লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ক্লিভেজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জাইগোটের বহুকোষী গোলকে রূপান্তরকে মরুলা বলা হয়। নিচে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
ক্লিভেজ হলো নিষিক্ত ডিম্বাণু বা জাইগোটের দ্রুত কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া। এক্ষেত্রে কোষের আকার বৃদ্ধি না পেয়ে কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। ক্লিভেজ সাধারণত মিয়োটিক বিভাজন (meiotic division) নয়, এটি মাইটোটিক বিভাজন (mitotic division)।
ক্লিভেজের ফলে সৃষ্ট ৮-১৬ কোষযুক্ত ভ্রূণকে মরুলা বলে। এই কোষগুলো ব্লাস্টোমিয়ার নামে পরিচিত। মরুলার গঠন অনেকটা ছোট আকারের মালবেরি ফলের মতো।
মরুলা পরবর্তীতে ব্লাস্টোসিস্টে পরিণত হয়। ব্লাস্টোসিস্ট হলো ভ্রূণের একটি বিশেষ পর্যায়, যেখানে একটি তরলপূর্ণ গহ্বর (ব্লাস্টোসিল) তৈরি হয় এবং কোষগুলো দুটি স্তরে সজ্জিত থাকে: ট্রফোব্লাস্ট ও অভ্যন্তরীণ কোষ ভর (inner cell mass)।
| প্রাণীর নাম | ক্লিভেজের ধরন | বিশেষ বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| মানুষ 🧑🤝🧑 | হলোব্লাস্টিক (সম্পূর্ণ) এবং রোটেশনাল | ব্লাস্টোসিস্ট ইমপ্লান্টেশনের জন্য প্রস্তুত হয়। |
| ব্যাঙ 🐸 | হলোব্লাস্টিক এবং রেডিয়াল | ডিমের কুসুমের পরিমাণের উপর নির্ভর করে। |
| পাখি 🐦 | মেরোব্লাস্টিক (আংশিক) | ডিমের কুসুমের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। |
আশা করি, এই আলোচনা থেকে ক্লিভেজ প্রক্রিয়ায় জাইগোটের বহুকোষী গোলকে রূপান্তর এবং মরুলা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। 📚