টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।



C পরজীবীর সংক্রমণ ঘটে কীসের মাধ্যমে?

A.

Aedes মশকী

B.

পানির মাধ্যমে

C.

Anopheles মশকী

D.

Aphid পতঙ্গ

সঠিক উত্তরঃ B.

পানির মাধ্যমে

Another Explanation (5): প্রশ্নের ছবিতে দেওয়া চিত্রটি দেখলে বোঝা যায় যে, C পরজীবী সংক্রমণের মূল মাধ্যম হলো পানির মাধ্যমে। নিচে এই সংক্রমণের পদ্ধতি ও কারণের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
  • প্রথমত, পানির মাধ্যমে সংক্রমণ: বেশিরভাগ পরজীবী যেমন আমিবা, লাইম ট্রেপোজোইট, ইত্যাদি পানি মুখে গ্রহণের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে।
  • দ্বিতীয়ত, দূষিত পানি: যখন পানির উৎস দূষিত হয় এবং পরজীবীর জীবাণু উপস্থিত থাকে, তখন এই পানি পান করলে পরজীবী শরীরে প্রবেশ করে।
  • তৃতীয়ত, জলবাহী পরিবেশ: সাধারণত অপরিষ্কার ও অপরিচ্ছন্ন পানীয় জল বা জলাশয় থেকে এই পরজীবী ছড়ায়।
  • চতুর্থত, সংক্রমণের প্রক্রিয়া: পরজীবী জল বা পানির মধ্যে থাকে এবং তা খাওয়ার মাধ্যমে বা পানির সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে, ফলে সংক্রমণ ঘটে।
সুতরাং, এই সংক্রমণের মূল মাধ্যম হলো **"পানির মাধ্যমে"**, যেখানে দূষিত জল বা পানীয় জল শরীরে প্রবেশ করে পরজীবীর সংক্রমণ ঘটায়।
Option A Explanation:
  • Aedes মশকী: এটি একটি প্রজাতির মশক, যা বিভিন্ন রোগের সংক্রমণের জন্য দায়ী।
  • বিশেষ করে, এটি ডেঙ্গু রোগের মূল বাহক।
  • এছাড়াও, এটি চিকুনগুনিয়া এবং জিকা ভাইরাসের সংক্রমণের জন্য দায়ী।
  • এদের দ্বারা সংক্রমণ সাধারণত তাদের কামড়ের মাধ্যমে ঘটে।
  • এরা সাধারণত দিনে সক্রিয় থাকে এবং জলাধার বা স্থির পানির স্তূপে ডিম পাড়ে।
Option B Explanation:
  • পানির মাধ্যমে সংক্রমণ সাধারণত জলজ পরিবেশে থাকা পরজীবীর জীবনচক্রের অংশ হয়।
  • এটি বিভিন্ন প্রকারের পরজীবী বা জীবাণুর সংক্রমণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
  • উদাহরণস্বরূপ, কিছু ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোআ কুল পানির মধ্যে প্রজনন করে এবং সংক্রমিত পানি সরাসরি বা পরোক্ষভাবে মানুষের দেহে প্রবেশ করতে পারে।
  • পানির মাধ্যমে সংক্রমণ সাধারণত জলজ জীবজন্তু বা জলাশয়ে থাকা পরজীবীর মাধ্যমে ঘটে, যা মানুষের পানীয় জল বা অপরিষ্কৃত জল ব্যবহার করার ফলে সংক্রমিত হয়।
Option C Explanation:
  • Anopheles মশকী: এটি একটি মশকী প্রজাতি যা মূলত ম্যালেরিয়ার সংক্রমণের জন্য দায়ী।
  • ম্যালেরিয়ার জীবাণু (Plasmodium) এই মশকীর মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।
  • Anopheles মশকী সাধারণত গভীর রাতে মানুষকে কামড় দেয় এবং এর মাধ্যমে জীবাণু ছড়ানো হয়।
  • এই মাছকীর সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন নিয়ম-কানুন অনুসরণ করা হয়, যেমন মশারির ব্যবহার ও কীটনাশক স্প্রে।
Option D Explanation:
  • অ্যাফিড পতঙ্গ: অ্যাফিড বা পিঁপড়া পতঙ্গগুলি সাধারণত উদ্ভিদের উপর বসবাস করে এবং তারা বিভিন্ন উদ্ভিদজনিত রোগের সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম।
  • সংক্রমণের পদ্ধতি: এগুলি মূলত উদ্ভিদের রক্তচোষা বা ক্ষতিকর অংশে প্রবেশের মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটে, যেমন উদ্ভিদের ক্ষত বা ছিদ্রের মাধ্যমে।
  • প্রভাব: অ্যাফিড পতঙ্গগুলি বিভিন্ন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, এবং ছত্রাকের সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম, যা উদ্ভিদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
  • প্রাকৃতিক উপায়ে সংক্রামণ: পতঙ্গের মাধ্যমে সংক্রমণের জন্য কোনও সরাসরি মানব বা প্রাণীর সংস্পর্শের প্রয়োজন হয় না; বরং এটি মূলত পতঙ্গের মাধ্যমে উদ্ভিদ বা ক্ষুদ্র জীবজন্তুর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।