লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
ভূমিকম্পের সময় ভূগর্ভে উৎপন্ন হওয়া তরঙ্গ মূলত দুই ধরণের:
লম্বিক তরঙ্গ বা P-তরঙ্গ হলো এক প্রকার ভূকম্পীয় তরঙ্গ যা কঠিন, তরল এবং গ্যাসীয় মাধ্যমের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এই তরঙ্গের বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
|---|---|
| প্রকার | লম্বিক/অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ |
| মাধ্যম | কঠিন, তরল ও গ্যাস |
| গতি | S-তরঙ্গের চেয়ে দ্রুত |
| কম্পনের দিক | গতির অভিমুখে |
| সনাক্তকরণ | সিসমোগ্রাফে প্রথম আগমন |
S-তরঙ্গ বা সেকেন্ডারি ওয়েভ হল অন্য ধরনের ভূকম্পীয় তরঙ্গ। এর কিছু বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো:
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
|---|---|
| প্রকার | অনুপ্রস্থ তরঙ্গ |
| মাধ্যম | শুধুমাত্র কঠিন |
| গতি | P-তরঙ্গের চেয়ে ধীর |
| কম্পনের দিক | গতির দিকের লম্বভাবে |
| সনাক্তকরণ | সিসমোগ্রাফে দ্বিতীয় আগমন |
ভূমিকম্পের তরঙ্গগুলি পৃথিবীর অভ্যন্তরীন গঠন জানতে সহায়ক। S-তরঙ্গ তরল মাধ্যমে চলতে পারে না, তাই এর অনুপস্থিতি প্রমাণ করে যে পৃথিবীর বাইরের কোর তরল। P-তরঙ্গের গতিপথ এবং সময় থেকেও বিভিন্ন স্তরের ঘনত্ব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। 🌍➡️🔎
আশা করি এই আলোচনা থেকে ভূমিকম্পের তরঙ্গ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। 🙏