টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ভেক্সিলারি এস্টিভেশন দেখা যায় কোন উদ্ভিদে ?

A.

Solanum tuberosum

B.

Pisum sativum

C.

Brassica napus

D.

Calotropis procera

সঠিক উত্তরঃ B.

Pisum sativum

Another Explanation (5): উত্তর: Pisum sativum (শাকসবজি বা মটরশুঁটির উদ্ভিদ) এ ভেক্সিলারি এস্টিভেশন দেখা যায়। ব্যাখ্যা:
  1. ভেক্সিলারি এস্টিভেশন: এটি মূলত পাতা বা শাখার উপর অবস্থিত ভেক্সিল বা রঙীন দাগ বা গঠন, যা উদ্ভিদের পাতা বা শাখাকে আকারে আলাদা করে দেখায়।
  2. পিসিয়াম সাটিভাম: এটি একটি লতানো উদ্ভিদ, যাকে সাধারণত শাকসবজি হিসেবে খাওয়া হয়। এর পাতা ও শাখায় ভেক্সিলারি এস্টিভেশন দেখা যায়, যা এর শৈল্পিক ও স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত।
  3. কারণ: এই ভেক্সিলারি এস্টিভেশন উদ্ভিদের পাতা বা শাখার আকার ও ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র গঠনকে দৃশ্যমান করে তোলে এবং এটি উদ্ভিদের স্বাভাবিক গঠন বা প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য।
Option A Explanation:
  1. ভেক্সিলারি এস্টিভেশন: ভেক্সিলারি এস্টিভেশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উদ্ভিদ তার মূল বা শিকড়ের সাহায্যে ভূমি থেকে জল ও পুষ্টি উপাদান সংগ্রহ করে, এবং এর মাধ্যমে তার বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়তা করে।
  2. Solanum tuberosum (আলু): এই উদ্ভিদে ভেক্সিলারি এস্টিভেশন দেখা যায় কারণ এটি মূল ও শিকড়ের মাধ্যমে ভূমি থেকে জল ও পুষ্টি শোষণ করে। আলুর শিকড় গভীরভাবে প্রবেশ করে মাটির নিচে, যেখানে পুষ্টি ও জল পাওয়া যায়।
  3. প্রধান বৈশিষ্ট্য: আলুর মূল ও শিকড় মাটির গভীরে প্রবেশ করে ভূমি থেকে উপাদান সংগ্রহ করে, যা তার বৃদ্ধি ও ফলন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  4. উপকারিতা: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে তার প্রয়োজনীয় উপাদান সংগ্রহ করে, যার ফলে এটি দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারে এবং উচ্চ ফলন দিতে পারে।
Option B Explanation:
  • অভ্যাস: পিঁয়াজ, রসুন, সরষে ইত্যাদি ক্রুসিফেরি গোত্রের অন্তর্গত নয়।
  • উৎপত্তি: Pisum sativum মূলত ফলিকুলা গোত্রের অন্তর্গত, যা মূলত ভুট্টা বা শাকসবজি হিসেবে পরিচিত।
  • বৈশিষ্ট্য: এই উদ্ভিদটি সাধারণত শাকসবজি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর বীজের নাম 'শিম' বা 'অলৌ'।
  • উৎপত্তিস্থল: এটি মূলত মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • উপযোগিতা: খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এবং এর পুষ্টিগুণ বেশ মূল্যবান।
Option C Explanation:
  • নাম: Brassica napus
  • পরিবার: Cruciferae (Brassicaceae)
  • সাধারণ ব্যবহার: সোনালী রঙের তেল উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত, যেমন রেপসিডি বা রেপসিডি তেল
  • উৎপত্তি: মূলত ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে চাষ হয়
  • অবস্থা: বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে চাষ হচ্ছে এবং বিলুপ্তপ্রায় নয়
  • বিশেষ উল্লেখ: কিছু ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট প্রভাবের কারণে এর প্রজাতি বা জাতের কিছু অংশ সংকটমুক্ত নয়, তবে সাধারণত এটি বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ নয় বলে বিবেচিত হয়
Option D Explanation:

Calotropis procera

  • প্রকার: মরুজ (মরুভূমি বা শুষ্ক ক্ষেত্রের উদ্ভিদ)
  • পরিচিতি: এটি একটি দ্রুত বৃদ্ধির ঘাসজাত উদ্ভিদ, যা সাধারণত শুষ্ক ও মরুভূমি এলাকায় দেখা যায়।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এর পাতা ও কাণ্ডে বিষাক্ত রস থাকে, যা প্রাকৃতিকভাবে সুরক্ষা প্রদান করে।
  • ব্যবহার: ঔষধি গুণাগুণে এটি ব্যবহৃত হয়, যেমন প্রদাহ নিরাময়, চর্মরোগে ও ঘা সারানোর জন্য।
  • উৎপত্তি: বিভিন্ন শুষ্ক ও অপ্রচুর জলপ্রাপ্য ভূখণ্ডে এটির বিস্তার খুব বেশি।