টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সংযোগে পানি গঠিত হওয়ার বন্ধনকে বলে- 

A. আয়নিক বন্ধন
B. সমযোজী বন্ধন
C. ধাতব বন্ধন 
D. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তরঃ B. সমযোজী বন্ধন
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সংযোগে পানি গঠন: সমযোজী বন্ধন 💧

হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন পরমাণু যখন একত্রিত হয়ে পানির অণু (H2O) গঠন করে, তখন তাদের মধ্যে একটি বিশেষ ধরনের রাসায়নিক বন্ধন তৈরি হয়। এই বন্ধনটি হলো সমযোজী বন্ধন (Covalent Bond)।

সমযোজী বন্ধন কী? 🤔

সমযোজী বন্ধন হলো দুটি পরমাণুর মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে গঠিত রাসায়নিক বন্ধন। এক্ষেত্রে, কোনো পরমাণু ইলেকট্রন দেয় না বা নেয় না, বরং উভয় পরমাণু তাদের যোজ্যতা স্তরের ইলেকট্রনগুলো একে অপরের সাথে শেয়ার করে।

পানির অণুতে সমযোজী বন্ধন 🤝

পানির অণুতে, একটি অক্সিজেন পরমাণু (O) দুটি হাইড্রোজেন পরমাণুর (H) সাথে ইলেকট্রন শেয়ার করে সমযোজী বন্ধন গঠন করে। অক্সিজেনের শেষ কক্ষে ৬টি ইলেকট্রন থাকে এবং হাইড্রোজেনের শেষ কক্ষে ১টি ইলেকট্রন থাকে। অক্সিজেন পরমাণু ২টি হাইড্রোজেনের সাথে ১টি করে ইলেকট্রন শেয়ার করে অষ্টক পূরণ করে এবং হাইড্রোজেন পরমাণুগুলোও ২টি ইলেকট্রন লাভ করে স্থিতিশীল হয়।

বন্ধন প্রক্রিয়াটি যেভাবে ঘটে: ⚛️

  1. অক্সিজেন পরমাণুর ইলেকট্রন কাঠামো: 1s2 2s2 2p4
  2. হাইড্রোজেন পরমাণুর ইলেকট্রন কাঠামো: 1s1
  3. অক্সিজেন পরমাণুর ২টি ইলেকট্রনের অভাব থাকে, যা ২টি হাইড্রোজেন পরমাণুর সাথে শেয়ারের মাধ্যমে পূরণ হয়।
  4. ফলে প্রতিটি হাইড্রোজেন পরমাণু অক্সিজেনের সাথে একটি করে ইলেকট্রন শেয়ার করে H-O-H বন্ধন তৈরি করে।

সমযোজী বন্ধনের বৈশিষ্ট্যসমূহ: ✨

  • ইলেকট্রন শেয়ারিং: পরমাণুগুলো ইলেকট্রন শেয়ার করে।
  • নির্দিষ্ট জ্যামিতি: সমযোজী বন্ধনের কারণে অণুর একটি নির্দিষ্ট জ্যামিতি থাকে (যেমন, পানির অণুর কৌণিক আকৃতি)।
  • দুর্বল আন্তঃআণবিক শক্তি: সাধারণত, সমযোজী যৌগগুলোর গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক কম হয়, কারণ এদের মধ্যে আন্তঃআণবিক শক্তি দুর্বল।

পানির অণুর গঠন: 💧

পানির অণুর গঠন কৌণিক (bent) আকৃতির। অক্সিজেন পরমাণুটি দুটি হাইড্রোজেন পরমাণুর সাথে যুক্ত থাকে এবং বন্ধন কোণ প্রায় 104.5° হয়। এই কৌণিক গঠনের কারণে পানির অণু পোলার (polar) হয়।

পোলার হওয়ার কারণ: ⚡

অক্সিজেনের তড়িৎ ঋণাত্মকতা (electronegativity) হাইড্রোজেনের চেয়ে বেশি। তাই অক্সিজেন পরমাণু শেয়ার করা ইলেকট্রনগুলোকে নিজের দিকে বেশি টানে। এর ফলে অক্সিজেনের উপর আংশিক ঋণাত্মক চার্জ (δ-) এবং হাইড্রোজেনগুলোর উপর আংশিক ধনাত্মক চার্জ (δ+) সৃষ্টি হয়।

পানির কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য: 🌊

বৈশিষ্ট্য কারণ
উচ্চ পৃষ্ঠটান পোলার অণুগুলোর মধ্যে শক্তিশালী আকর্ষণ বল।
উচ্চ তাপ ধারণ ক্ষমতা হাইড্রোজেন বন্ধন ভাঙতে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়।
জমে বরফ হলে আয়তন বাড়ে হাইড্রোজেন বন্ধনের কারণে ত্রিমাত্রিক জালিকা গঠন করে।

শেষ কথা: 🎉

সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমেই পানি গঠিত হয়, যা আমাদের জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পানির অসাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো এই বন্ধনের কারণেই সৃষ্টি হয়েছে।

আশা করি, বুঝতে পেরেছেন! 😊

```