টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

এনজাইম বা প্রাণ-অনুঘটক হচ্ছে এক ধরনের-

A. পলিস্যাকারাইড
B. নিউক্লিক এসিড
C. কনজুগেটেড প্রোটিন
D. অ্যালকালয়েড
সঠিক উত্তরঃ C. কনজুগেটেড প্রোটিন
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এনজাইম হল প্রোটিন যা রাসায়নিক বিক্রিয়া প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। অপশন বিশ্লেষণ: Option A: পলিস্যাকারাইড, ভুল; এটি প্???োটিন নয়। Option B: নিউক্লিক এসিড, ভুল; এটি জিনগত উপাদান। Option C: কনজুগেটেড প্রোটিন, সঠিক; এটি এনজাইমের প্রকৃতি। Option D: অ্যালকালয়েড, ভুল; এটি রাসায়নিক যৌগ। নোট: এনজাইম জীবনের মৌলিক প্রক্রিয়াগুলো দ্রুত করতে সাহায্য করে।
Another Explanation (5):

এনজাইম বা প্রাণ-অনুঘটক: একটি বিস্তারিত আলোচনা 🧪

এনজাইম, যা প্রাণ-অনুঘটক নামেও পরিচিত, জীবন্ত কোষের ???ধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলিকে ত্বরান্বিত করে। এটি মূলত এক ধরনের কনজুগেটেড প্রোটিন। নিচে এর গঠন, কাজ এবং প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা করা হলো:

এনজাইমের গঠন 🧬

  • অ্যাপোএনজাইম (Apoenzyme): এটি এনজাইমের প্রোটিন অংশ।
  • কোফ্যাক্টর (Cofactor): এটি নন-প্রোটিন অংশ যা এনজাইমের কার্যকারিতার জন্য অপরিহার্য। কোফ্যাক্টরগুলো অজৈব আয়ন (যেমন: Fe2+, Mg2+, Mn2+, Zn2+) অথবা জৈব অণু (যেমন: ফ্ল্যাভিন বা হেম) হতে পারে। জৈব কোফ্যাক্টরগুলোকে কোএনজাইম (Coenzyme) বলা হয়।
  • হোলোএনজাইম (Holoenzyme): অ্যাপোএনজাইম এবং কোফ্যাক্টর একসাথে যুক্ত হয়ে গঠিত সম্পূর্ণ কার্যকরী এনজাইম।

এনজাইমের প্রকারভেদ 📂

কার্যকারিতার উপর ভিত্তি করে এনজাইমগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়:

  1. অক্সিডোরেডাক্টেস (Oxidoreductases): জারন-বিজারন বিক্রিয়া ঘটায়। উদাহরণ: ডিহাইড্রোজিনেজ।
  2. ট্রান্সফারেস (Transferases): কার্যকরী গ্রুপ স্থানান্তর করে। উদাহরণ: কাইনেস।
  3. হাইড্রোলেস (Hydrolases): আর্দ্র বিশ্লেষণ ঘটায়। উদাহরণ: অ্যামাইলেজ, প্রোটিয়েজ, লাইপেজ।
  4. লাইয়েস (Lyases): অপসারণের মাধ্যমে দ্বিবন্ধন তৈরি করে। উদাহরণ: ডিহাইড্রেটেস।
  5. আইসোমারেস (Isomerases): আইসোমার তৈরি করে। উদাহরণ: মিউটেস।
  6. লাইগেসেস (Ligases): দুটি অণুকে যুক্ত করে। উদাহরণ: ডিএনএ লাইগেজ।

এনজাইমের বৈশিষ্ট্যসমূহ ✨

  • উচ্চ কার্যকারিতা: এনজাইম খুব অল্প সময়ে অনেক বেশি বিক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে।
  • специфичность (Specificity): প্রতিটি এনজাইম একটি নির্দিষ্ট বিক্রিয়ার জন্য বিশেষভাবে তৈরি।
  • তাপমাত্রা এবং pH সংবেদনশীলতা: এনজাইমের কার্যকারিতা তাপমাত্রা এবং pH এর উপর নির্ভরশীল।
  • পুনরায় ব্যবহারযোগ্য: বিক্রিয়ার শেষে এনজাইম অক্ষত থাকে এবং পুনরায় ব্যবহার করা যায়।

এনজাইমের ব্যবহার 🧪🔬

এনজাইমের ব্যবহার ব্যাপক। নিচে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যবহার উল্লেখ করা হলো:

  • খাদ্য শিল্প: খাদ্য উৎপাদনে এবং খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
  • চিকিৎসা বিজ্ঞান: রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
  • জৈবপ্রযুক্তি: বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
  • পরিবেশ সুরক্ষায়: দূষণ কমাতে ব্যবহৃত হয়।

এনজাইমের তালিকা 🧮

এনজাইমের নাম শ্রেণী কাজ
অ্যামাইলেজ হাইড্রোলেস শ্বেতসারকে চিনিতে পরিণত করে।
লাইপেজ হাইড্রোলেস ফ্যাটকে ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে।
প্রোটিয়েজ হাইড্রোলেস প্রোটিনকে অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত করে।
ডিএনএ পলিমারেজ ট্রান্সফারেস ডিএনএ অনুলিপনে সাহায্য করে।

আশা করি, এনজাইম সম্পর্কে এই আলোচনাটি আপনার কাজে লাগবে। 😊