লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
ড. নিবিড় তার পরীক্ষাগারে ইয়ং-এর দ্বি চিড় পরীক্ষার মাধ্যমে আলোক ব্যতিচার পর্যবেক্ষণ করলেন। পরীক্ষাটি আলোক তত্ত্ব মেনে সংগঠিত করা হয়।
উক্ত পরীক্ষার আলোক বর্ণ কোনটি?
হলুদ

ড. নিবিড় তার পরীক্ষাগারে ইয়ং-এর দ্বি-চিড় পরীক্ষার মাধ্যমে আলোক ব্যতিচার পর্যবেক্ষণ করেছেন। এই পরীক্ষাটি আলোকের তরঙ্গ তত্ত্বের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। নিচে পরীক্ষার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করা হলো:
ইয়ং-এর দ্বি-চিড় পরীক্ষা আলোর তরঙ্গ প্রকৃতির প্রমাণ দেয়। যখন একটি আলোকরশ্মি দুটি ছোট ছিদ্রের (চিড়) মধ্য দিয়ে যায়, তখন আলো বেঁকে যায় (ব্যবর্তন)। এই অপবর্তিত আলোকরশ্মিগুলো একে অপরের সাথে মিলিত হয়ে ব্যতিচার সৃষ্টি করে। ব্যতিচারের ফলে উজ্জ্বল এবং অন্ধকার ডোরা তৈরি হয়।
পর্দায় প্রাপ্ত ডোরার প্রস্থ (fringe width) আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে। হলুদ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য একটি নির্দিষ্ট পরিসরে থাকায়, ডোরার প্রস্থ পরিমাপ করে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্ণয় করা সম্ভব।
* এক বর্ণী আলো: হলুদ আলো প্রায় এক বর্ণী (monochromatic) হওয়ার কারণে এটি স্পষ্ট ব্যতিচার ঝালর তৈরি করে। * সহজলভ্যতা: হলুদ আলো উৎপাদন করা সহজ। সোডিয়াম বাতির আলো এক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। * পর্যবেক্ষণ: হলুদ আলোর ঝালরগুলো সহজে চোখে পরে। 👀
| আলোর বর্ণ | তরঙ্গদৈর্ঘ্য (প্রায়) | ডোরার প্রস্থ (অনুমান) |
|---|---|---|
| হলুদ 💛 | 580 nm | নির্দিষ্ট দূরত্ব এবং চিড়ের ব্যবধানের উপর নির্ভরশীল |
ডোরার প্রস্থ (β) = (λD) / d
এখানে,
λ = আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য
D = চিড় থেকে পর্দার দূরত্ব
d = চিড়দ্বয়ের মধ্যে দূরত্ব
ড. নিবিড়ের এই পরীক্ষাটি আবারও প্রমাণ করে যে আলো তরঙ্গ আকারে চলে এবং ইয়ং-এর দ্বি-চিড় পরীক্ষা আলোক বিজ্ঞান এবং তরঙ্গ তত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। 👍 এই পরীক্ষার মাধ্যমে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যও নির্ণয় করা সম্ভব। ভবিষ্যতে আরও উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে এই পরীক্ষার আরও সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। 🚀
আলোক তরঙ্গ তত্ত্ব जिंदाबाद! ⚛️
```