লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
কোনো জীবকোষে প্রাপ্ত রাইবোজোমের একটি উপ একক 40S হলে অপরটি কত?
60S

রাইবোসোম হলো কোষের প্রোটিন তৈরির কারখানা। এটি দুটি ভিন্ন আকারের উপএকক নিয়ে গঠিত। একটি ছোট এবং অন্যটি তুলনামূলকভাবে বড়। ইউক্যারিওটিক কোষে এই উপএককগুলোর আকার সাধারণত ৪০S এবং ৬০S হয়ে থাকে। এখানে S হলো ভেদবার্গ একক (Svedberg unit), যা সেন্ট্রিফিউগেশনে কোনো কণার অধঃক্ষেপণের হারকে নির্দেশ করে।
যদি কোনো ইউক্যারিওটিক জীবকোষে রাইবোসোমের একটি উপএকক ৪০S হয়, তবে এর অন্য উপএককটি হবে ৬০S। এই দুটি উপএকক একত্রে মিলিত হয়ে ৮০S রাইবোসোম গঠন করে, যা প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য অপরিহার্য। ৪০S উপএকক mRNA-এর সাথে যুক্ত হয় এবং ৬০S উপএককটি পেপটাইড বন্ধন তৈরিতে সাহায্য করে। 💪
| উপএককের নাম | প্রধান কাজ |
|---|---|
| ৪০S | mRNA (মেসেঞ্জার রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড) এর সাথে যুক্ত হওয়া এবং প্রোটিন তৈরির সূচনা করা। |
| ৬০S | পেপটাইডাইল ট্রান্সফারেজ নামক এনজাইম ধারণ করা যা অ্যামিনো অ্যাসিডের মধ্যে পেপটাইড বন্ধন তৈরি করে এবং প্রোটিন লম্বা করতে সাহায্য করে। |
সুতরাং, ৪০S উপএককের পাশাপাশি ৬০S উপএককের উপস্থিতি একটি কার্যকর প্রোটিন তৈরির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ✅
আরও জানতে এবং কুইজের জন্য এখানে ক্লিক করুন।
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে। 😊