টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

'প্লাকয়েড' আঁইশ পাওয়া যায় কোন শ্রেণিভুক্ত প্রাণীতে?

A.

Actinopterygii

B.

Sarcopterygii

C.

Chondrichthyes 

D.

Amphibia

সঠিক উত্তরঃ C.

Chondrichthyes 

Explanation:

Another Explanation (5):

প্লাকয়েড আঁইশ: কনড্রিকথিস শ্রেণির বৈশিষ্ট্য 🦈

প্লাকয়েড আঁইশ মূলত কনড্রিকথিস (Chondrichthyes) শ্রেণিভুক্ত প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। এই শ্রেণীতে মূলত তরুণাস্থিযুক্ত মাছ, যেমন - হাঙর 🦈, শঙ্কর মাছ 🦪, করাত মাছ 🔪 ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। প্লাকয়েড আঁইশ এই মাছগুলোকে সুরক্ষা প্রদান করে এবং এদের চলনে সাহায্য করে।

প্লাকয়েড আঁইশের গঠন 🔬

  • প্লাকয়েড আঁইশ দেখতে ছোট দাঁতের মতো🦷।
  • এদের গঠন অনেকটা স্তন্যপায়ী প্রাণীদের দাঁতের মতোই।
  • প্লাকয়েড আঁইশের তিনটি প্রধান অংশ রয়েছে:
    1. বেসাল প্লেট (Basal plate)
    2. ডেন্টিন স্পাইন (Dentine spine)
    3. এলামেলয়েড শীথ (Enameloid sheath)
  • এগুলো ত্বককে ভেদ করে থাকে এবং পেছনের দিকে বাঁকানো থাকে।

প্লাকয়েড আঁইশের কাজ ⚙️

  1. সুরক্ষা: এটি মাছের ত্বককে আঘাত 🤕 ও ক্ষয় থেকে বাঁচায়।
  2. চলন: প্লাকয়েড আঁইশগুলো ছোট ছোট দাঁতের মতো হওয়ায় মাছকে দ্রুত সাঁতার কাটতে🏊‍♀️ সাহায্য করে, যা জলীয় ঘর্ষণ কমায়।
  3. শিকার ধরা: কিছু ক্ষেত্রে শিকার ধরতে🔪 ও আত্মরক্ষায়🛡️ কাজে লাগে।

কনড্রিকথিস শ্রেণিভুক্ত কিছু প্রাণীর উদাহরণ 🐠

সাধারণ নাম বৈজ্ঞানিক নাম আবাসস্থল 🌊
হাঙর 🦈 Selachimorpha সাগর ও মহাসাগর
শঙ্কর মাছ 🦪 Batoidea সাগরের তলদেশ
করাত মাছ 🔪 Pristidae উপকূলীয় অঞ্চল

অতিরিক্ত তথ্য💡

কনড্রিকথিস শ্রেণির মাছেরা সাধারণত শিকারি 🎯 হয়ে থাকে এবং এদের দেহে কঙ্কাল তরুণাস্থি দিয়ে গঠিত। এদের প্লাকয়েড আঁইশ বহিরাগত পরজীবী🦠 থেকেও রক্ষা করে।

আঁইশ গুলো V আকৃতির হয়ে থাকে✔️

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি প্লাকয়েড আঁইশ এবং কনড্রিকথিস শ্রেণি সম্পর্কে আপনার ধারণ??? স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে।😊

