লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ক্ষার ধাতুগুলো পর্যায় সারণীর গ্রুপ ১-এ অবস্থিত। এই ধাতুগুলোর বৈশিষ্ট্য হলো এরা অত্যন্ত সক্রিয় এবং সহজেই ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়ন গঠন করে। এদের সক্রিয়তা এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য পারমাণবিক আকারের উপর নির্ভরশীল। নিচে এই ক্রমটির একটি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
ক্ষার ধাতুগুলোর সক্রিয়তা মূলত দুটি প্রধান কারণের উপর নির্ভর করে:
নিচের টেবিলে ক্ষার ধাতুগুলোর পারমাণবিক আকার এবং আয়নীকরণ শক্তির একটি তুলনামূলক চিত্র দেওয়া হলো:
| ক্ষার ধাতু | পারমাণবিক আকার (PM) | প্রথম আয়নীকরণ শক্তি (kJ/mol) | সক্রিয়তা |
|---|---|---|---|
| Li (লিথিয়াম) | 167 | 520 | কম |
| Na (সোডিয়াম) | 190 | 496 | মাঝারি |
| K (পটাশিয়াম) | 243 | 419 | বেশি |
| Rb (রুবিডিয়াম) | 265 | 403 | অত্যন্ত বেশি |
| Cs (সিজিয়াম) | 298 | 376 | সর্বাধিক |
টেবিল থেকে স্পষ্ট যে, সিজিয়ামের পারমাণবিক আকার সবচেয়ে বড় এবং আয়নীকরণ শক্তি সবচেয়ে কম। এর ফলে সিজিয়াম সবচেয়ে সহজে ইলেকট্রন ত্যাগ করতে পারে এবং সবচেয়ে সক্রিয়। অপরদিকে, লিথিয়ামের পারমাণবিক আকার সবচেয়ে ছোট এবং আয়নীকরণ শক্তি বেশি হওয়ায় এর সক্রিয়তা সবচেয়ে কম।
সুতরাং, ক্ষার ধাতুসমূহের সক্রিয়তার সঠিক ক্রম হলো:
Cs > Rb > K > Na > Li
অর্থাৎ, সিজিয়াম (Cs) সবচেয়ে বেশি সক্রিয় এবং লিথিয়াম (Li) সবচেয়ে কম সক্রিয়।
আশা করি, এই ব্যাখ্যা ক্ষার ধাতুসমূহের সক্রিয়তার ক্রম বুঝতে সহায়ক হবে। 👍