টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

প্রতিটি এন্টিবডি হল-

A. ইমিউনোগ্লোবিউলিন 
B. ভ্যাক্সিন
C. এন্টিবায়োটিক
D. কেমোটোক্সিন
সঠিক উত্তরঃ A. ইমিউনোগ্লোবিউলিন 
Explanation:

Another Explanation (5):

প্রতিটি অ্যান্টিবডি: ইমিউনোগ্লোবিউলিন

প্রতিটি অ্যান্টিবডি মূলত ইমিউনোগ্লোবিউলিন (Immunoglobulin) নামক প্রোটিন। এটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেমের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। অ্যান্টিবডিগুলো বহিরাগত ক্ষতিকর পদার্থ, যেমন - ব্যাকটেরিয়া 🦠, ভাইরাস 👾, ছত্রাক 🍄 এবং অন্যান্য টক্সিনকে বিষাক্ততাহীন করে শরীরকে রক্ষা করে।

ইমিউনোগ্লোবিউলিনের গঠন

ইমিউনোগ্লোবিউলিনের গঠন বেশ জটিল। এটি চারটি পলিপেপটাইড চেইন দিয়ে গঠিত:

  • দুটি "ভারী চেইন" (Heavy Chain): এই চেইনগুলো অ্যান্টিবডির প্রকার নির্ধারণ করে (যেমন: IgG, IgM, IgA, IgE, IgD)।
  • দুটি "হালকা চেইন" (Light Chain): এই চেইনগুলো Kappa (κ) অথবা Lambda (λ) হতে পারে।

এই চেইনগুলো ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি Y-আকৃতির গঠন তৈরি করে।

Antibody Structure

চিত্র: অ্যান্টিবডির গঠন

অ্যান্টিবডির প্রকারভেদ

মানুষের শরীরে পাঁচ ধরনের ইমিউনোগ্লোবিউলিন পাওয়া যায়:

  1. IgG: এটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে এবং দীর্ঘস্থায়ী ইমিউনিটি প্রদান করে। 🛡️
  2. IgM: এটি প্রথম অ্যান্টিবডি যা সংক্রমণের শুরুতে তৈরি হয়। 🚨
  3. IgA: এটি শ্লেষ্মা ঝিল্লি (mucous membranes) এবং লালা, অশ্রু ও মায়ের দুধে পাওয়া যায় এবং বহিরাগত প্যাথোজেন থেকে রক্ষা করে। 🥛
  4. IgE: এটি অ্যালার্জি এবং পরজীবী সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। 🤧
  5. IgD: এর কাজ এখনও সম্পূর্ণরূপে জানা যায়নি, তবে এটি বি কোষের সক্রিয়করণে সাহায্য করে। 🤔

অ্যান্টিবডির কাজ

অ্যান্টিবডিগুলো বিভিন্ন উপায়ে কাজ করে:

কার্যকারিতা বর্ণনা
нейтрализация (Neutralization) অ্যান্টিবডি প্যাথোজেনের সাথে আবদ্ধ হয়ে তার বিষাক্ততা কমিয়ে দেয়। 🚫
опсонизация (Opsonization) অ্যান্টিবডি প্যাথোজেনকে চিহ্নিত করে ফ্যাগোসাইট কোষের মাধ্যমে ধ্বংস করতে সাহায্য করে। 😋
комплемент активация (Complement Activation) অ্যান্টিবডি কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমকে সক্রিয় করে প্যাথোজেন ধ্বংস করে।💥

উপসংহার

পরিশেষে বলা যায়, প্রতিটি অ্যান্টিবডি হলো ইমিউনোগ্লোবিউলিন, যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার একটি অত্যাবশ্যকীয় অংশ। এটি বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে এবং বিভিন্ন উপায়ে আমাদের শরীরকে রক্ষা করে। 💪

Option A Explanation:
  • ইমিউনোগ্লোবিউলিন: এটি একটি প্রোটিন যা শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা উৎপন্ন হয়।
  • প্রধানত ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ও অন্যান্য পরজীবীর বিরুদ্ধে লড়াই করে।
  • এই প্রোটিনগুলো সাধারণত অ্যান্টিবডি নামেও পরিচিত।
  • শারীরিক দেহে বিভিন্ন ধরণের ইমিউনোগ্লোবিউলিন থাকে, যেমন IgG, IgA, IgM, IgE, ও IgD।
  • প্রতিটি ইমিউনোগ্লোবিউলিন নির্দিষ্ট ধরণের অণু বা অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • এটি বিভিন্ন রোগ নির্ণয়, প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation: ```html
  • ভ্যাক্সিন: ভ্যাক্সিন হলো এক ধরনের ঔষধ যা শরীরে রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। এটি সাধারণত জীবাণুর ক্ষুদ্র অংশ বা সম্পূর্ণ জীবাণুর দুর্বল বা মৃত রূপ দিয়ে তৈরি করা হয়। যখন কেউ ভ্যাক্সিন গ্রহণ করে, তখন তার শরীর রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে, ফলে ভবিষ্যতে যদি ওই রোগের জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে, তাহলে শরীর দ্রুত ও শক্তিশালীভাবে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়।
```
Option C Explanation:
  1. এন্টিবায়োটিক: এটি এমন ওষুধ বা পদার্থ যা জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিরোধ করে বা তাদের মারতে সক্ষম।
  2. প্রধানতঃ ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।
  3. অ্যান্টিবায়োটিকের উদাহরণসমূহ হলো পেনিসিলিন, ট্যাবুলিন, ডক্সিসাইক্লিন ইত্যাদি।
  4. এটি সাধারণতঃ অ্যান্টিবায়োটিকের ???াধ্যমে রোগের দ্রুত নিরাময় সম্ভব হয়।
  5. এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী করতে হবে, কারণ অতিরিক্ত বা ভুল ব্যবহারে ব্যাকটেরিয়ার প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে।
Option D Explanation:
  • কেমোটোক্সিন: এটি হলো রাসায়নিক পদার্থ যা মৃত বা জীবিত অণু, জীবাণু বা তাদের অংশকে ট্যাগ করে, যাতে শরীরের শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সহজে শনাক্ত ও আক্রমণ করতে পারে।
  • এটি সাধারণত ইমিউন সিস্টেমের মাধ্যমে রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
  • উদাহরণস্বরূপ, কিছু ভ্যাক্সিনে কেমোটোক্সিন ব্যবহৃত হয় রোগপ্রতিরোধে সহায়তা করার জন্য।