টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মূত্রের উপাদান নয় কোনটি?

A. ক্রিয়েটিনিন
B. ইউরিক এসিড
C. ইউরোক্রোম
D. বিলিরুবিন
সঠিক উত্তরঃ D. বিলিরুবিন
Another Explanation (5): মূত্রের উপাদান হিসেবে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের যৌগ থাকে যা শরীরের বিপাকপ্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ নির্গত হয়। তবে, সব ধরনের উপাদানই মূত্রে উপস্থিত থাকে না। নিচে মূল উপাদানগুলো দেওয়া হলো:
  • জল – মূত্রের প্রধান উপাদান, প্রায় ৯৫% জল।
  • অ্যামোনিয়া – প্রাথমিকভাবে বিপাকীয় প্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ তৈরি হয়।
  • ইউরিয়া – প্রোটিনের বিপাকের ফলে তৈরি হয়ে শরীর থেকে নিঃসরণ হয়।
  • খনিজ লবণ – যেমন সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্লোরাইড ইত্যাদি।
অন্যদিকে, বিলিরুবিন হলো এক ধরনের রক্তের রঙ্গক যা লিভার দ্বারা প্রক্রিয়াজাত হয়ে বিলির মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়। এটি সাধারণত মূত্রে থাকে না। তাই, মূত্রের উপাদান নয় বলে এটি প্রশ্নের উত্তরে উল্লেখ করা হয়েছে।
Option A Explanation:
  • ক্রিয়েটিনিন: একটি পণ্য যা মূলত মাংসের পেশী থেকে উৎপন্ন হয় এবং সাধারণত শরীরের মধ্যে পঁচন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়।
  • বিষাক্ত নয়, বরং এটি কিডনির কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • উচ্চ ক্রিয়েটিনিন স্তর কিডনি সমস্যার নির্দেশ করে, তবে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিষাক্ত নয়।
Option B Explanation:
  • ইউরিক এসিড: ইউরিক এসিড হলো শরীরের প্রাকৃতি??? ব্যার্থ উপাদান, যা প্রোটিনের ভাঙনের ফলাফল। এটি সাধারণত কিডনি দ্বারা শরীর থেকে প্রশ্রয় পায়।
  • অতিরিক্ত ইউরিক এসিড: যখন শরীরে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেশি হয়, তখন এটি শরীরের বিভিন্ন অংশে জমা হতে পারে, বিশেষ করে জোড়ে বা পা-র সংযোগস্থলে, যা গাউট নামক ব্যাধির কারণ হতে পারে।
  • উচ্চ ইউরিক এসিডের প্রভাব: এটি কিডনি স্টোনের কারণ হতে পারে এবং রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা খুব বেশি হলে তা শরীরের ক্ষতি করতে পারে।
  • প্রাকৃতিক নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ও পর্যাপ্ত জলপান ইউরিক এসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
Option C Explanation:
  • ইউরোক্রোম: এটি একটি পিগমেন্ট যা ইউরিনের রঙের জন্য দায়ি।
  • এটি মূলত হেমোগ্লোবিনের ভাঙা অংশ, যা রক্ত থেকে ইউরিনে প্রবেশ করে এবং তার রঙ নির্ধারণ করে।
  • ইউরোক্রোমের উপস্থিতি ইউরিনের স্বাভাবিক রঙের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, সাধারণত এটি খড় বা হালকা বাদামী রঙের হয়ে থাকে।
  • ইউরোক্রোমের মাত্রা পরিবর্তনের মাধ্যমে ইউরিনের রঙের তফাৎ দেখা যায়, যেমন বেশি থাকলে ইউরিন গাঢ় হয়ে যায়।
Option D Explanation:
  • বিলিরুবিন: বিলিরুবিন একটি রঙিন পিগমেন্ট যা লোহিত রক্তকণিকার ভাঙনের ফলে তৈরি হয়। এটি মূলত যকৃতের মাধ্যমে প্রসেস হয় এবং প্রস্রাব বা মলমূত্রের মাধ্যমে বের হয়ে যায়।
  • প্রভাব: বিলিরুবিন রক্তের জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় কোনও সরাসরি প্রভাব ফেলে না। এটি মূলত রঙিন পিগমেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং রক্তের গুণমান বা গড়ন পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
  • সংক্ষেপ: তাই, বিলিরুবিনের রক্ত জমাট বাঁধার বা রক্তের গঠন বা গতি পরিবর্তনে কোনও প্রভাব নেই।