টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কৃমির লার্ভা ধ্বংস করে কোনটি ?

A.

মনোসাইট

B.

বেসোফিল

C.

ইউসিনোফিল 

D.

নিউট্রোফিল

সঠিক উত্তরঃ C.

ইউসিনোফিল 

Explanation:

Another Explanation (5):

কৃমির লার্ভা ধ্বংসকারী ইউসিনোফিল: একটি বিস্তারিত আলোচনা

ইউসিনোফিল এক প্রকার শ্বেত রক্ত কণিকা (White Blood Cell) যা মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে, এরা পরজীবী কৃমি (Parasitic Worms) সংক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশনেও অংশ নেয়।

ইউসিনোফিল কী? 🤔

  • ইউসিনোফিল হলো গ্রানুলোসাইট পরিবারের সদস্য। এর সাইটোপ্লাজমে বড় বড় গ্রানুল (কোষের অঙ্গাণু) থাকে যা হিস্টোলজিক্যাল স্টেইনিং-এ রঞ্জিত হলে গোলাপী বা লাল দেখায়।
  • এরা অস্থি মজ্জাতে (Bone Marrow) তৈরি হয় এবং রক্ত ​​​​প্রবাহে প্রবেশ করে।
  • সাধারণত, রক্তে ইউসিনোফিলের সংখ্যা কম থাকে (মোট শ্বেত রক্ত কণিকার ১-৬%)।

কৃমির লার্ভা ধ্বংস করার প্রক্রিয়া 🐛 ➡️ 💀

  1. কৃমি সনাক্তকরণ: ইউসিনোফিল IgE (Immunoglobulin E) অ্যান্টিবডির মাধ্যমে কৃমির লার্ভাকে সনাক্ত করে। এই অ্যান্টিবডিগুলো কৃমির লার্ভার সাথে লেগে থাকে।
  2. ডিগ্রানুলেশন: সনাক্ত করার পর, ইউসিনোফিল ডিগ্রানুলেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এর ভেতরের গ্রানুলগুলো নিঃসরণ করে।
  3. বিষাক্ত পদার্থ নিঃসরণ: গ্রানুলে থাকা প্রধান বিষাক্ত পদার্থগুলো হলো:
    • মেজর বেসিক প্রোটিন (MBP): কৃমির বহিরাবরণ ধ্বংস করে।
    • ইউসিনোফিল ক্যাটিওনিক প্রোটিন (ECP): কৃমির কোষের ঝিল্লিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
    • ইউসিনোফিল পারঅক্সিডেস (EPO): হ্যালাইড আয়নের সাথে মিলিত হয়ে শক্তিশালী অক্সিডেন্ট তৈরি করে, যা কৃমিকে মেরে ফেলে।
  4. লার্ভার ধ্বংস: এই বিষাক্ত পদার্থগুলো কৃমির লার্ভার শরীর ছিদ্র করে দেয়, তাদের ভেতরের অঙ্গাণু নষ্ট করে এবং শেষ পর্যন্ত লার্ভাটিকে ধ্বংস করে। 🎉

ইউসিনোফিলের কার্যাবলী 📝

কাজ বিবরণ
পরজীবী সংক্রমণ প্রতিরোধ কৃমি, ফ্লুক, টেপওয়ার্ম ইত্যাদি পরজীবীর লার্ভা ধ্বংস করে। 🪱
অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশনে হিস্টামিন ও অন্যান্য প্রদাহ সৃষ্টিকারী পদার্থ নিঃসরণে বাধা দেয়।🤧
কোষের ক্ষতি মেরামত ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু মেরামত এবং নতুন টিস্যু তৈরিতে সাহায্য করে। 🩹
টিউমার প্রতিরোধ কিছু ক্ষেত্রে টিউমার কোষ ধ্বংস করতে পারে।

ইউসিনোফিলের সংখ্যা বৃদ্ধি (Eosinophilia) 📈

রক্তে ইউসিনোফিলের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে তাকে ইউসিনোফিলিয়া বলা হয়। এর কিছু কারণ হলো:

  • পরজীবী সংক্রমণ
  • অ্যালার্জি জনিত রোগ (যেমন: অ্যাজমা, অ্যালার্জিক রাইনাইটিস)
  • কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 💊
  • ত্বকের রোগ (যেমন: একজিমা)
  • ক্যান্সার 🎗️

ইউসিনোফিল মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কৃমির সংক্রমণ থেকে শুরু করে অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ পর্যন্ত, এর ভূমিকা অপরিহার্য। ❤️