টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

একটি ধাতুর ওপর সবুজ আলো আপতিত হলে ফটোইলেক্ট্রন নির্গত হয়। নিচের কোন বর্ণের আলো আপতিত হলে ঐ তল থেকে অবশ্যই ফটোইলেক্ট্রন নির্গত হবে?

A. লাল
B. হলুদ
C. নীল
D. কমলা
সঠিক উত্তরঃ C. নীল
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ফটোইলেকট্রিক প্রভাবের ক্ষেত্রে, একটি ধাতুর ওপর আলো আপতিত হলে যদি আলো যথেষ্ট শক্তি ধারণ করে, তাহলে এটি ধাতুর ইলেকট্রনকে ছিঁড়ে ফেলতে পারে। এ জন্য আলোটির তরঙ্গদৈর্ঘ্য বা ফ্রিকোয়েন্সি গুরুত্বপূর্ণ। সবুজ আলোতে তরঙ্গদৈর্ঘ্য একটি নির্দিষ্ট মানের কাছাকাছি থাকে যা ইলেকট্রনকে মুক্ত করতে যথেষ্ট শক্তি প্রদান করে। অপশন বিশ্লেষণ: A. লাল: ভুল, লাল আলোতে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি, যার কারণে এটি ফটোইলেকট্রন নির্গত করতে সক্ষম নয়। B. হলুদ: ভুল, হলুদ আলোতে শক্তি কিছুটা কম, তাই এটি সব সময় ফটোইলেকট্রন নির্গত করতে পারে না। C. নীল: সঠিক, নীল আলোতে তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছোট এবং শক্তি বেশি, তাই এটি ফটোইলেকট্রন নির্গত করতে পারে। D. কমলা: ভুল, কমলা আলো নীলের চেয়ে কম শক্তি প্রদান করে এবং ফটোইলেকট্রন নির্গত করতে সক্ষম নয়। নোট: ফটোইলেকট্রিক প্রভাবের জন্য আলোটির তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং শক্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এবং এখানে নীল আলোই সঠিক উত্তর।
Another Explanation (5): ```html

ফটোইলেকট্রন নিঃসরণ: আলোর বর্ণের প্রভাব 💡

আলোর একটি বিশেষ ধর্ম হলো এটি কণা এবং তরঙ্গ উভয় রূপেই আচরণ করতে পারে। যখন কোনো ধাতব পৃষ্ঠের উপর আলো আপতিত হয়, তখন যদি আলোর শক্তি ধাতুর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ কার্যাবলী (work function) থেকে বেশি হয়, তবে ঐ ধাতু থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়। এই ঘটনাকে ফটোইলেকট্রন নিঃসরণ বলে। ⚡

আলোর বর্ণ এবং শক্তি 🌈

আলোর বিভিন্ন বর্ণের বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং কম্পাঙ্ক রয়েছে। এদের মধ্যে সম্পর্ক হলো:

  • E = hν (E = শক্তি, h = প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক, ν = কম্পাঙ্ক)
  • c = λν (c = আলোর বেগ, λ = তরঙ্গদৈর্ঘ্য, ν = কম্পাঙ্ক)

সুতরাং, কম্পাঙ্ক যত বেশি, আলোর শক্তিও তত বেশি। আবার, তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, আলোর শক্তি তত বেশি।

বর্ণের তালিকা (কম্পাঙ্ক অনুসারে) 📊

বর্ণ আপেক্ষিক কম্পাঙ্ক ফটোইলেকট্রন নিঃসরণের সম্ভাবনা
লাল 🔴 কম কম (সবুজ আলো থেকে কম শক্তি) ❌
কমলা 🟠 কম কম (সবুজ আলো থেকে কম শক্তি) ❌
হলুদ 🟡 মাঝারি কম (সবুজ আলো থেকে কম শক্তি) ❌
সবুজ 🟢 মাঝারি ফটোইলেকট্রন নির্গত হয় ✅
নীল 🔵 বেশি অবশ্যই নির্গত হবে ✅✅
বেগুনী 🟣 অনেক বেশি অবশ্যই নির্গত হবে ✅✅✅

ব্যাখ্যা 🤔

প্রশ্নে বলা হয়েছে, সবুজ আলো আপতিত হলে ফটোইলেকট্রন নির্গত হয়। এর মানে হলো, সবুজ আলোর শক্তি ধাতুর কার্য অপেক্ষকের (work function) সমান বা তার থেকে বেশি। যেহেতু নীল আলোর কম্পাঙ্ক সবুজ আলো থেকে বেশি, তাই নীল আলোর শক্তি সবুজ আলো থেকে বেশি হবে। সুতরাং, নীল আলো আপতিত হলে অবশ্যই ফটোইলেকট্রন নির্গত হবে।💡

অন্যান্য বর্ণের ক্ষেত্রে:

  • লাল, কমলা, হলুদ: এই বর্ণগুলোর কম্পাঙ্ক সবুজ আলো থেকে কম। তাই, এই আলো আপতিত হলে ফটোইলেকট???রন নাও নির্গত হতে পারে। ⛔
  • বেগুনী: এই বর্ণের আলো নীল আলোর চেয়েও বেশি শক্তিশালী। তাই এটি আপতিত হলে অবশ্যই ফটোইলেকট্রন নির্গত হবে। 👍

ফটোইলেকট্রন নিঃসরণের শর্ত 🔑

  1. আলোর কম্পাঙ্ক একটি নির্দিষ্ট মান (সূচনা কম্পাঙ্ক) থেকে বেশি হতে হবে।
  2. আপতিত আলোর তীব্রতা বেশি হলে নির্গত ইলেকট্রনের সংখ্যা বাড়বে, কিন্তু ইলেকট্রনের গতিশক্তি বাড়বে না।
  3. আলো আপতিত হওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ইলেকট্রন নির্গত হয় (10-9 সেকেন্ডের মধ্যে)।

আশা করি, ফটোইলেকট্রন নিঃসরণের বিষয়টি এখন পরিষ্কার। 😃


আরো জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া 📚

```