টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

প্লাজমা মেমব্রেন হলো----

A. ভেদ্য
B. অর্ধ ভেদ্য
C. বৈষম্য ভেদ্য
D. অভেদ্য
E. পানি ভেদ্য
সঠিক উত্তরঃ C. বৈষম্য ভেদ্য
Explanation:

Another Explanation (5):

প্লাজমা মেমব্রেন: একটি বৈষম্য ভেদ্য পর্দা 🧐

প্লাজমা মেমব্রেন, যা কোষ পর্দা নামেও পরিচিত, প্রতিটি জীবন্ত কোষের বাইরের সীমানা তৈরি করে। এটি কোষের ভেতরের পরিবেশকে বাইরের পরিবেশ থেকে আলাদা রাখে। এর প্রধান কাজ হলো কোষের ভেতরে এবং বাইরে বিভিন্ন পদার্থের পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করা। তাই, একে বৈষম্য ভেদ্য (Selectively Permeable) বলা হয়।

বৈষম্য ভেদ্যতার কারণ 🤔

প্লাজমা মেমব্রেনের বৈষম্য ভেদ্য হওয়ার কারণ মূলত এর গঠন। এটি লিপিড, প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেট দিয়ে গঠিত।

গঠন উপাদান এবং তাদের ভূমিকা 🧱

  • লিপিড (ফসফোলিপিড বাইলেয়ার): এটি দ্বিস্তরী কাঠামো তৈরি করে যা ছোট, অ-মেরু (nonpolar) অণুগুলোকে সহজেই অতিক্রম করতে দেয়, কিন্তু বড় বা মেরু (polar) অণুগুলোর জন্য বাধা সৃষ্টি করে।
  • প্রোটিন: প্রোটিনগুলো বিভিন্ন ধরনের কাজ করে। কিছু প্রোটিন চ্যানেল বা বাহক হিসেবে কাজ করে নির্দিষ্ট অণুগুলোকে কোষের ভেতরে বা বাইরে যেতে সাহায্য করে। এদের কারণে আয়ন, গ্লুকোজ, অ্যামিনো অ্যাসিড ইত্যাদি কোষের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে।
  • কার্বোহাইড্রেট: এগুলো সাধারণত লিপিড বা প্রোটিনের সাথে যুক্ত থাকে এবং কোষের পারস্পরিক যোগাযোগে সাহায্য করে।

বৈষম্য ভেদ্যতার সুবিধা 🤩

প্লাজমা মেমব্রেনের বৈষম্য ভেদ্য হওয়ার কারণে কোষ তার প্রয়োজনীয় উপাদান গ্রহণ করতে পারে এবং ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দিতে পারে। এর কিছু সুবিধা নিচে উল্লেখ করা হলো:

  1. পুষ্টি গ্রহণ: কোষ প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান যেমন গ্লুকোজ, অ্যামিনো অ্যাসিড ইত্যাদি গ্রহণ করতে পারে।
  2. বর্জ্য নিষ্কাশন: কোষের বিপাকীয় প্রক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থ যেমন কার্বন ডাই অক্সাইড, ইউরিয়া ইত্যাদি কোষ থেকে বের করে দেওয়া যায়।
  3. আয়ন নিয়ন্ত্রণ: কোষের ভেতরে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি আয়নের সঠিক মাত্রা বজায় রাখা যায়, যা কোষের স্বাভাবিক কাজকর্মের জন্য জরুরি।
  4. pH এর ভারসাম্য: কোষের অভ্যন্তরের pH এর মাত্রা সঠিক রাখতে ??াহায্য করে।

বিভিন্ন প্রকার পরিবহন পদ্ধতি 🚚

পরিবহন পদ্ধতি বৈশিষ্ট্য উদাহরণ
passively transport (যেমন: ব্যাপন, অভিস্রবণ) শক্তি খরচ হয় না, ঘনত্বের gradient অনুযায়ী পদার্থ চলাচল করে। অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের আদান প্রদান
actively transport শক্তি খরচ হয়, ঘনত্বের gradient এর বিপরীতে পদার্থ চলাচল করে। সোডিয়াম-পটাশিয়াম পাম্প
facilitated diffusion প্রোটিনের মাধ্যমে ব্যাপন, এখানেও শক্তি খরচ হয় না। গ্লুকোজের পরিবহন
vesicular transport vesicle এর মাধ্যমে বড় আকারের অনু প্রবেশ করে। endocytosis & exocytosis

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 💡

  • প্লাজমা মেমব্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হলে কোষের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
  • বিভিন্ন রোগ যেমন ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ইত্যাদি প্লাজমা মেমব্রেনের অস্বাভাবিক কার্যকলাপের সাথে সম্পর্কিত।
  • নতুন ঔষধ তৈরির ক্ষেত্রে প্লাজমা মেমব্রেনের গঠন ও কাজ সম্পর্কে জ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ।

প্লাজমা মেমব্রেন কোষের জন্য অত্যাবশ্যকীয়। এর বৈষম্য ভেদ্য বৈশিষ্ট্য কোষকে সুরক্ষা দেয় এবং সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। 👍