টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

জিহবা থেকে স্বাদের অনুভূতি গ্রহণ করে কোন স্নায়ু?

A. অকুলোমোটর স্নায়ু
B. গ্লসোফেরিঞ্জিয়াল স্নায়ু
C. অপটিক স্নায়ু
D. ট্রাইজেমিনাল স্নায়ু
সঠিক উত্তরঃ B. গ্লসোফেরিঞ্জিয়াল স্নায়ু
Explanation:

Another Explanation (5):

জিহ্বা থেকে স্বাদের অনুভূতি গ্রহণে গ্লসোফেরিঞ্জিয়াল স্নায়ুর ভূমিকা 👅

জিহ্বা আমাদের স্বাদ গ্রহণে সাহায্য করে, এটা তো সবাই জানে। কিন্তু এই স্বাদের অনুভূতি মস্তিষ্কে পৌঁছায় কীভাবে? এখানে গ্লসোফেরিঞ্জিয়াল স্নায়ুর (Glossopharyngeal Nerve) একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 🤔

গ্লসোফেরিঞ্জিয়াল স্নায়ু: একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ 🧠

  • এটি নবম ক্র্যানিয়াল নার্ভ (9th Cranial Nerve) নামেও পরিচিত।
  • এটি একটি মিশ্র স্নায়ু, অর্থাৎ এটি সংবেদী (Sensory) এবং মোটর (Motor) উভয় কাজ করে।
  • জিহ্বার পেছনের অংশের স্বাদগ্রন্থি থেকে স্বাদের অনুভূতি গ্রহণ করে।
  • এছাড়াও, এটি লালা নিঃসরণে এবং ঢোক গিলতে সাহায্য করে।

স্বাদ গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং গ্লসোফেরিঞ্জিয়াল স্নায়ু 😋

  1. আমরা যখন কোনো খাবার খাই, তখন খাবারের রাসায়নিক উপাদানগুলো জিহ্বার স্বাদগ্রন্থিগুলোকে উদ্দীপ্ত করে।
  2. এই স্বাদগ্রন্থিগুলো রিসেপ্টর (Receptor) কোষের মাধ্যমে একটি সংবেদী সংকেত তৈরি করে।
  3. গ্লসোফেরিঞ্জিয়াল স্নায়ু এই সংবেদী সংকেতগুলো গ্রহণ করে।
  4. এরপর, এই সংকেতগুলো মস্তিষ্কের স্বাদ অঞ্চলে (Gustatory Cortex) প্রেরণ করে।
  5. মস্তিষ্কের স্বাদ অঞ্চল তখন এই সংকেতগুলো বিশ্লেষণ করে এবং আমরা স্বাদ অনুভব করি। 🎉

গ্লসোফেরিঞ্জিয়াল স্নায়ুর কার্যাবলী 📊

কার্যকারিতা বর্ণনা
স্বাদ গ্রহণ জিহ্বার পেছনের এক তৃতীয়াংশ থেকে তিক্ত এবং টক স্বাদ গ্রহণ করে। 🍋
সংবেদী অনুভূতি জিহ্বা, টনসিল এবং গলবিলের (Pharynx) কিছু অংশ থেকে স্পর্শ, ব্যথা ও তাপের অনুভূতি গ্রহণ করে। 🔥
মোটর ফাংশন স্যালিভারি গ্রন্থি (Salivary Gland) থেকে লালা নিঃসরণে সাহায্য করে। 침 뱉다! 💦
ঢোক গেলা গলবিলের পেশী সঞ্চালনে সহায়তা করে, যা খাবার গিলতে সাহায্য করে। 🤤

গ্লসোফেরিঞ্জিয়াল স্নায়ুর সমস্যা 🤕

গ্লসোফেরিঞ্জিয়াল স্নায়ুতে কোনো সমস্যা হলে বিভিন্ন ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যেমন:

  • স্বাদ গ্রহণে সমস্যা হওয়া।
  • ঢোক গিলতে অসুবিধা হওয়া।
  • গলা ব্যথা।
  • কথা বলতে সমস্যা হওয়া।

যদি এরকম কোনো উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 🙏

আশা করি, গ্লসোফেরিঞ্জিয়াল স্নায়ু সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। 😊

Option A Explanation:
  • অকুলোমোটর স্নায়ু (Oculomotor nerve): এটি মূলত চোখের পেশী নিয়ন্ত্রণ করে এবং চোখের গতিবিধি, পাপিলা সংকোচন, এবং চোখের ভিতরের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রমে সহায়ক।
  • এই স্নায়ুটি স্বাদ গ্রহণের জন্য দায়ী নয়।
  • অকুলোমোটর স্নায়ু প্রধানত মাথার চোখের এলাকাতে কার্যকর এবং চোখের পেশী নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
  • গ্লসোফেরিঞ্জিয়াল স্নায়ু (Glossopharyngeal Nerve) হলো ষষ্ঠ প্রধান ক্র্যানিয়াল স্নায়ু।
  • এটি মূলতঃ মুখের পিছনের অংশের স্বাদ সংবেদনশীলতা প্রদান করে।
  • স্নায়ুটি স্বাদের অনুভূতি গ্রহণের পাশাপাশি গলা ও জিহবায় অন্যান্য সংবেদনশীলতা ও স্বাভাবিক কার্যকলাপে অংশ নেয়।
  • গ্লসোফেরিঞ্জিয়াল স্নায়ু ট্রাইজেমিনাল স্নায়ুর সঙ্গে মিলিত হয়ে স্বাদ ও সংবেদনশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • এটি স্বাদের অনুভূতি গ্রহণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্নায়ু হিসেবে বিবেচিত।
Option C Explanation:
  • অপটিক স্নায়ু (Optic Nerve): এটি মূলত দৃষ্টিসংক্রান্ত স্নায়ু, যা চোখের থেকে চোখের পেছনে থাকা অপটিক নেকড়ে দিয়ে মস্তিষ্কের জন্য ছবি পাঠায়।
  • এটি স্বাদের অনুভূতি বা জিহবার স্বাদ গ্রহণের সঙ্গে সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
  • অপটিক স্নায়ু শুধুমাত্র দৃষ্টিসংক্রান্ত তথ্য প্রেরণের জন্য দায়ী।
Option D Explanation:
  • নাম: ট্রাইজেমিনাল স্নায়ু (Trigeminal Nerve)
  • পদবী: ভি (V) ক্রেনিয়াল নার্ভ
  • প্রধান কার্যাবলী: মুখের ধরণা ও সংবেদনশীলতা প্রদান করে, যেমন চেহারা, দাঁত, জিহবা, জিহ্বার আশেপাশের এলাকা ইত্যাদি।
  • অংশ: তিনটি প্রধান শাখা রয়েছে:
    • অক্সিলো-ম্যাক্সিলারি শাখা (V1)
    • ম্যান্ডিবুলার শাখা (V2)
    • মাধ্যম শাখা (V3)
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত সংবেদনশীল স্নায়ু, তবে কিছু অংশে এটি মোটর কার্যক্রমও সম্পাদন করে, যেমন চিবানোর আন্দোলন।