লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
ব্যাখ্যা : নিষেকের আগেই অর্থাৎ পরাগযোগ ও নেষেক ছাড়া ডিম্বাশয়ে কৃত্রিম অক্সিন [IBA, IAA] প্রয়োগ করে বীজবিহীন এবং আয়তনে বড় ফল উত্পাদন করা হয় । এই পদ্ধতিকে পার্থেনোকার্পি বলে । এইসব ফলের মধ্যে পেঁপে, পেয়ারা, খেজুর, আঙ্গুর, টম্যাটো, কলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য ।
পার্থেনোকার্পি হলো নিষেক ছাড়াই ফল উৎপাদন প্রক্রিয়া। এর ফলে বীজবিহীন ফল তৈরি হয়। নিচে এর কারণ এবং বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
অক্সিন হলো প্রধান উদ্ভিদ হরমোন যা পার্থেনোকার্পিInitiate করে। এছাড়াও অন্যান্য হরমোনও এই প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে। নিচে কারণগুলো উল্লেখ করা হলো:
অক্সিন নিম্নলিখিত উপায়ে পার্থেনোকার্পিInitiate করে:
পার্থেনোকার্পি প্রধানত দুই প্রকার:
কিছু উল্লেখযোগ্য পার্থেনোকার্পিক ফল:
| ফলের নাম | বৈশিষ্ট্য | গুরুত্ব |
|---|---|---|
| কলা 🍌 | প্রাকৃতিকভাবে বীজবিহীন | খুব সহজেই চাষ করা যায় এবং বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। |
| আনারস 🍍 | কিছু ক্ষেত্রে বীজবিহীন হয় | চাষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। |
| পেঁপে 🥭 | কিছু হাইব্রিড বীজবিহীন হয় | বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। |
| কমলা 🍊 | কিছু জাতের কমলালেবু বীজবিহীন হয় | খুব সহজেই খাওয়া যায়। |
কৃষিক্ষেত্রে পার্থেনোকার্পির অনেক সুবিধা রয়েছে:
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: পার্থেনোকার্পি উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে না, কারণ এতে বীজ তৈরি হয় না। এটি মূলত ফল উৎপাদনের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া।
আশা করি, এই ব্যাখ্যা পার্থেনোকার্পি সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 👍