টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মায়োসিসের প্রফেজ-১ এর প্যাকাইটিন উপদশায় দৃশ্যমান X আকৃতির অংশকে কি বলে? 


A.

ক্রসিং ওভার

B.

সিন্যাপসিস

C.

টেট্রাড

D.

কায়াজমা

সঠিক উত্তরঃ D.

কায়াজমা

Explanation:

Another Explanation (5): ```html

মায়োসিসের প্রোফেজ-১ এর প্যাকাইটিন উপদশায় কায়াজমা

মায়োসিস একটি বিশেষ কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া যা জননকোষ (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) উৎপাদনে ঘটে। এই প্রক্রিয়ার প্রোফেজ-১ দশার প্যাকাইটিন উপদশায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে, যার মধ্যে কায়াজমা অন্যতম। নিচে কায়াজমা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

কায়াজমা কী? 🤔

কায়াজমা হলো মায়োসিসের প্রোফেজ-১ এর প্যাকাইটিন উপদশায় হোমোলোগাস ক্রোমোজোমের মধ্যে সৃষ্ট X-আকৃতির গঠন। এটি ক্রসিং ওভারের কারণে তৈরি হয়। ক্রসিং ওভারের সময় হোমোলোগাস ক্রোমোজোমগুলো একে অপরের সাথে লেগে থাকে এবং অংশের বিনিময় করে। এই অংশের বিনিময় যেখানে ঘটে, সেখানেই কায়াজমা দৃশ্যমান হয়। 🧬➕🧬➡️❌

প্যাকাইটিন উপদশায় কায়াজমা সৃষ্টির প্রক্রিয়া:

  1. হোমোলোগাস ক্রোমোজোমের সিনাপসিস: প্যাকাইটিন দশার শুরুতে হোমোলোগাস ক্রোমোজোমগুলো জোড় বাঁধে। এই প্রক্রিয়াকে সিনাপসিস বলে।
  2. টেট্রাড গঠন: প্রতিটি জোড়বদ্ধ ক্রোমোজোম দুটি করে ক্রোমাটিড নিয়ে গঠিত। তাই এখানে চারটি ক্রোমাটিড একসাথে থাকে, যাকে টেট্রাড বলে।
  3. ক্রসিং ওভার: টেট্রাড দশায় নন-সিস্টার ক্রোমাটিডগুলোর মধ্যে অংশের বিনিময় ঘটে।
  4. কায়াজমা গঠন: ক্রসিং ওভারের ফলে ক্রোমাটিডগুলো যেখানে যুক্ত থাকে, সেখানে X-আকৃতির কায়াজমা সৃষ্টি হয়।

কায়াজমার গুরুত্ব:

  • জিনগত প্রকরণ: কায়াজমার মাধ্যমে ক্রসিং ওভার হওয়ায় নতুন জিনগত বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়। এর ফলে বংশধরের মধ্যে বৈচিত্র্য দেখা যায়। 🤹‍♀️🤹‍♂️
  • হোমোলোগাস ক্রোমোজোমের সঠিক পৃথকীকরণ: কায়াজমা নিশ্চিত করে যে মায়োসিস-১ এর সময় হোমোলোগাস ক্রোমোজোমগুলো সঠিকভাবে আলাদা হবে। 💯
  • বিবর্তন: জিনগত প্রকরণ জীবের মধ্যে নতুন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসে, যা পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করে এবং বিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। evolution 🐒➡️🧑

কায়াজমার বৈশিষ্ট্যসমূহ:

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
আকৃতি সাধারণত X-আকৃতির
অবস্থান হোমোলোগাস ক্রোমোজোমের সংযোগস্থলে (ক্রসিং ওভারের স্থানে)
সময়কাল মায়োসিসের প্রোফেজ-১ এর প্যাকাইটিন উপদশায় দৃশ্যমান
কাজ ক্রসিং ওভারের স্থান চিহ্নিত করা ও হোমোলোগাস ক্রোমোজোমের পৃথকীকরণ নিশ্চিত করা