Option A Explanation:
  • অ্যাকটিনোপটারিজি (Actinopterygii): এই শ্রেণীটি মূলত পাখির মতো মাছ বা রেডিওফোরসের গোষ্ঠী, যা মূলত জলজ প্রাণী।
  • প্রাণীর গঠন: এই শ্রেণীর মাছের প্রধান্য বৈশিষ্ট্য হলো তাদের সরু, পাখির মতো প্রান্তবিশিষ্ট ফ্ল্যাপ বা পাখা (ফ্লিপার) যা মাছের চলাচলে সহায়ক।
  • প্রজনন: এই মাছের প্রজনন প্রায়ই স্পার্ম ও ডিমের মাধ্যমে হয়।
  • বৈচিত্র্য: অ্যাকটিনোপটারিজি খুবই বৈচিত্র্যপূর্ণ, এটি বিশ্বের জলজ জীববৈচিত্র্যের একটি বৃহৎ অংশ।
  • উদাহরণ: ক্যাটফিশ, শ্রিম্প, সীলফিশ ইত্যাদি এই শ্রেণীর মধ্যে পড়ে।
Option B Explanation:
  • সার্কোপটারিগি (Sarcopterygii): এটি একটি শ্রেণি যা মূলত লম্বা, পাখনাযুক্ত মাছগুলোকে বোঝায়।
  • এই শ্রেণির মাছগুলোর পাখনাগুলো মূলত লম্বা এবং স্নায়ুবিষয়কভাবে শক্তিশালী, যা ভবিষ্যতে টেরাপোড বা লেজযুক্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • সার্কোপটারিগি শ্রেণির মধ্যে প্রাচীন মাছ যেমন লোচ, সিলুরা ও রেকুইন অন্তর্ভুক্ত।
  • এই প্রাণীগুলোর শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য ফুসফুসের মতো অঙ্গের বিকাশ হয়, যা জল ও স্থলে জীবনযাত্রার জন্য উপযুক্ত।
  • সার্কোপটারিগির মধ্যে কিছু প্রজাতি সাঁতার কাটার জন্য পাখনাগুলির গঠন ও কার্যক্ষমতায় উন্নত।
Option C Explanation:
  • Chondrichthyes: এই ক্লাসের প্রাণীগুলি মূলত শার্ক, ইলিশ ও রেথার মতো জেলি-সামৃদ্ধ মাছের অন্তর্ভুক্ত।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য:
    • শরীরের কাঠামো: কার্টিলেজের মতো কঙ্কাল, হাড় নয়।
    • দাঁত: শক্তিশালী ও পরিবর্তনশীল, খাদ্যগ্রহণে সহায়ক।
    • চোখ ও চেহারা: সুচারু দৃষ্টি ও দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর জন্য বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
  • প্রজনন: প্রজনন প্রক্রিয়া অনেকটাই ভিন্ন, কিছু মাছ সরাসরি ডিম পাড়ে, আবার কিছু সরাসরি বাচ্চা জন্ম দেয়।
  • অন্য নাম: এই ক্লাসটি সাধারণত "কার্টিলেজিয়াস মাছ" বা "চন্দ্রিমুখ মাছ" হিসেবেও পরিচিত।
Option D Explanation:

অ্যামফিবিয়ারী (Amphibia) শ্রেণীর প্রাণীদের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • প্রাকৃতিক জীবনচক্র: অ্যামফিবিয়ারা সাধারণত জলজ ও স্থলে জীবিত হয়। তাদের জীবনচক্রে লার্ভা পর্যায় জলজ এবং পরিণত হলে স্থলে চলে আসে।
  • শরীরের গঠন: এদের শরীর সাধারণত আঠালো ও নমনীয়, সঙ্গে সূক্ষ্ম ত্বক থাকে যা জল শোষণে সহায়ক।
  • প্রজনন: অধিকাংশ অ্যামফিবিয়ারীর প্রজনন জলজ পরিবেশে হয় এবং ডিম জলজ পরিবেশে দেয়।
  • শ্বাসপ্রশ্বাস: তরুণ পর্যায়ে গ্যাস বিনিময় মূলত জলের মাধ্যমে হয়, আর পরিণত হলে ফুসফুসের মাধ্যমে শ্বাস নেয়।
  • উদাহরণ: গ্রোউন, স্লথ, সালামান্দার প্রভৃতি।