ডিম্বাণু অ্যালেসিথ্যাল হওয়ার কারণে এর কিছু বিশেষ সুবিধা রয়েছে। নিচে একটি টেবিলে এই সুবিধাগুলো তুলে ধরা হলো:
| বৈশিষ্ট্য | সুবিধা |
|---|---|
| কুসুমের অভাব | মাতৃগর্ভে প্লাসেন্টার (Placenta) মাধ্যমে সরাসরি পুষ্টি গ্রহণ ✅। |
| ক্ষুদ্র আকার | সহজে জরায়ুতে (Uterus) স্থানান্তরিত হতে পারে এবং বিকাশের জন্য উপযুক্ত স্থান খুঁজে নিতে পারে 📍। |
| দ্রুত বিভাজন | ভ্রূণের দ্রুত বৃদ্ধি এবং অঙ্গ তৈরি হওয়া সম্ভব 👶। |
ডিমের কুসুমের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে ডিম্বাণু বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। নিচে কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হলো:
আশা করি, অ্যালেসিথ্যাল ডিম্বাণু এবং মানুষের ডিম্বাণু সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। আরও কিছু জানার থাকলে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। 😊