উদাহরণ:

মানুষের কোষে মায়োসিসের সময় প্রতিটি ক্রোমোজোম জোড়ায় একাধিক কায়াজমা দেখা যায়। এর মাধ্যমে জিনগত তথ্যের বিনিময় ঘটে এবং বংশধরেরা নতুন বৈশিষ্ট্য লাভ করে। 👶🧬

আশা করি, কায়াজমা সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। Happy learning! 😊

```
Option A Explanation:
  1. ক্রসিং ওভার হলো জেনেটিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া যেখানে দুটি ননসিস্টার ক্রোমাটিড পরস্পরের মধ্যে অংশ বিনিময় করে।
  2. এটি মূলত মাইটোসিসের প্রাথমিক মাইনোসিস ধাপে ঘটে, যেখানে homologous ক্রোমোসোমগুলো পরস্পরের সাথে সংযুক্ত হয়।
  3. এই প্রক্রিয়ায়, ক্রোমাটিডের নির্দিষ্ট স্থানগুলোতে ছিদ্র তৈরি হয়, যাকে চেরোমাটিডা বলা হয়।
  4. পরে এগুলোর মধ্যে অংশ বিনিময় হয়, যা জেনেটিক বৈচিত্র্য বাড়ায়।
  5. ক্রসিং ওভার প্রক্রিয়াটি জেনেটিক লিঙ্কেজ কমাতে সাহায্য করে এবং নতুন জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে।
Option B Explanation:

সিন্যাপসিসের ব্যাখ্যা

  • সংজ্ঞা: সিন্যাপসিস হলো এক ধরনের জৈবিক প্রক্রিয়া যেখানে দুইটি নিউরনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন হয়।
  • প্রক্রিয়া: এতে একটি নিউরনের অ্যাকসন টার্মিনাল থেকে নিউরনের সঙ্গে সংযুক্ত হয় অন্য নিউরনের ডেন্ড্রাইটে।
  • উদ্দেশ্য: এটি নিউরোন্সের মধ্যে সংকেত স্থানান্তরকে সহজ করে তোলে।
  • প্রকার: সাধারণত, সিন্যাপসিসের মাধ্যমে নিউরোট্রান্সমিটার ট্রান্সমিশন ঘটে।
  • প্রভাব: এটি মস্তিষ্কের কার্যকলাপ ও স্মৃতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:

টেট্রাড

  • টেট্রাড হলো এক ধরনের রঙিন অণু যা চারটি সমান আকৃতির কণার সমন্বয়ে গঠিত।
  • এটি সাধারণত জীববিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে অণু বা জৈব যৌগের কাঠামো বোঝাতে।
  • উদাহরণস্বরূপ, কার্বন অণুর টেট্রাড্যাল স্ট্রাকচার থাকে, যেখানে চারটি যুক্তি চার কোণে অবস্থিত।
  • এটি কেমিক্যাল বাঁধনের স্থিতিশীলতা এবং অণুর ভৌত বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।
Option D Explanation:
  • কায়াজমা (Karyotype): এটি একটি ছবির মাধ্যমে দেখানো কার্যত কৌশল যেখানে জীবের সব ক্রোমোসোমের গঠন ও সংখ্যা বিশ্লেষণ করা হয়।
  • অর্থাৎ, এটি জীবের জেনেটিক বৈশিষ্ট্যসমূহের একটি চিত্র বা বিন্যাস, যেখানে ক্রোমোসোমগুলো সাধারণত সংখ্যায় এবং গঠনে সাজানো থাকে।
  • কায়াজমা প্রস্তুত করার জন্য সাধারণত মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে ক্রোমোসোমের ছবি তোলা হয় এবং সেগুলোর গঠন অনুযায়ী বিন্যাস করা হয়।
  • এটি সাধারণত জেনেটিক রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়, যেমন ট্রাইসোমি বা অন্য কোন ক্রোমোসোমের বিকৃতি চিহ্নিত করা।