টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

শামুকে কোন ধরনের প্রতিসাম্য দেখা যায়?

A. গোলীয় 
B. প্রতিসাম্য 
C. দ্বি-পার্শ্বীয়
D. অপ্রতিসাম্য
সঠিক উত্তরঃ D. অপ্রতিসাম্য
Explanation:

Another Explanation (5):

শামুকের প্রতিসাম্য: একটি আলোচনা 🐌

ভূমিকা

শামুক তার শরীর গঠনের জন্য পরিচিত। এদের শরীর দেখে প্রতিসাম্য নিয়ে কিছু প্রশ্ন জাগে। সাধারণভাবে, শামুকে অপ্রতিসাম্য দেখা যায়।

প্রতিসাম্য কী? 🤔

প্রতিসাম্য (Symmetry) হলো কোনো বস্তুকে সমান দুই বা ততোধিক অংশে ভাগ করা গেলে এবং প্রতিটি অংশ দেখতে একই রকম হলে।

বিভিন্ন প্রকার প্রতিসাম্য:

  • দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য (Bilateral Symmetry): शरीरের কেন্দ্র বরাবর একটি রেখা কল্পনা করলে উভয় পাশ সমান হবে।🦋
  • অরীয় প্রতিসাম্য (Radial Symmetry): কেন্দ্র থেকে একাধিক রেখা কল্পনা করলে প্রতিটি অংশ সমান হবে। starfish
  • গোলীয় প্রতিসাম্য (Spherical Symmetry): একটি কেন্দ্রবিন্দু থেকে শরীরের প্রতিটি অংশ সমান দূরত্বে থাকে।🏐
  • অপ্রতিসাম্য (Asymmetry): কোনো নির্দিষ্ট প্রতিসাম্য নেই।

শামুকের ক্ষেত্রে অপ্রতিসাম্য কেন? ❓

শামুকের শরীর মূলত একটি খোলকের মধ্যে আবদ্ধ থাকে। এই খোলকটি спирального आकार-এর এবং এটি শামুকের শরীরের অঙ্গবিন্যাসকে প্রভাবিত করে।

অপ্রতিসাম্যের কারণসমূহ:

  1. খোলকের গঠন: শামুকের খোলকটি প্যাঁচানো হওয়ার কারণে শরীরের ভেতরের অঙ্গগুলো সমানভাবে বিন্যস্ত থাকতে পারে না।
  2. অভ্যন্তরীণ অঙ্গের অবস্থান: শামুকের শ্বাসযন্ত্র, জনন অঙ্গ, এবং অন্যান্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলো খোলকের প্যাঁচানো গঠনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে একপাশে সরে যায়।
  3. বিবর্তনীয় কারণ: বিবর্তনের ধারায় শামুকের শরীর এমনভাবে গঠিত হয়েছে যাতে খোলকের মধ্যে সহজে থাকতে পারে।

অপ্রতিসাম্যের উদাহরণ

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
খোলকের প্যাঁচানো গঠন শামুকের খোলক ডান বা বাম দিকে প্যাঁচানো হতে পারে, যা একটি প্রধান অপ্রতিসাম্য।
শ্বাসছিদ্রের অবস্থান খোলকের একপাশে শ্বাসছিদ্র অবস্থিত হওয়ার কারণে প্রতিসাম্য নষ্ট হয়।
পাচনতন্ত্রের অবস্থান শামুকের пищеварительная система সোজা না হয়ে পেঁচানো থাকে যা অপ্রতিসাম্য তৈরি করে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

কিছু শামুকের প্রজাতিতে হালকা দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য দেখা গেলেও সামগ্রিকভাবে এদেরকে অপ্রতিসম হিসেবে গণ্য করা হয়।🔬

উপসংহার

শামুকের শরীর অপ্রতিসম হওয়ার প্রধান কারণ হলো এর খোলকের বিশেষ গঠন এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গের বিশেষ বিন্যাস। এই বৈশিষ্ট্যগুলো শামুককে পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করে। 🏞️
Option A Explanation:
  • গোলীয় প্রতিসাম্যতা: এটি এমন প্রতিসাম্যতা যেখানে জীবের দেহের সব দিক সমানভাবে অবস্থিত, অর্থাৎ কেন্দ্রের চারপাশে সমানভাবে বিভক্ত।
  • এতে দেহের সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেন্দ্রের দিকে সমানভাবে অবস্থিত হয়, যা দেহের প্রতিটি দিক থেকে সমান দেখায়।
  • উদাহরণস্বরূপ, গোলীয় প্রতিসাম্যতা সাধারণত শামুক, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে দেখা যায়।
  • এটি জীবের দেহ গঠনে একটি সহজ ও সমতল অভ্যন্তরীণ গঠন নির্দেশ করে।
Option B Explanation:
  1. প্রতিসাম্য (Symmetry): এটি একটি বৈশিষ্ট্য যেখানে কোন বস্তু বা রূপের একটি অংশ যদি অন্য অংশের সাথে সমান বা সমানভাবে প্রতিফলিত হয়।
  2. প্রতিসাম্য থাকলে, বস্তুটির একটি নির্দিষ্ট অক্ষ বা বিন্দু বরাবর এটি সমানভাবে বিভক্ত হয়।
  3. উদাহরণস্বরূপ, একটি গোলাকার বস্তু বা একটি দড়ির মতো বস্তু যেখানে কেন্দ্রের কাছাকাছি থেকে অঙ্কন করলে একই রকম দেখা যায়।
  4. প্রতিসাম্য প্রকারভেদ:
    • অক্ষীয় প্রতিসাম্য
    • বিভাজনী প্রতিসাম্য
  5. প্রতিসাম্য এর মাধ্যমে বস্তু বা রূপের সৌন্দর্য এবং সামঞ্জস্যতা বোঝা যায়।
Option C Explanation:
  • দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্যতা: এতে শরীরের দুটি সমান অংশে বিভক্ত করা যায় যা একে অপরের সমান ও সমান্তরাল হয়।
  • এটি সাধারণত প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায় যারা তাদের দেহের দিক নির্ধারণ করে এবং পরিবেশের সাথে কার্যকরভাবে ইন্টারঅ্যাক্ট করে।
  • উদাহরণস্বরূপ, অনেক প্রোটোজোয়া, কিছু সামুদ্রিক অণুজীব, এবং কিছু আবোরজিনাল প্রাণী দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্যতা প্রদর্শন করে।
  • এই ধরনের প্রতিসাম্যতা প্রাণীর দেহের গঠন ও কার্যকলাপের জন্য সুবিধাজনক, যেমন চলাফেরা ও শিকার ধরার জন্য।
Option D Explanation:
  • অপ্রতিসাম্য: এটি এমন একটি ধরনের প্রতিসাম্যতা যেখানে কোন নির্দিষ্ট অঙ্গ বা দেহের উভয় দিক সমান বা সমানভাবে বিকাশ লাভ করে না।
  • অপ্রতিসাম্যপ্রাপ্ত জীবের দেহে বিভিন্ন অঙ্গ বা অংশের গঠন ও আকারে পার্থক্য দেখা যায়।
  • এতে দেহের এক দিক অন্য দিকের তুলনায় ভিন্ন রূপ বা গঠন ধারণ করে।
  • অপ্রতিসাম্য সাধারণত জীবের জীবনচক্র বা পরিবেশের প্রভাবের কারণে হতে পারে।