টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোন এনজাইম অম্লীয় পরিবেশে অধিক কার্যকরী? 

A.

ট্রিপসিন

B.

ইরেপসিন

C.

পেপসিন

D.

কাইমোট??রিপসিন

সঠিক উত্তরঃ C.

পেপসিন

Explanation:

Another Explanation (5):

পেপসিন এনজাইম এবং এর অম্লীয় পরিবেশে কার্যকারিতা : একটি ব্যাখ্যা 🧪

পেপসিন একটি প্রোটিয়েজ (protease) বা প্রোটিওলাইটিক (proteolytic) এনজাইম। এটি প্রোটিনকে ছোট পেপটাইড এবং অ্যামিনো অ্যাসিডে ভেঙে দিতে সাহায্য করে। পেপসিনের কার্যকলাপের জন্য অম্লীয় পরিবেশ অত্যাবশ্যক। নিচে এর কারণ এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য আলোচনা করা হলো:

পেপসিনের কার্যাবলী 🧬

  • পেপসিন প্রধানত পাকস্থলীতে (stomach) উৎপাদিত হয়।
  • এটি খাদ্য হজমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • পাকস্থলীর প্যারাইটাল কোষ (parietal cells) হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl) নিঃসরণ করে, যা পেপসিনের কার্যকারিতার জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।
  • পেপসিনোজেন (pepsinogen) নামক একটি নিষ্ক্রিয় প্রোএনজাইম (proenzyme) হিসেবে এটি প্রথম নিঃসৃত হয়।
  • হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের সংস্পর্শে এসে পেপসিনোজেন সক্রিয় পেপসিনে রূপান্তরিত হয়।

অম্লীয় পরিবেশে পেপসিনের কার্যকারিতার কারণ 🍋

  1. সক্রিয়করণ: পেপসিনোজেন একটি নিষ্ক্রিয় এনজাইম। অম্লীয় পরিবেশ (pH 1.5-2.5) পেপসিনোজেনকে সক্রিয় পেপসিনে রূপান্তরিত করে। হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড পেপসিনোজেনের গঠন পরিবর্তন করে এবং স্ব-অনুঘটনের (auto-catalytic) মাধ্যমে পেপসিন তৈরি হয়।
  2. অপটিমাম pH: পেপসিনের অপটিমাম pH হলো 2। এই pH-এ পেপসিন সবচেয়ে ভালোভাবে কাজ করে। pH এর মান এর থেকে বেশি হলে পেপসিনের কার্যকারিতা কমে যায়।
  3. প্রোটিনের ডিনেচারেশন: অম্লীয় পরিবেশ প্রোটিনের ডিনেচারেশন (denaturation) ঘটায়। ডিনেচারেশন হলো প্রোটিনের ত্রিমাত্রিক গঠন ভেঙে যাওয়া। এর ফলে পেপসিন সহজেই প্রোটিনের পেপটাইড বন্ডগুলোতে (peptide bonds) আক্রমণ করতে পারে।
  4. উৎসেচকের গঠন স্থিতিশীল রাখা: অম্লীয় পরিবেশ পেপসিনের গঠনকে স্থিতিশীল রাখে এবং এটিকে নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে।

পেপসিনের কার্যকারিতা এবং pH 📊

pH পেপসিনের কার্যকারিতা
1.5 - 2.5 সর্বোচ্চ 💯
3.0 - 4.0 কার্যকারিতা হ্রাস পায় 📉
5.0 - 6.0 কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায় 📉📉
6.5 এর উপরে নিষ্ক্রিয় 🚫

পেপসিনের গুরুত্ব 🌟

  • প্রোটিন হজমে সাহায্য করে। 💪
  • অ্যামিনো অ্যাসিডের শোষণ (absorption) বাড়ায়।
  • পরিপাকতন্ত্রের (digestive system) কার্যকারিতা স্বাভাবিক রাখে।

