লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

অধঃক্ষেপণ বলতে দ্রবণ থেকে কঠিন পদার্থের পৃথক হয়ে তলানি হিসেবে জমা হওয়াকে বোঝায়। এই প্রক্রিয়াটি ঘটার জন্য একটি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হওয়া আবশ্যক। নিচে সেটি ব্যাখ্যা করা হলো:
অধঃক্ষেপণের মূল শর্ত হলো, দ্রবণে আয়নীয় গুণফল (Ki) দ্রবণীয়তা গুণফল (Ks) থেকে বড় হতে হবে। অর্থাৎ:
Ki > Ks
যখন Ki, Ks থেকে বড় হয়, তখন দ্রবণটি অতিপৃক্ত (supersaturated) অবস্থায় থাকে। এই অবস্থায় দ্রবণে লবণের দ্রবণীয়তা তার স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি থাকে, যা লবণকে দ্রবণ থেকে পৃথক হয়ে কঠিন রূপে তলানি হিসেবে জমা হতে বাধ্য করে। ⏳
| শর্ত | অবস্থা | ফলাফল |
|---|---|---|
| Ki < Ks | অসম্পৃক্ত দ্রবণ (Unsaturated Solution) | অধঃক্ষেপণ হবে না। দ্রবণ আরও লবণ দ্রবীভূত করতে পারবে। ✅ |
| Ki = Ks | সম্পৃক্ত দ্রবণ (Saturated Solution) | সাম্যাবস্থা বজায় থাকবে। অধঃক্ষেপণ হবে না, আবার কঠিন লবণও দ্রবীভূত হবে না। ⚖️ |
| Ki > Ks | অতিপৃক্ত দ্রবণ (Supersaturated Solution) | অধঃক্ষেপণ ঘটবে। অতিরিক্ত লবণ কঠিন রূপে দ্রবণের নিচে জমা হবে। ⬇️ |
ধরা যাক, সিলভার ক্লোরাইডের (AgCl) Ks এর মান 1.8 x 10-10। যদি কোনো দ্রবণে [Ag+] = 2.0 x 10-5 M এবং [Cl-] = 3.0 x 10-5 M হয়, তাহলে Ki হবে:
Ki = [Ag+][Cl-] = (2.0 x 10-5)(3.0 x 10-5) = 6.0 x 10-10
যেহেতু Ki (6.0 x 10-10) > Ks (1.8 x 10-10), তাই AgCl এর অধঃক্ষেপণ ঘটবে। 🌧️
অধঃক্ষেপণের জন্য Ki > Ks হওয়া অত্যাবশ্যক। এই শর্ত পূরণ হলেই দ্রবণ থেকে কঠিন পদার্থ আলাদা হয়ে অধঃক্ষিপ্ত হবে। 👍
আরো জানতে বিভিন্ন রসায়ন বিষয়ক ওয়েবসাইট দেখুন। 📚
```