লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
অবস্থান্তর মৌলসমূহ পর্যায় সারণীর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এদের বৈশিষ্ট্য এবং অবস্থান রসায়ন বিজ্ঞানকে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছে। নিচে এই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
যে সকল মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসে d-অরবিটাল আংশিকভাবে পূর্ণ থাকে, তাদেরকে অবস্থান্তর মৌল বলা হয়। IUPAC এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, একটি মৌল তখনই অবস্থান্তর মৌল হবে যদি এর d-অরবিটাল অপূর্ণ থাকে অথবা সাধারণ অবস্থায় ক্যাটায়নের d-অরবিটাল অপূর্ণ থাকে।
অবস্থান্তর মৌলগুলো পর্যায় সারণীর ৩ থেকে ১২ নম্বর গ্রুপে অবস্থিত। এরা s-ব্লক এবং p-ব্লকের মাঝে অবস্থান করে। এই মৌলগুলো সাধারণত "d-ব্লকের মৌল" নামে পরিচিত, কারণ এদের সর্বশেষ ইলেকট্রনটি d-অরবিটালে প্রবেশ করে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান্তর মৌলের উদাহরণ:
অবস্থান্তর মৌলগুলোর বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার রয়েছে। নিচে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যবহার উল্লেখ করা হলো:
| মৌল | ব্যবহার |
|---|---|
| আয়রন (Fe) | ইস্পাত তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যা বিভিন্ন নির্মাণ কাজে লাগে। |
| কপার (Cu) | বৈদ্যুতিক তার এবং পাইপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। |
| টাইটানিয়াম (Ti) | উড়োজাহাজ এবং মহাকাশযান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। |
| প্ল্যাটিনাম (Pt) | অনুঘটক হিসেবে এবং গয়না তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। |
পরিশেষে, অবস্থান্তর মৌলসমূহ রসায়ন এবং শিল্পক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য এবং বহুমুখী ব্যবহার এদেরকে অন্যান্য মৌল থেকে আলাদা করেছে।
আরও জানতে চোখ রাখুন! 📖
ধন্যবাদ! 🙏