টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

"দ্রত নগরায়নের ফলে বাংলাদেশের শহরগুলোতে খেলার মাঠের স্বল্পতা ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে। ফলে শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে।" এই বিষয়ে আপনার মতামত দিন এবং আমাদের করণীয় সম্পর্কে আলোকপাত করুন।

A.
B.
C.
D.
Explanation: বাংলাদেশের দ্রুত নগরায়ন আমাদের শহরগুলোর পরিবেশ এবং জীবনযাত্রার ধরণে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। এই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো খেলার মাঠের স্বল্পতা, যা শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। মতামত: 1. শারীরিক বিকাশ: খেলার মাঠের অভাব শিশুদের শারীরিক ক্রিয়া-কর্মের সুযোগ কমিয়ে দিচ্ছে, যার ফলে তাদের শারীরিক সুস্থতা এবং স্বাস্থ্যহানি ঘটছে। পর্যাপ্ত মাঠ ও খেলার সুযোগ না থাকলে শিশুদের শরীরের প্রয়োজনীয় ব্যায়াম ও খেলাধুলা কমে যায়, যা তাদের শারীরিকভাবে অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় নিয়ে যেতে পারে। 2. মানসিক বিকাশ: খেলার মাঠের অভাবে শিশু-কিশোররা মানসিকভাবে চাপ অনুভব করতে পারে। খেলাধুলার মাধ্যমে তারা সামাজিক দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা এবং মানসিক স্থিতিশীলতা অর্জন করে। খেলার সুযোগ না থাকলে এই মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয়। করণীয়: 1. নগর পরিকল্পনা ও নীতি গ্রহণ: সরকার এবং স্থানীয় প্রশাসনকে নগর পরিকল্পনায় খেলার মাঠ এবং ওপেন স্পেসের গুরুত্ব অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। নতুন আবাসিক প্রকল্প এবং শিল্পাঞ্চলে একটি নির্দিষ্ট অংশ খেলাধুলার জন্য সংরক্ষিত রাখা উচিত। 2. সাব-ইউরবানাইজেশন: শহরের বাইরে নতুন শহর বা স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার মাধ্যমে শহরের জনঘনত্ব কমানো যেতে পারে। এতে শহরগুলোর ওপর চাপ কমে এবং খেলাধুলার জন্য জায়গা পাওয়া সহজ হয়। 3. পাবলিক পার্ক এবং স্পোর্টস কমপ্লেক্স: স্থানীয় পর্যায়ে পাবলিক পার্ক, স্পোর্টস কমপ্লেক্স এবং খেলার মাঠ নির্মাণের জন্য সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত। এটি শিশু-কিশোরদের জন্য একটি সঠিক ও নিরাপদ খেলাধুলার পরিবেশ নিশ্চিত করবে। 4. সম্প্রদায়িক উদ্যোগ: স্থানীয় সম্প্রদায় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করা উচিত। স্কুল ও কলেজগুলোর সীমানা ভেতর খেলাধুলার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি, সম্প্রদায়ের মধ্যেও মাঠ ও খেলার জায়গার উন্নয়ন করতে হবে। 5. স্বেচ্ছাসেবক প্রকল্প: স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও এনজিওগুলোর মাধ্যমে খেলার মাঠের সংস্কার, উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি এবং সচেতন করা সম্ভব। এই পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে আমরা শহরগুলোর উন্নয়নের সাথে সাথে শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করতে পারব।