টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

একটি ধাতব পৃষ্ঠে অতিবেগুনী রশ্মি আপতিত হলে কোন কণা নির্গত হয়?

A. আলফা পার্টিকেল
B. প্রোটন
C. ইলেক্ট্রন
D. নিউট্রন
সঠিক উত্তরঃ C. ইলেক্ট্রন
Explanation: অতিবেগুনী রশ্মি ধাতব পৃষ্ঠে আপতিত হলে ইলেকট্রন নির্গত হয়। সঠিক উত্তর C। A. আলফা পার্টিকেল, B. প্রোটন, এবং D. নিউট্রন নির্গত হয় না। নোট: ফটোইলেকট্রিক ইফেক্টের সময় ধাতব পৃষ্ঠ থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়, যা তরঙ্গের ফোটনের শক্তির উপর নির্ভরশীল।
Another Explanation (5):

ধাতব পৃষ্ঠে অতিবেগুনী রশ্মি আপতিত হলে ইলেকট্রন নিঃসরণ: একটি বিস্তারিত আলোচনা ⚛️

যখন কোনো ধাতব পৃষ্ঠে অতিবেগুনী রশ্মি (Ultraviolet ray) আপতিত হয়, তখন সেই ধাতু থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়। এই ঘটনাকে আলোকতড়িৎ ক্রিয়া (Photoelectric effect) বলা হয়।

আলোকতড়িৎ ক্রিয়া (Photoelectric effect):

আলোকতড়িৎ ক্রিয়া হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোনো ধাতব পৃষ্ঠ থেকে আলোকরশ্মি (যেমন অতিবেগুনী রশ্মি) আপতিত হলে ইলেকট্রন নির্গত হয়। এই নির্গত ইলেকট্রনগুলোকে ফোটোইলেকট্রন (Photoelectrons) বলা হয়।

কার্যকারণ:

  1. আলোর কণা তত্ত্ব (Photon Theory): আলো ছোটো ছোটো কণা বা ফোটন দ্বারা গঠিত। প্রতিটি ফোটনের একটি নির্দিষ্ট শক্তি (E) আছে, যা আলোর কম্পাঙ্ক (f) এর সাথে সম্পর্কিত: E = hf, যেখানে h হলো প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক। 💡
  2. ধাতুর কার্য অপেক্ষক (Work Function): প্রতিটি ধাতুর একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি প্রয়োজন হয়, যা অতিক্রম করলে ধাতু থেকে ইলেকট্রন নির্গত হতে পারে। এই ন্যূনতম শক্তিকে কার্য অপেক্ষক (Φ) বলে। ⚙️
  3. ইলেকট্রন নিঃসরণ: যখন একটি ফোটন ধাতব পৃষ্ঠের কোনো ইলেকট্রনের সাথে टकराয়, তখন ফোটন তার সমস্ত শক্তি ইলেকট্রনকে দিয়ে দেয়। যদি ফোটনের শক্তি (hf) ধাতুর কার্য অপেক্ষকের (Φ) চেয়ে বেশি হয়, তবে ইলেকট্রন নির্গত হবে। 🚀
  4. আইনস্টাইনের আলোকতড়িৎ সমীকরণ: নির্গত ইলেকট্রনের সর্বোচ্চ গতিশক্তি (Kinetic Energy, KEmax) হলো: KEmax = hf - Φ ⚡

পর্যবেক্ষণসমূহ:

  • আলোর তীব্রতা বাড়ালে নির্গত ইলেকট্রনের সংখ্যা বাড়ে, কিন্তু ইলেকট্রনের গতিশক্তি বাড়ে না। 🔆
  • আলোর কম্পাঙ্ক বাড়ালে নির্গত ইলেকট্রনের গতিশক্তি বাড়ে। 🌠
  • একটি নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের নিচে কোনো ইলেকট্রন নির্গত হয় না, সেটা আলোর তীব্রতা যতই হোক না কেন। ⛔

বিভিন্ন ধাতুর কার্য অপেক্ষক (Work Function):

ধাতু কার্য অপেক্ষক (eV)
সোডিয়াম (Na) 2.75
পটাশিয়াম (K) 2.29
কপার (Cu) 4.70
সিলভার (Ag) 4.73
প্ল্যাটিনাম (Pt) 6.35

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: অতিবেগুনী রশ্মির ফোটনগুলোর শক্তি দৃশ্যমান আলোকরশ্মি বা অন্য কোনো নিম্নশক্তির আলোকরশ্মির চেয়ে বেশি হওয়ার কারণে, এটি অনেক ধাতব পৃষ্ঠ থেকে ইলেকট্রন নির্গত করতে সক্ষম। 👍

আলোকতড়িৎ ক্রিয়া কোয়ান্টাম মেকানিক্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। 🧐

আলোকতড়িৎ ক্রিয়ার ব্যবহার 💡
  1. সোলার প্যানেল ☀️
  2. ফটোসেল 📷
  3. লাইট মিটার 🔦
  4. ইমেজ সেন্সর 🖼️

আশা করি এই ব্যাখ্যাটি আলোকতড়িৎ ক্রিয়া সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 😊