টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মানুষের লোহিত কণিকায় ম্যালেরিয়া পরজীবীর বহুবিভাজন প্রক্রিয়ায় অযৌন জননকে কী বলে?

A. এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি
B. এক্সো-এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি
C. হেপাটিক সাইজোগনি
D. প্রি-এরিতথ্রোসাইটিক সাইজোগনি
সঠিক উত্তরঃ A. এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি
Explanation:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"মানুষের লোহিত কণিকায় ম্যালেরিয়া পরজীবীর বহুবিভাজন প্রক্রিয়ায় অণুজননকে কী বলে?\" এই প্রশ্নটি ম্যালেরিয়া পরজীবী (Plasmodium) এর জীবচক্র সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। Plasmodium পরজীবী বিভিন্ন পর্যায়ে বিভাজন ও বৃদ্ধির মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে। বিশেষ করে, এই প্রশ্নটি স্পোরোজোনি এবং এর প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্ররোচিত করছে।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. \"এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি\": সঠিক অপশন: ম্যালেরিয়া পরজীবী মানুষের লোহিত রক্তকণিকায় প্রবেশ করে এবং সেখানে বহুবিভাজন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, যা সাইজোগোনি নামে পরিচিত। যখন এই প্রক্রিয়াটি লোহিত রক্তকণিকায় ঘটে, তখন এটিকে এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায়, পরজীবী বিভাজিত হয়ে নতুন মেরোজোইট সৃষ্টি করে, যা আরও লোহিত কণিকায় সংক্রমণ ঘটায়।
  2. \"এক্সো- এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি\": ভ???ল অপশন: এক্সো- এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি সেই প্রক্রিয়া বোঝায় যা লোহিত কণিকার বাইরে ঘটে। এটি লিভারে ঘটে এবং এর ফলস্বরূপ পরজীবী লোহিত কণিকায় প্রবেশ করে। তাই এই প্রক্রিয়া লোহিত কণিকায় ঘটে না এবং এটি সঠিক উত্তর নয়।
  3. \"হেপাটিক সাইজোজোনি\": ভুল অপশন: হেপাটিক সাইজোজোনি সেই প্রক্রিয়া বোঝায় যা লিভারে ঘটে। এটি ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রের একটি প্রাথমিক পর্যায়ে ঘটে, যখন পরজীবী লিভার কোষে প্রবেশ করে এবং বিভাজন শুরু করে। তবে, প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে লোহিত কণিকা, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
  4. \"শ্রী- এরিট্রোসাইটিক সাইজোজোনি\": ভুল অপশন: এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এখানে \'শ্রী\' শব্দটি প্রশ্নের প্রসঙ্গে ভুলভাবে ব্যবহার হয়েছে। শ্রী- এরিট্রোসাইটিক সাইজোজোনি বলে কিছু নেই, এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর ??তে পারে না।

নোট:

এই প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবচক্র এবং তার বিভিন্ন পর্যায় সম্পর্কে গভীর ধারণা দেওয়া হচ্ছে। এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি ম্যালেরিয়া রোগের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়, যেখানে পরজীবী লোহিত কণিকায় বিভাজিত হয়ে ম্যালেরিয়া রোগের লক্ষণ সৃষ্টি করে। সঠিক উত্তর হলো \"এরিথ্রোসাইটিক সাইজোজোনি,\" যা লোহিত রক্তকণিকায় ম্যালেরিয়া পরজীবীর বিভাজন প্রক্রিয়া নির্দেশ করে।
Option A Explanation:
  • এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি হল এক ধরনের অযৌন জনন প্রক্রিয়া যা লোহিত রক্তকণিকায় ঘটে।
  • এটি মূলত পরজীবীর বিভাজনের মাধ্যমে ঘটে, যেখানে একটি পরজীবী একক কণিকা থেকে বহুবিধ কণিকায় পরিণত হয়।
  • প্রক্রিয়াটির মাধ্যমে নতুন পরজীবীরা মূল পরজীবীর থেকে আলাদা হয়ে শরীরের নতুন অংশে স্থিতিশীলভাবে বৃদ্ধি পায়।
  • এটি সাধারণত পরজীবীর জীবনচক্রের নির্দিষ্ট ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা পরজীবীর বিস্তার ও সংক্রমণে সহায়তা করে।
Option B Explanation:
  • এক্সো-এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি হলো একটি বিভাজন প্রক্রিয়া যা মানুষ বা অন্য জীবের লোহিত কণিকায় ঘটে।
  • এটি একটি অযৌন জনন পদ্ধতি, যেখানে পরজীবী বা কোষের ভিতরে থাকা একক কোষ বিভাজনের মাধ্যমে নতুন কোষ গঠন করে।
  • এই প্রক্রিয়ায়, পরজীবীর সংখ্যাবৃদ্ধি দ্রুত ঘটে এবং এটি সাধারণত রোগের বিস্তারে সহায়ক হয়।
  • প্রক্রিয়াটি মূলতঃ একগুচ্ছ কোষের বিভাজনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, যেখানে নতুন কোষ পূর্বসূরির থেকে পৃথক হয় না।
  • এই বিভাজন প্রক্রিয়াটি মূলতঃ লোহিত কণিকায় ঘটে, যেখানে পরজীবী বা ভাইরাসের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
Option C Explanation:

হেপাটিক সাইজোগনি

  • অর্থ: হেপাটিক সাইজোগনি হলো লিভার বা যকৃতের কোষের মধ্যে পরজীবীর অযৌন বিভাজন প্রক্রিয়া।
  • প্রক্রিয়া: এই প্রক্রিয়ায় পরজীবীর কোষের মধ্যে একাধিক বিভাজন ঘটে, যার ফলে একটি কোষ থেকে বহু পরজীবী উৎপন্ন হয়।
  • অবস্থান: সাধারণত এটি পরজীবীর জীবনচক্রের নির্দিষ্ট পর্যায়ে ঘটে, যেখানে তা শরীরের যকৃত বা লিভারে বাস করে।
  • উদ্দেশ্য: এই বিভাজন পরজীবীর সংখ্যা বৃদ্ধি করে, যা আক্রমণের প্রভাব বাড়ায়।
  • সংক্ষেপে: এটি একটি অযৌন বিভাজন প্রক্রিয়া যা পরজীবীর দ্রুত সংখ্যাবৃদ্ধি নিশ্চিত করে।
Option D Explanation:
  • প্রি-এরিতথ্রোসাইটিক সাইজোগনি: এটি একটি উদ্ভাসিত পর্যায় যেখানে পরজীবী তার অযৌন বিভাজন প্রক্রিয়ায় নতুন কণিকা তৈরি করে, যা মূল পরজীবীর থেকে পৃথক হয়।
  • এটি সাধারণত পরজীবীর জীবনচক্রের একটি প্রাথমিক পর্যায়ে ঘটে, যেখানে এটি দ্রুত বৃদ্ধি ও বিভাজন করে।
  • এই প্রক্রিয়ায়, পরজীবীর আকার ও গঠন পরিবর্তিত হয় না, তবে সংখ্যাগতভাবে বৃদ্ধি পায়।
  • প্রি-এরিতথ্রোসাইটিক সাইজোগনি সাধারণত মানুষের লোহিত রক্তকণিকায় দেখা যায়, যেখানে এটি অযৌন জননের মাধ্যমে দ্রুত সংখ্যাগত বৃদ্ধি পায়।