টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন কলার ম্যাট্রিক্স জেলির মতো থকথকে?

A. অ্যারিওলার
B. পেশি
C. স্নায়ু
D. আবরণী
সঠিক উত্তরঃ A. অ্যারিওলার
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: কোন কলার ম্যাট্রিক্স জেলির মতো থকথকে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। অ্যারিওলার কলার ম্যাট্রিক্স এমন। অপশন বিশ্লেষণ: A. অ্যারিওলার: সঠিক, এর ম্যাট্রিক্স জেলির মতো। B. পেশি: ভুল, পেশি কলার ম্যাট্রিক্স থকথকে নয়। C. স্নায়ু: ভুল, এটি জেলির মতো নয়। D. আবরণী: ভুল, এটি সুরক্ষার জন্য কঠিন। নোট: অ্যারিওলার কলা নরম এবং এটি অঙ্গ সংযোগ ও স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
Another Explanation (5):

অ্যারিওলার: একটি বিস্তারিত আলোচনা 🧐

অ্যারিওলার হলো স্তন্যপায়ী প্রাণীদের স্তনের বোঁটার চারপাশের গোলাকার, পিগমেন্টেড (রঙিন) অঞ্চল। এটি দেখতে জেলির মতো থকথকে হতে পারে, বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যপান করানোর সময়। নিচে এর গঠন, কাজ এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হলো:

অ্যারিওলারের গঠন 🧬

  • ত্বক: এরিওলারের ত্বক সাধারণ ত্বকের চেয়ে পাতলা এবং সংবেদনশীল।
  • পিগমেন্টেশন: মেলানিনের কারণে এরিওলারের রঙ হালকা গোলাপী থেকে গাঢ় বাদামী পর্যন্ত হতে পারে। গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে এটি আরও গাঢ় হতে পারে।
  • মন্টগোমারি গ্রন্থি: এরিওলারের উপর ছোট ছোট उभारের মতো গঠন দেখা যায়, এগুলোকে মন্টগোমারি গ্রন্থি বলে। এগুলো সেবাম নিঃসরণ করে যা স্তনের বোঁটা এবং এরিওলারকে আর্দ্র রাখে এবং জীবাণু থেকে রক্ষা করে।
  • মসৃণ পেশী: এরিওলারের নিচে মসৃণ পেশী থাকে যা ঠান্ডা বা উত্তেজনার কারণে সংকুচিত হতে পারে, ফলে বোঁটা শক্ত হয়ে যায়।
  • স্নায়ু প্রান্ত: প্রচুর স্নায়ু প্রান্ত থাকার কারণে এরিওলার অত্যন্ত সংবেদনশীল।

অ্যারিওলারের কাজ 🎯

  1. শিশুকে স্তন্যপানে সাহায্য: এরিওলারের রঙ ও গন্ধ শিশুকে স্তনের বোঁটা খুঁজে পেতে সাহায্য করে।
  2. আর্দ্রতা বজায় রাখা: মন্টগোমারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত সেবাম এরিওলার এবং বোঁটাকে আর্দ্র রাখে।
  3. জীবাণু থেকে সুরক্ষা: সেবামের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য স্তনকে জীবাণুর সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
  4. সংবেদনশীলতা: যৌন উদ্দীপনায় এরিওলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অ্যারিওলারের পরিবর্তন 🔄

বিভিন্ন কারণে এরিওলারের আকার, রঙ এবং চেহারায় পরিবর্তন আসতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

কারণ পরিবর্তন করণীয়
গর্ভাবস্থা 🤰 রঙ গাঢ় হওয়া, আকার বৃদ্ধি, মন্টগোমারি গ্রন্থিগুলো স্পষ্ট হওয়া। সাধারণত স্বাভাবিক, উদ্বেগের কিছু নেই।
স্তন্যপান 🤱 আকার বৃদ্ধি, সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি। শিশুকে সঠিকভাবে বুকের দুধ দিন।
বয়স 👵👴 ত্বক কুঁচকে যাওয়া, স্থিতিস্থাপকতা কমে যাওয়া। সাধারণ প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া।
সংক্রমণ 👾 লালচে ভাব, ব্যথা, ফোলা। অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

অ্যারিওলারের স্বাস্থ্যবিধি টিপস 🧼

  • প্রতিদিন হালকা গরম পানি ও সাবান দিয়ে পরিষ্কার করুন।
  • অতিরিক্ত ঘাম হলে বা আর্দ্রতা থাকলে শুকনো রাখার চেষ্টা করুন।
  • টাইট পোশাক পরিহার করুন।
  • কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

আশা করি, এই আলোচনা থেকে এরিওলার সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 😊

Option A Explanation:
  • অ্যারিওলার: অ্যারিওলার টিস্যু হলো একটি সংবহনমূলক টিস্যু যা মূলত পেশী এবং অন্যান্য টিস্যুর চারপাশে অবস্থিত।
  • এটি জেলির মতো থকথকে হতে পারে কারণ এতে জলীয় পদার্থ এবং গ্লুকোজের উপস্থিতির কারণে এটি ঘন ও স্থির হয়ে থাকে।
  • অ্যারিওলার টিস্যু সাধারণত শক্তিশালী সংযোগ স্থাপন করে এবং বিভিন্ন গঠনকে সাপোর্ট করে থাকে।
Option B Explanation:
  • পেশি: পেশি কোষগুলি সাধারণত থকথকে ও জেলির মতো অনুভূত হয়।
  • এটি মাংসপেশীর গাঠনিক উপাদান, যা শরীরের গতি ও শক্তি উৎপাদনে সহায়ক।
  • পেশির কোষগুলির মধ্যে জলীয় অংশ বেশি থাকায় তারা সাধারণত জেলির মতো অনুভূত হয়।
Option C Explanation:
  • স্নায়ু: স্নায়ু কোষগুলি (নিউরোনস) সাধারণত ম্যাট্রিক্স বা মধ্যস্থ স???তর দ্বারা ঘেরা থাকে, যা তাদের কার্যক্ষমতা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
  • বৈশিষ্ট্য: এটি সাধারণত জেলি বা থকথকে আকারে থাকে, যা স্নায়ুর কার্যকলাপের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে।
  • প্রকার: এই ম্যাট্রিক্সটি মূলত পরিবেশের স্থিতিশীলতা, পুষ্টি সরবরাহ, ও স্নায়ুর সংকেত প্রেরণে সহায়তা করে।
Option D Explanation:

আবরণী (Serous Membrane)

  • একটি পাতলা, স্নিগ্ধ এবং ঝিল্লি যা দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের চারপাশে থাকে।
  • এটি স্বচ্ছ স্রাব দ্বারা পূর্ণ, যা অঙ্গের মধ্যে ঘর্ষণ কমাতে সাহায্য করে।
  • আবরণী মূলত দুইটি স্তরে বিভক্ত:
    • সারোসা প্রাচীর (Serous layer): অঙ্গের উপরিভাগে থাকে।
    • অঙ্গের সাথে সংযুক্ত থাকা আবরণী স্তর (Visceral layer): অঙ্গের অভ্যন্তরে থাকে।
  • এটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে স্নিগ্ধতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • উদাহরণস্বরূপ, পেরিটোনিয়াম (পেটের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের আবরণী), পেরিকার্ডিয়াম (হৃদয়ের আবরণী)।
  • অতএব, এটি একটি বিশিষ্ট ফাইব্রোসা ও স্নিগ্ধ আবরণী, যা জেলির মতো গঠন নয়।