টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন রোগটি টক্সোয়েড ভ্যাকসিনের মাধ্যমে সরিয়ে তোলা সম্ভব?

A. টাইফয়েড
B. ডিপথেরিয়া
C. পোলিও
D. হেপাটাইটিস A
সঠিক উত্তরঃ B. ডিপথেরিয়া
Explanation: Option A: টাইফয়েড: Incorrect, typhoid is caused by bacteria and does not involve a toxoid vaccine. Option B: ডিপথেরিয়া: Correct, diphtheria is prevented using a toxoid vaccine, which is an inactivated toxin. Option C: পোলিও: Incorrect, polio is prevented by an inactivated virus vaccine, not a toxoid. Option D: হেপাটাইটিস A: Incorrect, hepatitis A is prevented by an inactivated virus vaccine, not a toxoid. Note: Toxoid vaccines protect against diseases caused by bacterial toxins, such as diphtheria.
Another Explanation (5):

টক্সয়েড ভ্যাকসিন এবং ডিপথেরিয়া নির্মূল 💉

টক্সয়েড ভ্যাকসিন ব্যবহারের মাধ্যমে যে রোগটি নির্মূল করা সম্ভব, তা হলো ডিপথেরিয়া। এটি একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা Corynebacterium diphtheriae নামক ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ছড়ায়। টক্সয়েড ভ্যাকসিন এই রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে।

ডিপথেরিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত 🦠

  • কারণ: Corynebacterium diphtheriae নামক ব্যাকটেরিয়া
  • সংক্রমণের পথ: হাঁচি, কাশি অথবা সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে
  • লক্ষণ:
    • গলা ব্যথা 😫
    • জ্বর 🤒
    • গলায় সাদা বা ধূসর রঙের ঝিল্লি 🤕
    • শ্বাস নিতে কষ্ট 😥
  • মারাত্মক জটিলতা: হৃদরোগ, স্নায়ুর ক্ষতি, কিডনি সমস্যা, এমনকি মৃত্যু 💀

টক্সয়েড ভ্যাকসিন 🛡️

টক্সয়েড ভ্যাকসিন হলো এক ধরনের নিষ্ক্রিয় টক্সিন (ব্যাকটেরিয়ার তৈরি বিষ), যা শরীরে প্রবেশ করালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। এটি অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সাহায্য করে, যা পরবর্তীতে ডিপথেরিয়ার আক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

টক্সয়েড ভ্যাকসিন কিভাবে কাজ করে? 🤔

  1. টক্সয়েড ভ্যাকসিন শরীরে প্রবেশ করানো হয়।
  2. শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা (ইমিউন সিস্টেম) এটিকে বহিরাগত পদার্থ হিসেবে চিহ্নিত করে।
  3. ইমিউন সিস্টেম অ্যান্টিবডি তৈরি করে।
  4. এই অ্যান্টিবডিগুলো পরবর্তীতে ডিপথেরিয়ার টক্সিনকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়।

ডিপথেরিয়া ভ্যাকসিনের সময়সূচি 📅

ভ্যাকসিনের নাম সময় মন্তব্য
ডিপিটি (DPT) ৬ সপ্তাহ, ১০ সপ্তাহ, ১৪ সপ্তাহ ডিপথেরিয়া, পারটুসিস (হুপিং কাশি) ও টিটেনাস এর সম্মিলিত ভ্যাকসিন
ডিপিটি বুস্টার ১৫-১৮ মাস শিশুকে রোগের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়
টিডি (Td) বুস্টার ৪-৬ বছর ডিপথেরিয়া ও টিটেনাস এর সম্মিলিত বুস্টার ডোজ

ডিপথেরিয়া নির্মূলে টক্সয়েড ভ্যাকসিনের ভূমিকা 🌍

  • টক্সয়েড ভ্যাকসিন ব্যবহারের ফলে বিশ্বব্যাপী ডিপথেরিয়ার প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
  • শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে এই রোগ থেকে রক্ষা করা সম্ভব।
  • ডিপথেরিয়া নির্মূলের জন্য টক্সয়েড ভ্যাকসিন একটি অপরিহার্য হাতিয়ার।

সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন! 😊

Option A Explanation:
  • টাইফয়েড ভ্যাক্সিন: এটি একটি জীবাণুর নিষ্ক্রিয় বা মৃত উপাদান থেকে তৈরি হয়।
  • উৎপন্ন পদ্ধতি: এই ভ্যাক্সিনটি Salmonella typhi জীবাণুর নিষ্ক্রিয় বা মৃত অংশ থেকে প্রস্তুত করা হয়, যা শরীরে প্রতিরোধক ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
  • প্রকার: এটি সাধারণত ইনঅ্যাকটিভ বা নিষ্ক্রিয় ভ্যাক্সিন হিসেবে পরিচিত, যা রোগের জীবাণুর ক্ষতিকর উপাদান থেকে তৈরি হয়।
  • ব্যবহার: টাইফয়েডের সংক্রমণ প্রতিরোধে এটি ???্যবহৃত হয় এবং এটি রোগের লক্ষণগুলো কমাতে সহায়ক।
Option B Explanation:
  • ডিপথেরিয়া ভ্যাক্সিন প্রোটিন ভিত্তিক ভ্যাক্সিন, যা ক্লোনিং বা প্রোটিন সংযোজনের মাধ্যমে তৈরি হয়।
  • এটি জীবাণুর নিষ্ক্রিয় বা মৃত অংশ থেকে নয়, বরং ডিপথেরিয়া টক্সয়েড (অর্থাৎ বিষাক্ত উপাদান) থেকে প্রস্তুত করা হয়।
  • সাধারণত, ডিপথেরিয়া টক্সয়েডের জন্য টক্সয়েড ভ্যাক্সিন বলে পরিচিত, যা রোগের জীবাণু নয়, বরং তার বিষাক্ত পদার্থের অপ্রাণিত বা নিষ্ক্রিয় অংশ।
  • এটি মানবদেহে অ্যান্টিবডি তৈরি করে, যা ডিপথেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • অতএব, ডিপথেরিয়া ভ্যাক্সিন জীবাণুর নিষ্ক্রিয় বিষাক্ত পদার্থ থেকে উৎপন্ন হয়।
Option C Explanation:
  • পোলিও: পোলিও বা পোলিওমাইলাইটিস হলো একটি সংক্রামক রোগ যা পোলিওভাইরাস দ্বারা হয়।
  • এটি সাধারণত প্রধানত শিশুদের মধ্যে ঘটে, তবে সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
  • রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকে মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জ্বর, ক্লান্তি এবং কিছু ক্ষেত্রে প্যারালাইসিস বা অক্ষমতা হয়ে থাকে।
  • বিশেষ করে, পোলিও ভাইরাসের কারণে পেরেক বা পা এর অস্থিরতা বা পক্ষাঘাত দেখা দিতে পারে, যা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যেতে পারে।
  • প্রতিরোধের জন্য মূল উপায় হলো পোলিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা (ইনজেকশন বা ওরাল ভ্যাকসিন)।
  • সাধারণত, সঠিক চিকিৎসা না থাকলেও, কিছু ক্ষেত্রে রোগের প্রভাব স্বাভাবিক হতে পারে, তবে কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অক্ষমতা হতে পারে।
Option D Explanation:

হেপাটাইটিস A

  • একটি সংক্রামক রোগ যা হেপাটাইটিস A ভাইরাস দ্বারা হয়।
  • এটি সাধারণত খাবার বা পানির মাধ্যমে ছড়ায় যেখানে ভাইরাসটি উপস্থিত থাকে।
  • হেপাটাইটিস A এর জন্য টিকাদান একটি কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা।
  • হেপাটাইটিস A টক্সোয়েড ভ্যাকসিনের মাধ্যমে প্রতিরোধযোগ্য, যা রোগের ঝুঁকি কমায়।
  • এই ভ্যাকসিনটি সাধারণত শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দেওয়া হয়, বিশেষ করে যেখানে এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি।