টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

P53 প্রোটিনের ভূমিকা কী?

A. কোষকে বিভাজন হতে বিরত রাখা
B. কোষ বিভাজনকে চলমান রাখা
C. কোষ বিভাজনের গতি বৃদ্ধি করা
D. কোষ বিভাজনের গতি হ্রাস করা
সঠিক উত্তরঃ A. কোষকে বিভাজন হতে বিরত রাখা
Explanation:
প্রশ্ন বিশ্লেষণ: প্রশ্ন: \"p53 প্রোটিনের ভূমিকা কী?\" এই প্রশ্নটি জৈবিক বিজ্ঞান, বিশেষত কোষ জীববিদ্যা এবং ক্যান্সার গবেষণার ক্ষেত্রে প্রার্থীর জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। p53 প্রোটিনটি কোষ চক্র নিয়ন্ত্রণ এবং টিউমার সপ্রেসার জিন হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি সাধারণত \"জিনোমের অভিভাবক\" নামে পরিচিত এবং কোষ বিভাজনের সময় কোন প???রকার জিনগত ক্ষতি হলে সেই কোষের বিভাজন বন্ধ করতে সাহায্য করে। অপশন বিশ্লেষণ:
  1. কোষকে বিভাজন হতে বিরত রাখা:
    • p53 প্রোটিনটি কোষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হলে কোষের বিভাজন প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত ডিএনএ সংশোধনের সুযোগ পায়। এটি সঠিক উত্তর, কারণ p53 প্রোটিনের মূল কাজই হলো কোষের বিভাজন প্রক্রিয়াকে ক্ষতিকর জিনগত পরিবর্তন থেকে রক্ষা করা।
  2. কোষ বিভাজনকে চলমান রাখা:
    • এই অপশনটি ভুল কারণ p53 প্রোটিন কোষ বিভাজনকে ত্বরান্বিত করে না, বরং এটি বাধা প্রদান করে যদি কোন ডিএনএ ক্ষতি সনাক্ত হয়।
  3. কোষ বিভাজনের গতি বৃদ্ধি করা:
    • p53 প্রোটিন কোষের বিভাজনের গতি বাড়ায় না। এটি বিভাজনের গতি নিয়ন্ত্রণ এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিভাজন বন্ধ করার জন্য কাজ করে।
  4. কোষ বিভাজনের গতি ধীর করা:
    • যদিও এটি কিছু ক্ষেত্রে সত্য হতে পারে, কিন্তু এটি p53 প্রোটিনের মূল কাজ নয়। p53 প্রোটিনের প্রধান ভূমিকা হলো কোষ বিভাজন সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া যদি ডিএনএ ত্রুটি থাকে।
নোট: p53 প্রোটিনের ভূমিকা কোষের ডিএনএ ক্ষতি সনাক্ত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কোষকে আত্মহত্যা বা এপোপটোসিস করতে উৎসাহিত করা, যদি ক্ষতি খুব বেশি হয়। p53 প্রোটিনের কার্যকারিতা হ্রাস পেলে বা এটি পরিবর্তিত হলে, ক্যান্সার সহ অন্যান্য রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই, p53 প্রোটিনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ টিউমার সপ্রেসার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো \"কোষকে বিভাজন হতে বিরত রাখা।\"
Option A Explanation:
  • প্রতিরোধকারী প্রোটিন: P53 প্রোটিন একটি গুরুত্বপূর্ণ টিউমার Suppressor প্রোটিন, যা কোষের ডিএনএ ক্ষতি শনাক্ত করে।
  • অপ্রয়োজনীয় কোষের মৃত্যু: এটি ক্ষতিগ্রস্ত বা ডিএনএ ত্রুটিযুক্ত কোষের স্বয়ংক্রিয় মৃত্যুকে উদ্দীপিত করে, যাতে ক্ষতিকর কোষগুলি বৃদ্ধি পায় না।
  • কোষ বিভাজনের রোধ: P53 প্রোটিন কোষের বিভাজন প্রক্রিয়াকে বাধা দেয়, বিশেষ করে যখন ডিএনএ ক্ষতি হয়, ফলে ক্ষতিকর বা অপ্রয়োজনীয় কোষগুলো বিভাজিত হতে পারে না।
  • কোষের রক্ষণাবেক্ষণ: এটি কোষের জেনেটিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option B Explanation:
  • নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা: P53 প্রোটিন কোষের ডিএনএ ক্ষতি সনাক্ত করে এবং সংশোধন প্রক্রিয়াকে প্ররোচিত করে।
  • অপপ্রজনন রোধ: এটি কোষ বিভাজনের প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে যাতে অপ্রয়োজনীয় বা ক্ষতিগ্রস্ত কোষ বিভাজিত না হয়।
  • অপ্রকাশনীয় কোষের নির্মূল: যখন কোষে গুরুতর ডিএনএ ক্ষতি হয়, তখন P53 প্রোটিন কোষকে বিভাজন থেকে বিরত রাখে বা মৃত্যুদণ্ড দেয়।
  • কোষের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখা: এই প্রোটিন কোষের বিভাজন প্রক্রিয়াকে সচল রাখে, যার ফলে কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং পুনর্জন্ম নিশ্চিত হয়।
Option C Explanation:
  • প্রতিরোধক প্রোটিনের ভূমিকা: P53 প্রোটিন মূলত একটি টিউমার suppressor প্রোটিন, যা কোষের ডিএনএ ক্ষতি শনাক্ত করে।
  • নিয়ন্ত্রণ ও সংশোধন: এটি ক্ষতিগ্রস্ত ডিএনএ মেরামত প্রক্রিয়াকে উদ্দীপ্ত করে, যাতে ক্ষতি সংশোধন হয় এবং কোষের অবাঞ্ছিত বিভাজন এড়ানো যায়।
  • অপরাধমূলক কোষের নির্গমন: যদি ক্ষতি অধিক গুরুতর হয়, তবে P53 কোষের আপoptosis (সেল স্বাভাবিক মৃত্যু) প্রক্রিয়া চালু করে, যাতে ক্ষতিকারক কোষগুলো বাড়তে না পারে।
  • কোষ বিভাজনের গতি হ্রাস: এই প্রোটিন কোষের বিভাজনের গতি নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে অপ্রয়োজনীয় বা ক্ষতিকারক বিভাজন রোধ হয়।
  • সাধারণতঃ: এটি কোষের বিভাজনের গতি কমায় বা নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে ক্ষতি সংশোধন ও প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।
Option D Explanation:
  • প্রটিন P53 কে সাধারণত টিউমার স্যোর্সার প্রোটিন বলে পরিচিত।
  • এটি কোষের ডিএনএ ক্ষতি বা স্ট্রেস সিগ্ন্যালের প্রতিক্রিয়ায় সক্রিয় হয়।
  • প53 প্রোটিন কোষের ডিএনএ মেরামতের প্রক্রিয়া চালু করে বা ক্ষতিগ্রস্ত কোষকে মৃত্যুবরণ করতে উৎসাহিত করে।
  • এটি কোষ বিভাজনের গতি হ্রাস করে যাতে ক্ষতিগ্রস্ত বা অনুপযোগী কোষ বৃদ্ধি পেতে না পারে।
  • অর্থাৎ, এটি কোষের বিভাজন প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়, যা টিউমার বৃদ্ধি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।