টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন ম্যালেরিয়া জীবাণুর আক্রমণে মানব দেহে ম্যালিগন্যান্ট টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার সৃষ্টি হয়?

A. Plasmodium malariae
B. Plasmodium falciparum
C. Plasmodium vivax
D. Plasmodium ovale
সঠিক উত্তরঃ B. Plasmodium falciparum
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষ??: কোন ম্যালেরিয়া জীবাণু সবচেয়ে ভয়ংকর ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. Plasmodium malariae: ভুল, এটি তুলনামূলক কম ক্ষতিকর। B. Plasmodium falciparum: সঠিক, এটি ম্যালিগন্যান্ট টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার জন্য দায়ী। C. Plasmodium vivax: ভুল, এটি তুলনামূলক কম মারাত্মক। D. Plasmodium ovale: ভুল, এটি অপেক্ষাকৃত দুর্বল। নোট: P. falciparum মস্তিষ্ক ও অন্যান্য অঙ্গে গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
Another Explanation (5):

ম্যালারিয়া জীবাণু ও তার প্রভাব

ম্যালারিয়া একটি গুরুতর অসুখ যা সাধারণত ম্যালেরিয়া জীবাণুর দ্বারা সৃষ্টি হয়। এই জীবাণুগুলোর মধ্যে Plasmodium জেনাসের বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে, তবে Plasmodium falciparum সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং গুরুতর ধরনের রোগ সৃষ্টি করে।

প্রশ্নের উত্তর:

প্রশ্ন: কোন ম্যালেরিয়া জীবাণুর আক্রমণে মানব দেহে ম্যালিগন্যান্ট টারশিয়ান ম্যালেরিয়া সৃষ্টি হয়?

উত্তর: Plasmodium falciparum

বিশ্লেষণঃ

নিম্নলিখিত কারণগুলো এই জীবাণুর মারাত্মক প্রকৃতির জন্য দায়ী:

  • এই প্রজাতিটি দ্রুত রক্তের লোহিত রক্তকণিকা আক্রমণ করে। ⚡
  • অতিরিক্ত আক্রমণে ???ক্তে অপ্রচুর পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 💀
  • এটি অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় বেশি জটিল এবং প্রাণনাশক। ☠️

তালিকা: Plasmodium প্রজাতিগুলোর মধ্যে পার্থক্য

প্রজাতি সংক্রমণের গতি প্রভাব
Plasmodium falciparum দ্রুত ম্যালিগন্যান্ট, প্রাণনাশক 💀🔥
Plasmodium vivax ধীর অল্প মারাত্মক
Plasmodium ovale ধীর কম গুরুতর
Plasmodium malariae মধ্যম ধীরে ধীরে আক্রমণ

উপসংহার:

অতএব, Plasmodium falciparum মারাত্মক এবং প্রাণনাশক ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে, যা মানব জীবনকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। তাই এর বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রতিরোধ ও চিকিৎসা জরুরি। 🩺🌍

Option A Explanation:
  • নাম: Plasmodium malariae
  • প্রকার: পরজীবী প্রোটোজোয়া (প্রোটোজোয়া পরজীবী)
  • সংক্রান্ত রোগ: মালেরিয়া (Malaria)
  • প্রভাব: রক্তের লোহিত রক্তকণিকা আক্রান্ত করে, জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, অস্থিরতা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়
  • প্রজনন: মানসিক মধ্যবর্তী পরজীবী (অ্যামাইবোসিস বা অন্য কিছু নয়, বরং মালেরিয়ার জন্য প্রজনন করে)
  • আবাস: মানবদেহের রক্তপ্রবাহে থাকে এবং এদের মাধ্যমে রোগ ছড়ায়
  • সংক্রমণ পদ্ধতি: এঁড়ে বা মাছি দ্বারা সংক্রমিত হয়, যখন তারা আক্রান্ত রক্তের সাথে যোগাযোগ করে
Option B Explanation:
  • প্রকার: একপ্রকার পরজীবী (প্রোটোজোয়া)
  • অবস্থান: মানবদেহে ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী
  • বিশেষত্ব: এই পরজীবীটি সবচেয়ে গুরুতর ও মারাত্মক ধরনের ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে।
  • সংক্রমণের মাধ্যম: ইঁদুর বা মাছি (Anopheles mosquito) এর মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়।
  • প্রজনন ও জীবনচক্র: মানুষের রক্তে বাস করে এবং লিভার কোষে প্রজনন করে।
  • উপসর্গ: জ্বর, কাঁপুনি, মাথা ব্যথা, শরীরের দুর্বলতা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
  • বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই পরজীবীটি অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় বেশি মারাত্মক এবং দ্রুত সংক্রমণ ঘটায়।
Option C Explanation:
  1. প্রকার: প্লাজমোডিয়াম জীবাণুর একটি প্রকার, যা মালেরিয়া (অ্যাকিউট বা ক্রনিক) রোগের কারণ।
  2. উদ্ভবস্থান: সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে পাওয়া যায়, যেখানে জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয় বেশি থাকে।
  3. লক্ষণ:
    • অল্প সময়ের জন্য জ্বর আসে, যা পুনরাবৃত্তি হয়।
    • জ্বরের সময় কাঁপুনি হয়, যা সাধারণত ১-২ ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
    • শরীরের অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
    • অন্য লক্ষণগুলোতে মাথাব্যথা, ঠান্ডা লাগা, পেশী ব্যথা থাকতে পারে।
  4. প্রজনন ও সংক্রমণ: প্যাথোজেনটি রক্তে প্রবেশ করে, এবং আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মাধ্যমে অন্যান্য মানুষের মধ্যে ছড়ায়।
  5. চিকিৎসা: সাধারণত অ্যান্টিম্যালেরিয়াল ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়।
Option D Explanation:
  • Plasmodium ovale একটি প্রোটজোয়া পরজীবী যা সাধারণত মানুষের দেহে ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে না।
  • এটি মূলত অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • এটি মানুষের দেহে ইনফেকশন ঘটাতে সক্ষম হলেও, সাধারণত এটি খুব কম ক্ষেত্রে দেখা যায় এবং খুব বেশি গুরুতর রোগ সৃষ্টি করে না।
  • ইনফেকশন হলে এর লক্ষণগুলি সাধারণত হালকা হয় এবং চিকিত্সার মাধ্যমে সহজে নিরাময় হয়।
  • অন্য সাধারণ ম্যালেরিয়া পরজীবীদের মতো, এটি রক্তের লোহিত কণিকা আক্রমণ করে না বা মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করে না।