টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

পার্থোনোকার্পি এর কারণ কী?

A. ইথিলিন
B. অক্সিন
C. জিবেরেলিন
D. সাইটোকাইনিন
সঠিক উত্তরঃ B. অক্সিন
Explanation:

ব্যাখ্যা : নিষেকের আগেই অর্থাৎ পরাগযোগ ও নেষেক ছাড়া ডিম্বাশয়ে কৃত্রিম অক্সিন [IBA, IAA] প্রয়োগ করে বীজবিহীন এবং আয়তনে বড় ফল উত্পাদন করা হয় । এই পদ্ধতিকে পার্থেনোকার্পি  বলে । এইসব ফলের মধ্যে পেঁপে, পেয়ারা, খেজুর, আঙ্গুর, টম্যাটো, কলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য । 

Another Explanation (5):

পার্থেনোকার্পি: কারণ ও ব্যাখ্যা 🌿

পার্থেনোকার্পি হলো নিষেক ছাড়াই ফল উৎপাদন প্রক্রিয়া। এর ফলে বীজবিহীন ফল তৈরি হয়। নিচে এর কারণ এবং বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

পার্থেনোকার্পির মূল কারণ: অক্সিন 🧪

অক্সিন হলো প্রধান উদ্ভিদ হরমোন যা পার্থেনোকার্পিInitiate করে। এছাড়াও অন্যান্য হরমোনও এই প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে। নিচে কারণগুলো উল্লেখ করা হলো:

  • অক্সিন (Auxin): এটি ডিম্বাশয়ে ফল গঠনের সংকেত পাঠায়। অক্সিনের প্রভাবে ডিম্বাশয় ফলে রূপান্তরিত হয়।
  • জিব্বেরেলিন (Gibberellin): এই হরমোনটিও ফলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
  • সাইটোকিনিন (Cytokinin): কোষ বিভাজন এবং ফলের আকার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

অক্সিন কিভাবে কাজ করে? 🤔

অক্সিন নিম্নলিখিত উপায়ে পার্থেনোকার্পিInitiate করে:

  1. পরাগায়নের অভাব সত্ত্বেও ডিম্বাশয়কে উদ্দীপিত করে।
  2. ডিম্বাশয়ের কোষ বিভাজন শুরু করে এবং ফল গঠন প্রক্রিয়া চালু করে।
  3. বীজ তৈরি না হলেও ফলের বৃদ্ধি স্বাভাবিক রাখে।

পার্থেনোকার্পির প্রকারভেদ 🍇🍉🍌

পার্থেনোকার্পি প্রধানত দুই প্রকার:

  1. ভেজিটেটিভ পার্থেনোকার্পি (Vegetative Parthenocarpy): এক্ষেত্রে ফল প্রাকৃতিকভাবেই বীজবিহীন হয়, কোনো প্রকার উদ্দীপকের প্রয়োজন হয় না।
  2. স্টিমুলেটিভ পার্থেনোকার্পি (Stimulative Parthenocarpy): এক্ষেত্রে পরাগায়ন বা অন্য কোনো উদ্দীপকের মাধ্যমে ফল উৎপাদন হয়। যদিও নিষেক ঘটে না।

বিভিন্ন ফলের উদাহরণ 🍎

কিছু উল্লেখযোগ্য পার্থেনোকার্পিক ফল:

ফলের নাম বৈশিষ্ট্য গুরুত্ব
কলা 🍌 প্রাকৃতিকভাবে বীজবিহীন খুব সহজেই চাষ করা যায় এবং বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
আনারস 🍍 কিছু ক্ষেত্রে বীজবিহীন হয় চাষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
পেঁপে 🥭 কিছু হাইব্রিড বীজবিহীন হয় বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
কমলা 🍊 কিছু জাতের কমলালেবু বীজবিহীন হয় খুব সহজেই খাওয়া যায়।

কৃষিতে পার্থেনোকার্পির ব্যবহার 🚜

কৃষিক্ষেত্রে পার্থেনোকার্পির অনেক সুবিধা রয়েছে:

  • বীজবিহীন ফল উৎপাদন করা যায়।
  • ফলের গুণগত মান উন্নত হয়।
  • ফলন বৃদ্ধি পায়।
  • নতুন জাতের ফল উৎপাদনে সাহায্য করে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: পার্থেনোকার্পি উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে না, কারণ এতে বীজ তৈরি হয় না। এটি মূলত ফল উৎপাদনের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া।

আশা করি, এই ব্যাখ্যা পার্থেনোকার্পি সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 👍

Option A Explanation:
  • ইথিলিন (Ethelene বা Ethylene): এটি একটি গ্যাসীয় উদ্দীপক পদার্থ, যা প্লান্টের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে নিসৃত হয়।
  • মূল কাজ: এটি ফসলের বৃদ্ধির প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন ফলের পাকাকরণ, ঝোপঝাড়ের জন্য, এবং পাতা ঝরে পড়ার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
  • ফটোপিরিয়ডিক ইনডাকশনে ভূমিকা: ইথিলিন সূর্যের আলো বা অন্য পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে উৎপন্ন হয় এবং এর মাধ্যমে ফলের পাকাকরণ বা অন্যান্য উত্তেজক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
  • প্রভাব: এটি শাকসবজি ও ফলের মান বাড়াতে সাহায্য করে এবং কৃষি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন প্রক্রিয়ায়।
Option B Explanation:
  • অক্সিন: এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন যা প্রজনন প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে।
  • উৎপন্ন হয় মূলত হিউমেন পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে।
  • প্রসূতিতে এটি জরায়ু পেশী সংকোচন বৃদ্ধিতে সহায়ক, যা প্রসবের সময় শিশুর জন্ম সহজ করে তোলে।
  • এছাড়াও, এটি স্তনের দুধ ঝরানোর প্রক্রিয়াতেও সহায়ক।
  • অক্সিনের দ্বারা প্রসবের সময় জরায়ুর পেশী সংকোচনের নিয়ন্ত্রণ হয়, ফলে প্রসবের প্রক্রিয়া সহজ হয়।
Option C Explanation:
  • জিবেরেলিন (Gibberellin): এটি একটি প্লান্ট হরমোন যা উদ্ভিদের বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে।
  • বৃদ্ধি প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করে, যেমন শাখা ও কলার বৃদ্ধি।
  • উদ্ভিদের পাতা ও ফল ঝরে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে প্রতিহত করে বা দেরি করে।
  • অন্য হরমোনের মতো, এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option D Explanation:
  • সাইটোকাইনিন: সাইটোকাইনিন হলো এক ধরণের উদ্দীপক পদার্থ যা উদ্ভিদে কোষ বিভাজন (cell division) ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • এটি প্রধানত উদ্ভিদে কোষের বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য দায়ী এবং উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গের বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করে।
  • সাইটোকাইনিনের উপস্থিতিতে উদ্ভিদের পাতা ও ডালের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয় এবং খোসার রূপান্তরেও সহায়তা করে।
  • এটি সাধারণত উদ্ভিদে অন্যান্য হরমোন যেমন অক্সিনের সাথে সমন্বয় করে কাজ করে এবং উদ্ভিদের বিকাশের বিভিন্ন প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে।