লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
ব্যাখ্যা : কসাভা ‘শিমুল আলু’ বলে পরিচিত । দেশের পাহাড়ী অঞ্চলে বহু বছর ধরে অনেকটা অবহেলায় চাষ হওয়া আলু জাতীয় এই উদ্ভিদটি এখন বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় অর্থকরি ফসল। একরকম আলু জাতীয় খাবার, আফ্রিকায় ক্ষুধা নিবারনে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। কসাভা এমন একটি উদ্ভিদ যেটি শর্করা ও সাগু শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এতে HCN থাকে।
কসাভা (Cassava), যা ম্যানিহট ইউটিলিসিমা (Manihot esculenta) নামেও পরিচিত, একটি গুরুত্বপূর্ণ কন্দ জাতীয় খাদ্যশস্য। এটি বিশ্বের অনেক অঞ্চলের মানুষের খাদ্য তালিকায় একটি প্রধান উৎস। তবে, কসাভার মধ্যে হাইড্রোজেন সায়ানাইড (HCN) নামক একটি বিষাক্ত উপাদান বিদ্যমান।
হাইড্রোজেন সায়ানাইড একটি শক্তিশালী বিষ। এটি মানবদেহে গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। এর মধ্যে কয়েকটি হলো:
কসাভা খাওয়ার আগে যথাযথভাবে প্রক্রিয়াজাত করা উচিত, যাতে হাইড্রোজেন সায়ানাইডের পরিমাণ কমানো যায়। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় নিচে উল্লেখ করা হলো:
| পদ্ধতি | কার্যকারিতা 👍 | বর্ণনা 📝 |
|---|---|---|
| ভেজানো 💧 | মাঝারি | কসাভা কেটে কয়েক ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখলে কিছু পরিমাণ সায়ানাইড দূর হয়। |
| সিদ্ধ করা ♨️ | ভালো | কসাভা কেটে ভালোভাবে সিদ্ধ করলে HCN গ্যাসীয় আকারে বের হয়ে যায়। |
| শুকানো ☀️ | মাঝারি | কসাভা ছোট টুকরা করে কেটে রোদে শুকালে সায়ানাইডের পরিমাণ কমে যায়। |
| গাঁজন fermentation 🦠 | খুব ভালো | কসাভা গাঁজন (Fermentation) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষাক্ততা কমানো যায়। |
কসাভা দুই ধরনের হয়ে থাকে:
উপসংহার: কসাভা একটি পুষ্টিকর খাবার হলেও, এতে বিদ্যমান হাইড্রোজেন সায়ানাইড সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। সঠিক প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে এটি নিরাপদে খাওয়া যায়। 😋
অতএব, তিনটি উদ্ভিদই bulliform কোষ ধারণ করে, যা তাদের পাতার জল সঞ্চয় ও ঝুলে পড়া নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
```