টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোনটিকে সবুজ প্রাণী বলা হয়?

A. অ্যমিবা
B. আরশোলা
C. ইউগ্লেনা
D. কেঁচো
সঠিক উত্তরঃ C. ইউগ্লেনা
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

ইউগ্লেনাকে কেন সবুজ প্রাণী বলা হয়? 🌿🔬

ইউগ্লেনা (Euglena) একটি একককোষীFlagellate Protist। একে সবুজ প্রাণী বলার কারণ হলো এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

প্রধান কারণ: ক্লোরোপ্লাস্টের উপস্থিতি 🟢

  • ইউগ্লেনার দেহে ক্লোরোপ্লাস্ট (Chloroplast) নামক একটি অঙ্গাণু বিদ্যমান।
  • ক্লোরোপ্লাস্টের মধ্যে ক্লোরোফিল (Chlorophyll) নামক সবুজ রঞ্জক পদার্থ থাকে।
  • ক্লোরোফিলের উপস্থিতির কারণে ইউগ্লেনা সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করতে পারে। 🌱

অন্যান্য প্রাণীর মতো ইউগ্লেনাকে খাদ্য গ্রহণের জন্য অন্য কোনো জীবের উপর নির্ভর করতে হয় না। সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে এটি নিজেই নিজের খাদ্য তৈরি করতে সক্ষম। ☀️

অন্যান্য বৈশিষ্ট্য যা ইউগ্লেনাকে বিশেষ করে তোলে:

  1. ফ্ল্যাজেলাম (Flagellum): ইউগ্লেনার একটি ফ্ল্যাজেলাম থাকে যা তাকে পানিতে চলাচল করতে সাহায্য করে। 🌊
  2. স্টিগমা (Stigma/Eyespot): এটি আলো সংবেদী অঙ্গ, যা ইউগ্লেনাকে আলোর উৎস খুঁজে পেতে সাহায্য করে এবং সালোকসংশ্লেষণের জন্য উপযুক্ত স্থানে যেতে সাহায্য করে। 👁️
  3. সংকোচনশীল গহ্বর (Contractile vacuole): এটি ইউগ্লেনার কোষ থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে দেয়, যা অভ্যন্তরীণ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে। 💧
  4. পুষ্টি প্রক্রিয়া: ইউগ্লেনা স্বভোজী (Autotrophic) এবং পরভোজী (Heterotrophic) উভয়ভাবেই পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে। আলোর অভাবে এটি অন্যান্য জৈব পদার্থ শোষণ করে বেঁচে থাকতে পারে। ♻️

ইউগ্লেনার বৈশিষ্ট্যগুলোর সংক্ষিপ্ত তালিকা:

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
কোষের ধরণ এককোষী (Unicellular)
পুষ্টি প্রক্রিয়া স্বভোজী ও পরভোজী (Autotrophic & Heterotrophic)
চলন অঙ্গ ফ্ল্যাজেলাম (Flagellum)
রঞ্জক পদার্থ ক্লোরোফিল (Chlorophyll)
অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য স্টিগমা, সংকোচনশীল গহ্বর (Stigma, Contractile vacuole)

উপসংহার 🏁

পরিশেষে বলা যায়, ইউগ্লেনার দেহে ক্লোরোপ্লাস্ট এবং ক্লোরোফিলের উপস্থিতি এটিকে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করতে সক্ষম করে। তাই একে "সবুজ প্রাণী" বলা হয়। এটি উদ্ভিদ এবং প্রাণী উভয়ের বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। 🤔

আশা করি, ইউগ্লেনা সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 😊

আরও জানতে: ইউগ্লেনা - উইকিপিডিয়া

```
Option A Explanation:
  • অ্যমিবা: অ্যমিবা একটি এককোষী জীব যা সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায়।
  • প্রকার: প্রথমাকী (প্রোটিস্টা) গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
  • রঙ: এটি সাধারণত স্বচ্ছ বা হালকা সবুজ রঙের হয়, যা কিছু সময়ে সবুজ বলে মনে হতে পারে।
  • উপকারিতা: এটি জলজ পরিবেশে জীববৈচিত্র্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • বৈশিষ্ট্য: অ্যমিবা বিভিন্ন ধরনের চলাচল করতে পারে এবং খাদ্যশোষণ করে।
Option B Explanation:
  • প্রকৃতি: আর??োলা সাধারণত একটি ছোট থেকে মাঝারি আকারের উড়ন্ত পতঙ্গ, যা পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়।
  • রঙ: তাদের শরীর সাধারণত বাদামী বা ধূসর রঙের হয়, তবে সবুজ রঙের প্রজাতি কিছু ???্ষেত্রে পাওয়া যায়।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: আরশোলা দ্রুত দৌড়াতে সক্ষম এবং বেশ কিছু সময়ের জন্য খাবার এবং পানির উৎস খুঁজে পেতে সক্ষম।
  • অর্থনীতি ও পরিবেশ: তারা বিভিন্ন পরিবেশে বাস করে এবং পরিবেশ পরিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • উপকারিতা ও ক্ষতি: কিছু প্রজাতি ক্ষতিকর হলেও, তারা প্রকৃতির চক্রের অংশ হিসেবে উপকারী হতে পারে।
Option C Explanation:
  • ইউগ্লেনা হলো একটি এককোষী জীব, যা প্রাথমিকভাবে জলজ পরিবেশে পাওয়া যায়।
  • এর দেহ সাধারণত সবুজ রঙের, কারণ এতে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকায় এটি সূর্যের আলো থেকে খাদ্য তৈরি করতে পারে।
  • ইউগ্লেনার মধ্যে ??িভিন্ন প্রজাতি রয়েছে, যারা অটোট্রফিক (নিজে খাদ্য তৈরি করে) ও হিটট্রোফিক (অন্যের উপর নির্ভর করে) হতে পারে।
  • এটি সাধারণত ছোট আকারের, এবং জলজ বাসস্থানে পানির উপরে বা তার মধ্যে থাকে।
  • ইউগ্লেনার জীববৈচিত্র্যের অংশ হিসেবে বিবেচিত, এবং এটি জীববিজ্ঞানে প্রাক-অর্থাৎ প্রাথমিক জীবের মধ্যে পড়ে।
Option D Explanation:
  • আবাস: সাধারণত মাটির মধ্যে বা মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহের মধ্যে বসবাস করে।
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: দেহে বিভিন্ন ধরণের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থাকে, যেমন মাথা, দেহ, বিচ্ছিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।
  • উৎপত্তি: এটি একটি পরজীবী বা মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর অবশিষ্টাংশে পরিণত হয়।
  • প্রজনন: সাধারণত বিচ্ছিন্নভাবে বা অঙ্কুরের মাধ্যমে প্রজনন করে।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: এদের দেহের গঠন সাধারণত সরু এবং দীর্ঘ, এবং এরা বিভিন্ন পরিবেশে সহজে বেঁচে থাকতে সক্ষম।