টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

রুই মাছের শ্রেণি কোনটি?

A.

Actinopterygii

B.

Sarcopterygii

C.

Cyprinyformes

D.

Cyprinidae

সঠিক উত্তরঃ A.

Actinopterygii

Explanation:

Another Explanation (5):

রুই মাছের শ্রেণি: একটি একাডেমিক আলোচনা 🐟

রুই মাছ (বৈজ্ঞানিক নাম: Labeo rohita) আমাদের দেশের অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় মাছ। এটি শুধু সুস্বাদু নয়, অর্থনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। রুই মাছের শ্রেণি নিয়ে আলোচনা করা হলো:

শ্রেণি পরিচিতি: অ্যাক্টিনোপটেরিগি (Actinopterygii)

  • নাম: অ্যাক্টিনোপটেরিগি (Actinopterygii)
  • উৎপত্তি: গ্রিক শব্দ "actinos" (রশ্মি) + "pterygion" (পাখনার ছোট অংশ) থেকে।
  • বৈশিষ্ট্য: এদের পাখনাগুলো রশ্মি-সজ্জিত। অর্থাৎ, পাখনায় হাড়ের মতো কাঁটা থাকে যা পাখনাকে কাঠামো দেয়।
  • বিস্তৃতি: অ্যাক্টিনোপটেরিগি শ্রেণিটি অস্থিযুক্ত মাছের (bony fish) বৃহত্তম এবং সবচেয়ে বৈচিত্র্যপূর্ণ দল। পৃথিবীতে এদের প্রায় ৩৪,০০০ এর বেশি প্রজাতি বিদ্যমান! 😮
  • গুরুত্ব: খাদ্য, অর্থনীতি এবং বাস্তুতন্ত্রের জন্য এই শ্রেণির মাছেরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অ্যাক্টিনোপটেরিগি শ্রেণির বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  1. কঙ্কাল প্রধানত হাড় দিয়ে গঠিত। 🦴
  2. ফুলকাOperculum (কানকো) দ্বারা ঢাকা থাকে।
  3. সাধারণত একটি বায়ুথলি (swim bladder) থাকে যা মাছকে পানিতে ভাসতে সাহায্য করে।
  4. পাখনা রশ্মি-সজ্জিত (fin rays) এবং নমনীয়।
  5. দেহ আঁশ (scales) দ্বারা আবৃত।

রুই মাছের শ্রেণিতাত্ত্বিক অবস্থান ছকে উপস্থাপন করা হলো:

শ্রেণীবিন্যাস স্তর বৈজ্ঞানিক নাম
জগৎ (Kingdom) Animalia
পর্ব (Phylum) Chordata
শ্রেণী (Class) Actinopterygii
বর্গ (Order) Cypriniformes
পরিবার (Family) Cyprinidae
গণ (Genus) Labeo
প্রজাতি (Species) Labeo rohita

অ্যাক্টিনোপটেরিগি শ্রেণির অন্যান্য উদাহরণ:

  • কাতলা মাছ (Gibelion catla)
  • ইলিশ মাছ (Tenualosa ilisha)
  • শিং মাছ (Heteropneustes fossilis)
  • পাবদা মাছ (Ompok pabda)

পরিশেষে বলা যায়, রুই মাছ অ্যাক্টিনোপটেরিগি শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত এবং এই শ্রেণির বৈশিষ্ট্যগুলো রুই মাছের মধ্যে সুস্পষ্টভাবে বিদ্যমান। এটি আমাদের খাদ্য ও অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। 💰😋

আশা করি, এই আলোচনা থেকে রুই মাছের শ্রেণি সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। 😊

Option A Explanation:
  • অ্যাকটিনোপটারিজি (Actinopterygii): এই শ্রেণীটি মূলত পাখির মতো মাছ বা রেডিওফোরসের গোষ্ঠী, যা মূলত জলজ প্রাণী।
  • প্রাণীর গঠন: এই শ্রেণীর মাছের প্রধান্য বৈশিষ্ট্য হলো তাদের সরু, পাখির মতো প্রান্তবিশিষ্ট ফ্ল্যাপ বা পাখা (ফ্লিপার) যা মাছের চলাচলে সহায়ক।
  • প্রজনন: এই মাছের প্রজনন প্রায়ই স্পার্ম ও ডিমের মাধ্যমে হয়।
  • বৈচিত্র্য: অ্যাকটিনোপটারিজি খুবই বৈচিত্র্যপূর্ণ, এটি বিশ্বের জলজ জীববৈচিত্র্যের একটি বৃহৎ অংশ।
  • উদাহরণ: ক্যাটফিশ, শ্রিম্প, সীলফিশ ইত্যাদি এই শ্রেণীর মধ্যে পড়ে।
Option B Explanation:
  • সার্কোপটারিগি (Sarcopterygii): এটি একটি শ্রেণি যা মূলত লম্বা, পাখনাযুক্ত মাছগুলোকে বোঝায়।
  • এই শ্রেণির মাছগুলোর পাখনাগুলো মূলত লম্বা এবং স্নায়ুবিষয়কভাবে শক্তিশালী, যা ভবিষ্যতে টেরাপোড বা লেজযুক্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • সার্কোপটারিগি শ্রেণির মধ্যে প্রাচীন মাছ যেমন লোচ, সিলুরা ও রেকুইন অন্তর্ভুক্ত।
  • এই প্রাণীগুলোর শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য ফুসফুসের মতো অঙ্গের বিকাশ হয়, যা জল ও স্থলে জীবনযাত্রার জন্য উপযুক্ত।
  • সার্কোপটারিগির মধ্যে কিছু প্রজাতি সাঁতার কাটার জন্য পাখনাগুলির গঠন ও কার্যক্ষমতায় উন্নত।
Option C Explanation:
  1. Cyprinyformes: এই শ্রেণীটি মাছের একটি অর্ডার, যা সাধারণত ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের Freshwater মাছের অন্তর্ভুক্ত।
  2. এতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ অন্তর্ভুক্ত, যেমন কর্ণফুলী, গুল্মি, ও অন্যান্য ছোট মাছ।
  3. অর্থাৎ, এই অর্ডারটি মূলত ক্যাপ্রিনিডি পরিবারের মাছের একটি শ্রেণী।
  4. সাধারণত এই অর্ডারটি মাছের শ্রেণী বা ক্লাসের অধীনে পড়ে, যা Actinopterygii শ্রেণীর অংশ।
Option D Explanation:
  • Cyprinidae: এটি একটি পরিবারের নাম, যা রুই মাছসহ অন্যান্য অনেক প্রকারের মাছের অন্তর্গত।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য:
    • বিশাল গোষ্ঠী এবং বিশ্বের বিভিন্ন অংশে পাওয়া যায়।
    • প্রধানত freshwater (মিষ্টি পানির) পরিবেশে বাস করে।
    • সাধারণত ছোট থেকে মাঝারি আকারের মাছ।
  • উদাহরণ: রুই মাছ, কোরাল, মৃগেল ইত্যাদি।