টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

30°C তাপমাত্রায় 100g পানিতে নিচের দ্রবগুলোের দ্রাব্যতার ক্রম

A. KCl < NaCl < KNO3 < NaNO3
B. KNO3 < NaNO3 < KCl < NaCl
C. NaCl < KCl < NaNO3 < KNO3
D. KCl < NaCl < NaNO3 < KNO3
সঠিক উত্তরঃ A. KCl < NaCl < KNO3 < NaNO3
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: দ্রবগুলোর দ্রাব্যতা নির্ধারণে তাদের দ্রবণ তৈরির সামর্থ্যকে বিবেচনা করা হয়। অপশন বিশ্লেষণ: A. KCl < NaCl < KNO3 < NaNO3: সঠিক, কারণ এই ক্রম তাদের দ্রাব্যতার সঠিক অনুক্রম। B. KNO3 < NaNO3 < KCl < NaCl: ভুল, কারণ এখানে KCl এবং NaCl এর দ্রাব্যতার স্থান পরিবর্তন হয়েছে। C. NaCl < KCl < NaNO3 < KNO3: ভুল, কারণ NaCl এর দ্রাব্যতা KCl এর থেকে বেশি। D. KCl < NaCl < NaNO3 < KNO3: ভুল, কারণ এটি আংশিক সঠিক হলেও দ্রাব্যতার যথাযথ ক্রম নয়। নোট: দ্রাব্যতা নির্ধারণে তাপমাত্রা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এই ক্রম 30°C তাপমাত্রায় সঠিক।
Another Explanation (5):

৩০°C তাপমাত্রায় ১০০ গ্রাম পানিতে দ্রবের দ্রাব্যতার ক্রম: একটি ব্যাখ্যা 🧪

আমরা জানি, তাপমাত্রা বাড়লে সাধারণত কঠিন পদার্থের দ্রাব্যতার বৃদ্ধি পায়। কিন্তু বিভিন্ন কঠিন পদার্থের দ্রাব্যতার বৃদ্ধি বিভিন্ন রকম হয়। নিচে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় কয়েকটি লবণের দ্রাব্যতার ক্রম এবং এর পেছনের কারণ আলোচনা করা হলো:

দ্রাব্যতার ক্রম 📊

প্রদত্ত দ্রবণগুলোর দ্রাব্যতার ক্রমটি হলো:

  1. KCl
  2. NaCl
  3. KNO3
  4. NaNO3

ব্যাখ্যা 🤔

দ্রাব্যতার ক্রম ব্যাখ্যা করার জন্য কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করা দরকার:

  • আয়নিক বন্ধন শক্তি: লবণের মধ্যে থাকা আয়নিক বন্ধন যত শক্তিশালী, দ্রাব্য তত কম হবে।
  • আয়নিক আকার: ছোট আকারের আয়নগুলো সাধারণত বেশি দ্রাব্য হয়।
  • হাইড্রেশন শক্তি: পানিতে দ্রবীভূত হওয়ার সময় আয়নগুলি পানির অণু দ্বারা বেষ্টিত হয়। এই প্রক্রিয়াকে হাইড্রেশন বলে। যে আয়নের হাইড্রেশন শক্তি বেশি, সেটি তত সহজে দ্রবীভূত হতে পারে। 💧
  • ল্যাটিস শক্তি : কোনো কঠিন ল্যাটিস থেকে গ্যাসীয় আয়ন তৈরি করতে যে শক্তির প্রয়োজন হয়, তাকে ল্যাটিস শক্তি বলে। ল্যাটিস শক্তি বেশি হলে দ্রাব্য কম হয়।

লবণগুলোর তুলনামূলক আলোচনা 📝

লবণ আয়নিক বন্ধন শক্তি আয়নিক আকার হাইড্রেশন শক্তি দ্রাব্যতার কারণ
KCl মাঝারি K+ এর আকার Na+ থেকে বড় K+ এর হাইড্রেশন শক্তি Na+ থেকে কম K+ Cl- এর থেকে দুর্বল আকর্ষণ বল বিদ্যমান ।
NaCl মাঝারি Na+ এর আকার ছোট Na+ এর হাইড্রেশন শক্তি বেশি Na+ Cl- এর থেকে শক্তিশালী আকর্ষণ বল বিদ্যমান ।
KNO3 কম K+ এবং NO3- এর আকার তুলনামূলকভাবে বড় তুলনামূলকভাবে বেশি আকর্ষণ বল কম থাকায় দ্রবীভূত হতে সুবিধা হয়।
NaNO3 সবচেয়ে কম Na+ এবং NO3- এর আকার তুলনামূলকভাবে ছোট সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ বল অনেক কম থাকায় দ্রবীভূত হতে অনেক সুবিধা হয়।

আরও কিছু বিষয়: নাইট্রেট লবণগুলো (KNO3, NaNO3) ক্লোরাইড লবণগুলোর (KCl, NaCl) চেয়ে সাধারণত বেশি দ্রাব্য হয়। এর কারণ হল নাইট্রেট আয়নের আকার তুলনামূলকভাবে বড় এবং এদের ল্যাটিস শক্তি কম। 🎉

উপরের আলোচনা থেকে এটা স্পষ্ট যে দ্রাব্যতার ক্রম বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভরশীল। আয়নিক বন্ধন শক্তি, আকার এবং হাইড্রেশন শক্তির সম্মিলিত প্রভাবের কারণে লবণগুলোর দ্রাব্যতার মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়। 😊

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি তোমাদের বুঝতে সাহায্য করবে! 👍