টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য কোনটি একান্ত প্রয়োজন? 

A. গ্লুকোজ 
B. মল্টোজ 
C. গ্যালাকটোজ 
D. ল্যাকটোজ 
সঠিক উত্তরঃ C. গ্যালাকটোজ 
Explanation:

মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য গ্যালাক্টোজ প্রয়োজন।

Another Explanation (5):

মস্তিষ্কের বিকাশে গ্যালাকটোজের ভূমিকা 🧠

মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশের জন্য অনেক পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন, যার মধ্যে গ্যালাকটোজ অন্যতম। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্করা যা মস্তিষ্কের বিভিন্ন কার্যাবলী স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক।

গ্যালাকটোজ কী? 🤔

  • গ্যালাকটোজ একটি মনোস্যাকারাইড বা সরল শর্করা।
  • এটি গ্লুকোজের সাথে যুক্ত হয়ে ল্যাকটোজ তৈরি করে, যা দুধের প্রধান শর্করা। 🥛
  • মানবদেহে গ্যালাকটোজ গ্লুকোজে রূপান্তরিত হতে পারে এবং শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। 💪

মস্তিষ্কের বিকাশে গ্যালাকটোজের গুরুত্ব 🌟

  1. সেরিব্রোসাইড গঠন: গ্যালাকটোজ সেরিব্রোসাইড নামক গুরুত্বপূর্ণ লিপিড তৈরিতে অংশ নেয়। সেরিব্রোসাইড মস্তিষ্কের কোষের ঝিল্লির (cell membrane) একটি অপরিহার্য উপাদান।
  2. স্নায়ু কোষের বৃদ্ধি: এটি নিউরনের (স্নায়ু কোষ) সঠিক বৃদ্ধি এবং বিকাশে সাহায্য করে। 🌱
  3. সিনাপটিক প্লাস্টিসিটি: গ্যালাকটোজ সিনাপটিক প্লাস্টিসিটি (synaptic plasticity) বাড়াতে সাহায্য করে, যা শেখা ও স্মৃতির জন্য জরুরি। 🧠✨
  4. মাইলিন শীথ গঠন: এটি মাইলিন শীথ (myelin sheath) তৈরিতে সাহায্য করে। মাইলিন শীথ হলো নিউরনের অ্যাক্সন (axon) এর চারপাশে থাকা একটি সুরক্ষামূলক স্তর, যা দ্রুত সংবেদী সংকেত (nerve signals) পরিবহনে সাহায্য করে। ⚡

গ্যালাকটোজের উৎস 🥛🥦🥕

উৎস বিবরণ
দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্য 🧀 দুধ, পনির, দই ইত্যাদি গ্যালাকটোজের প্রধান উৎস।
কিছু ফল ও সবজি 🍎 আপেল, গাজর, টমেটোতেও সামান্য পরিমাণে গ্যালাকটোজ পাওয়া যায়।
মধু 🍯 মধুতেও কিছু পরিমাণ গ্যালাকটোজ থাকে।

গ্যালাকটোজের অভাবজনিত সমস্যা ⚠️

গ্যালাকটোজের অভাব সাধারণত দেখা যায় না, তবে গ্যালাক্টোসেমিয়া (galactosemia) নামক একটি জন্মগত ত্রুটি থাকলে গ্যালাকটোজ বিপাকের সমস্যা হতে পারে। এর ফলে:

  • মস্তিষ্কের বিকাশ ব্যাহত হতে পারে। 🧠
  • শিখন ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
  • অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। 🤕

পরিশেষে, মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশের জন্য গ্যালাকটোজ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সুষম খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে এর চাহিদা পূরণ করা যায়। 👌

Option A Explanation:
  • প্রবেশের প্রক্রিয়া: গ্লুকোজ সাধারণত কোষঝিল্লি দিয়ে প্রবেশ করে মূলত সক্রিয় এবং অর্ধসক্রিয় পরিবহনের মাধ্যমে।
  • প্রধান পরিবহন পদ্ধতি: ফ্যাসিলিটেড ডিফিউজন (Facilitated Diffusion) দ্বারা গ্লুকোজ সহজে কোষের ভিতরে প্রবেশ করে।
  • প্রয়োজনীয়তা: শরীরের শক্তির জন্য গ্লুকোজ গুরুত্বপূর্ণ উৎস, তবে এটি সহজে অতিক্রম করতে পারে না কারণ এটি জলদ্রবী এবং বড় আকারের পণ্য।
  • কোষঝিল্লির সীমাবদ্ধতা: কোষঝিল্লি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবহন নিশ্চিত করে, তাই গ্লুকোজের মতো বড় বা জলদ্রবী molecules এর জন্য বিশেষ পরিবহন প্রোটিনের প্রয়োজন হয়।
Option B Explanation:
  • প্রকার: ডিস্যাক??যারাইড
  • গঠন: গ্লুকোজ ও ফ্রুকোজের গ্লাইসোসাইড বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত
  • উৎপত্তি: প্রাকৃতিকভাবে ফুলকপি, দুধ এবং ফলের মধ্যে পাওয়া যায়
  • ব্যবহার: খাদ্যশস্য ও ফলের মিষ্টি স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়
  • অন্য নাম: মাল্টোস্ক, মাল্টোজ
Option C Explanation:
  • গ্যালাকটোজ হলো একটি পঞ্চআসিডযুক্ত মনোস্যাকারাইড (Simple Sugar) বা এক ধরনের শর্করা।
  • এটি সাধারণত দুধে পাওয়া যায় এবং দই, দুধের উপাদান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
  • গ্যালাকটোজের রাসায়নিক গঠন গ্লুকোজের মতো, তবে এর জোড়া কার্বন অণুর মধ্যে আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
  • প্রধানত এটি খাদ্যশস্য ও দুধজাত পণ্যসমূহে পাওয়া যায় এবং শরীরের পুষ্টির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • বৈজ্ঞানিক নাম: গ্যালাকটোজ।
Option D Explanation:

ল্যাকটোজ সম্পর্কে তথ্য

  • প্রকার: প্রাকৃতিক চিনি (অ্যাথেল্যাক্টোজ) যা দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যগুলোতে পাওয়া যায়।
  • উৎপত্তি: ল্যাকটোজ মূলত ল্যাকটেজ এনজাইম দ্বারা দুধে গ্লুকোজ ও গ্যালাকটোজে ভাঙা হয়।
  • উপকারী দিক: শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য গ্লুকোজের অন্যতম উৎস হিসেবে কাজ করে। গ্লুকোজ মস্তিষ্কের প্রাথমিক শক্তির উৎস, যা নিউরনগুলির কার্যক্রমে সহায়ক।
  • উপকারিতা: দুধে উপস্থিত ল্যাকটোজ শরীরের জন্য সহজে হজম হয় এবং দুধের উপকারী উপাদান গ্রহণে সহায়তা করে।
  • সতর্কতা: ল্যাকটোজ হজমে সমস্যা থাকলে (ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা), তখন এর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।