পরিশেষে, বলা যায় পেপসিন এনজাইমের কার্যকারিতার জন্য অম্লীয় পরিবেশ অপরিহার্য। এটি শুধুমাত্র এনজাইমটিকে সক্রিয় করে না, বরং প্রোটিনের ডিনেচারেশন এবং এনজাইমের গঠন স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 🤔

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি পেপসিন এনজাইমের অম্লীয় পরিবেশে কার্যকারিতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছে। 🙏

Option A Explanation:

ট্রিপসিন

  • প্রকার: প্রোটিনেজ এনজাইম
  • উৎপত্তি: প্যানক্রিয়াসে উৎপন্ন হয়
  • কাজ: প্রোটিনের ভাঙন ঘটায়, অর্থাৎ পেপটাইড বেঁধে থাকা আমিনো অ্যাসিডগুলোকে আলাদা করে
  • অবস্থান: প্রধানত লালাগ্রন্থি (প্যানক্রিয়াস)
  • উল্লেখ্য: এটি অ্যামাইনো অ্যাসিডের জন্য প্রোটিনের প্রথম ভাঙন ঘটায়, যা পরে অন্যান্য এনজাইম দ্বারা সম্পূর্ণ ভাঙন সম্ভব হয়
Option B Explanation:
  • অ্যামিনো অ্যাসিডের ক্ষরণ: ইরেপসিন মূলত অ্যামিনো অ্যাসিডের ক্ষরণে কার্যকর, যা প্রোটিনের গঠন ভেঙে দেয়।
  • অম্লীয় পরিবেশে কার্যকারিতা: ইরেপসিনের কার্যকারিতা অ্যাসিডিক পরিবেশে বৃদ্ধি পায়, কারণ এটি পেপটাইড বাঁধন ভেঙে দেয় সহজে।
  • অপচয় ও স্থায়িত্ব: এটি অম্লীয় পরিবেশে অধিক স্থায়ী এবং কার্যকরী হওয়ায়, পেপটাইডের ভাঙনের জন্য উপযুক্ত।
Option C Explanation:
  • পেপসিন: এটি একটি হজমের এনজাইম যা মুখ্যতঃ পেটের লালাগ্রন্থিতে (গ্যাস্ট্রিক গ্ল্যান্ডে) নিঃসৃত হয়।
  • এটি প্রোটিনের বিভাজন করে ছোট পেপটাইডে রূপান্তরিত করে।
  • পেপসিনের কার্যকারিতা শুরু হয় পেটের অম্লীয় পরিবেশে, যেখানে এটি প্রোটিনের গঠন ভেঙে ছোট অংশে রূপান্তর করে হজমে সাহায্য করে।
Option D Explanation: কাইমোট্রিপসিন (Chymotrypsin) হলো একটি প্রোটিয়াস অ্যাঞ্জাইম যা প্রধানত পেঁচানো বা ভেঙে দেয় প্রোটিনকে ছোট ছোট পেপটাইড ও অ্যামিনো অ্যাসিডে। এটি সাধারণত পাকস্থলী ও অদূরে স্নায়ু বা প্যাংক্রিয়াসে উৎপন্ন হয়। নিচে কাইমোট্রিপিনের বৈশিষ্ট্য ও ভূমিকা দেওয়া হলো:
  • প্রকার: প্রোটিয়াস অ্যাঞ্জাইম (প্রোটিন ভাঙ্গা অ্যাঞ্জাইম)
  • মূল কাজ: প্রোটিনের পেপটাইড বাঁধন ভেঙে ফেলা
  • উৎপত্তি স্থান: প্যাংক্রিয়াস থেকে নিঃসৃত হয়
  • ব্যবহার: খাদ্য পরিপাক প্রক্রিয়ায় সহায়ক
  • অন্য নাম: কাইমোট্রিপসিনজেন (প্রাথমিক আকার), যা পাকস্থলীতে অ্যামাইনো অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়