টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ভিটামিন A এবং D সমৃদ্ধ চর্বির উৎস কোনটি?

A. Compsogon
B. Spirogyra
C. Chlorella
D. Navicula
সঠিক উত্তরঃ D. Navicula
Explanation:

Another Explanation (5): ```html ভিটামিন এ ও ডি সমৃদ্ধ চর্বির উৎস: Navicula এর ব্যাখ্যা

ভিটামিন এ ও ডি সমৃদ্ধ চর্বির উৎস: Navicula এর একাডেমিক ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি ছিল ভিটামিন এ এবং ডি সমৃদ্ধ চর্বির উৎস কোনটি এবং উত্তরে "Navicula" উল্লেখ করা হয়েছে। এই উত্তরটির একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:

Navicula কি?

Navicula হলো ডায়াটম (diatom) নামক এক প্রকার শৈবাল। এরা একককোষী এবং এদের কোষ প্রাচীর সিলিকা দিয়ে গঠিত। Navicula সাধারণত মিষ্টি জল ও লোনা জলে পাওয়া যায়। এরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে এবং জলজ খাদ্য শৃঙ্খলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।🐟

ভিটামিন এ এবং ডি এর উৎস হিসেবে Navicula

Navicula সরাসরি ভিটামিন এ (Retinol) এবং ভিটামিন ডি (Calciferol)-এর উল্লেখযোগ্য উৎস নয়। ভিটামিন এ এবং ডি সাধারণত নিম্নলিখিত উৎসগুলোতে পাওয়া যায়:

  • ভিটামিন এ: ডিমের কুসুম 🍳, গাজর 🥕, মিষ্টি আলু, পালং শাক, কলিজা ইত্যাদি।
  • ভিটামিন ডি: মাছের তেল (যেমন কড লিভার অয়েল), ডিমের কুসুম 🥚, কিছু মাশরুম 🍄 এবং সূর্যের আলো।

তবে, Navicula বা অন্যান্য ডায়াটম খাদ্য শৃঙ্খলের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে ভিটামিন এ এবং ডি এর উৎস হতে পারে। ছোট মাছ বা জলজ প্রাণী ডায়াটম খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে এবং সেই মাছগুলো বড় মাছের খাদ্য হয়। এভাবে ভিটামিন এ এবং ডি একটি খাদ্যস্তর থেকে অন্য স্তরে পৌঁছাতে পারে। 🔄

সারণী: ভিটামিন এ ও ডি এর প্রধান উৎস

ভিটামিন প্রধান উৎস
ভিটামিন এ (Retinol) ডিমের কুসুম, গাজর, মিষ্টি আলু, পালং শাক, কলিজা
ভিটামিন ডি (Calciferol) মাছের তেল (কড লিভার অয়েল), ডিমের কুসুম, কিছু মাশরুম, সূর্যের আলো

উপসংহার

সরাসরিভাবে Navicula ভিটামিন এ এবং ডি এর প্রধান উৎস নয়। তবে খাদ্য শৃঙ্খলের অংশ হিসেবে এরা পরোক্ষভাবে এই ভিটামিনগুলোর যোগান দিতে পারে। ভিটামিন এ এবং ডি এর চাহিদা পূরণের জন্য ডিম, গাজর, মাছের তেল এবং অন্যান্য উপযুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত। ✅

```
Option A Explanation:

Compsogon

  • প্রকার: অ্যালগি (Algus)
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: সামুদ্রিক অ্যালগি, যা সমুদ্রের তলে পাওয়া যায়।
  • উৎপন্ন উপাদান:
    • ভিটামিন A: সমৃদ্ধ, যা দৃষ্টিশক্তি ও চামড়ার স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
    • ভিটামিন D: কিছু পরিমাণে উপস্থিত, যা হাড়ের শক্তি বজায় রাখতে সহায়ক।
  • ব্যবহার: পুষ্টি সম্পূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ভিটামিন A ও D এর উৎস হিসেবে।
  • উপকারিতা: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য সহ, রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।
Option B Explanation:

Spirogyra

  • স্পিরোইগ্রা একটি জলজ শৈবাল যা সাধারণত Freshwater পুকুর ও খালবিলের পানিতে দেখা যায়।
  • এটি বিচ্ছিন্ন ও লম্বা কোষের সমন্বয়ে গঠিত, যেখানে প্রতিটি কোষের কেন্দ্রস্থলে একটি গোলাকৃতি বা অর্ধগোলাকৃতি পার্শ্বকোষ থাকে।
  • স্পিরোইগ্রার কোষগুলো সাধারণত লাইন আকারে যুক্ত থাকে যা তার শৈলী বা শৈবালের গঠন তৈরি করে।
  • এটির শৈবাল প্রজননে কনজুগেশন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
  • কনজুগেশন প্রক্রিয়ায়, কোষের মধ্য দিয়ে একটি জলীয় সংকোচন বা সংযোগ সৃষ্টি হয়, যা দুই কোষের মধ্যে চালু হয়।
  • এটি একটি স্বতন্ত্র প্রজনন প্রক্রিয়া যেখানে দুটি কোষের মধ্যে একটি জলীয় সংযোগ স্থাপিত হয়, যার মাধ্যমে নিউক্লিয়াস ও অন্যান্য উপাদান স্থানান্তরিত হয়।
Option C Explanation:
  • Chlorella হল এক ধরনের একক কোষবিশিষ্ট সবুজ কণা অণুজীব যা ক্লোরোফিলের উপস্থিতির জন্য সবুজ রঙের হয়।
  • এটি জলজ পরিবেশে পাওয়া যায় এবং প্রাকৃতিকভাবে সূর্যালোকের সাহায্যে ফটোসিনথেসিস করে অর্গানিক যৌগ উৎপাদন করে।
  • চলোরা সাধারণত গবেষণায় ব্যবহৃত হয় কারণ এর সহজ জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া এবং দ্রুত বৃদ্ধির গুণাবলী রয়েছে।
  • এটি কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণের মাধ্যমে অক্সিজেন উৎপাদন করে, যা পরিবেশের জন্য উপকারী।
  • শিক্ষা ও গবেষণার জন্য বিভিন্ন জৈব রসায়নিক এবং বায়োইঞ্জিনিয়ারিং প্রজেক্টে ব্যবহার হয়।
Option D Explanation:
  • প্রজাতি: Navicula
  • প্রকার: ন্যাভিকুলা (Navicula) হল একটি ডায়োটমিক অ্যালগা, যা শৈবাল পরিবারের অন্তর্গত।
  • অবস্থান: জলজ পরিবেশে পাওয়া যায়, বিশেষ করে ঝরনা, নদী, এবং পুকুরের তলার তেলাচে।
  • অঙ্গসংস্থান: এর শৈলী একটি খড়ির মতো গঠনযুক্ত, যা মূলত সিলিকা দিয়ে তৈরি।
  • প্রাণবৈচিত্র্য: বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে বিভিন্ন রঙ এবং আকারের শৈলী দেখা যায়।
  • অণুজীবিক বৈশিষ্ট্য: অণুজীব হিসেবে ক্ষুদ্র, অপ্রচলিত অণুজীবের মধ্যে অন্যতম।