টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

উদ্ভিদের আধুনিক শ্রেণীবিন্যাস কোন বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে গঠন করা হয়েছে?

A. পুকেশর ও স্ত্রীকেশরের সংখ্যার উপর
B. উদ্ভিদ অঙ্গসংস্থানিক সাদৃশ্যের উপর
C. উৎপত্তি দিক বিবেচনা করে
D. এনাটমিক্যাল ও সাইটোলজিক্যাল গুণের উপর
সঠিক উত্তরঃ B. উদ্ভিদ অঙ্গসংস্থানিক সাদৃশ্যের উপর
Explanation:
Another Explanation (5):

উদ্ভিদের আধুনিক শ্রেণীবিন্যাস: ভিত্তি ও ব্যাখ্যা 🌿

উদ্ভিদের আধুনিক শ্রেণীবিন্যাস মূলত নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলোর উপর ভিত্তি করে গঠিত হয়েছে:

১. অঙ্গসংস্থানিক বৈশিষ্ট্য (Morphological Characteristics) 🌼

ঐতিহ্যগতভাবে, উদ্ভিদের শ্রেণীবিন্যাসে অঙ্গসংস্থানিক বৈশিষ্ট্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মধ্যে উদ্ভিদের বাহ্যিক গঠন, যেমন - মূল, কাণ্ড, পাতা, ফুল, ফল এবং বীজ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।

  • মূল: মূলের ধরণ (গুচ্ছমূল, স্থানিক মূল), গঠন এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য।
  • কাণ্ড: কাণ্ডের ধরণ (সরল, শাখাযুক্ত), কাণ্ডের গঠন (নরম, শক্ত) এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য।
  • পাতা: পাতার আকার, আকৃতি, শিরাবিন্যাস (Vernation) এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য।
  • ফুল: ফুলের গঠন, ফুলের অংশের সংখ্যা (পাপড়ি, বৃতি), গর্ভাশয়ের অবস্থান এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য।
  • ফল: ফলের ধরণ (সরল, যৌগিক), ফলের গঠন এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য।
  • বীজ: বীজের আকার, আকৃতি, বীজপত্রের সংখ্যা (একবীজপত্রী, দ্বিবীজপত্রী) এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য।

২. শারীরবৃত্তীয় ও জৈব রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য (Physiological and Biochemical Characteristics) 🧪

আধুনিক শ্রেণীবিন্যাসে শারীরবৃত্তীয় ও জৈব রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উদ্ভিদের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, যেমন - সালোকসংশ্লেষণ, শ্বসন এবং বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি শ্রেণীবিন্যাসের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

  • সালোকসংশ্লেষণ: C3, C4 অথবা CAM উদ্ভিদের ধরণ।
  • রাসায়নিক উপাদান: অ্যালকালয়েড, টার্পেনয়েড এবং অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি।
  • DNA এবং RNA এর গঠন: DNA sequence বিশ্লেষণ করে উদ্ভিদের মধ্যেকার সম্পর্ক নির্ণয় করা হয়।

৩. জিনগত বৈশিষ্ট্য (Genetic Characteristics) 🧬

জিনগত বৈশিষ্ট্য উদ্ভিদের শ্রেণীবিন্যাসে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। DNA এবং RNA এর গঠন এবং ক্রম বিশ্লেষণ করে উদ্ভিদের মধ্যেকার বংশগত সম্পর্ক নির্ধারণ করা হয়।

  • DNA সিকোয়েন্সিং: বিভিন্ন উদ্ভিদের DNA সিকোয়েন্স তুলনা করে তাদের মধ্যেকার সম্পর্ক নির্ণয় করা হয়।
  • রাইবোসোমাল RNA (rRNA) বিশ্লেষণ: rRNA জিনের সিকোয়েন্স ব্যবহার করে উদ্ভিদের মধ্যেকার phylogenetic সম্পর্ক নির্ধারণ করা হয়।

৪. ভ্রূণবিদ্যা (Embryology) 🌱

ভ্রূণবিদ্যা বিষয়ক বৈশিষ্ট্য, যেমন ভ্রূণের গঠন, বীজপত্রীর সংখ্যা, ইত্যাদি আধুনিক শ্রেণীবিন্যাসে ব্যবহৃত হয়।

  • বীজপত্রীর সংখ্যা: একবীজপত্রী বা দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ।
  • ভ্রূণের গঠন: ভ্রূণের প্রাথমিক গঠন এবং বিকাশ।

৫. কোষীয় বৈশিষ্ট্য (Cytological Characteristics) 🔬

কোষীয় বৈশিষ্ট্য যেমন ক্রোমোজোম সংখ্যা, গঠন এবং অন্যান্য কোষীয় অঙ্গাণু?? বৈশিষ্ট্য শ্রেণীবিন্যাসে ব্যবহৃত হয়।

  • ক্রোমোজোম সংখ্যা: প্রতিটি প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা ভিন্ন হতে পারে, যা শ্রেণীবিন্যাসে সাহায্য করে।
  • কোষীয় অঙ্গাণু: ক্লোরোপ্লাস্ট, মাইটোকন্ড্রিয়া ইত্যাদি অঙ্গাণুর গঠন।

৬. পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য (Ecological Characteristics) 🌍

উদ্ভিদের আবাসস্থল, বিস্তৃতি এবং পরিবেশের সাথে অভিযোজন সম্পর্কিত বৈশিষ্ট্যগুলোও শ্রেণীবিন্যাসে গুরুত্বপূর্ণ।

  • আবাসস্থল: উদ্ভিদ কোথায় জন্মায় (মরুভূমি, জলভূমি, ইত্যাদি)।
  • বিস্তৃতি: ভৌগোলিক বিস্তৃতি এবং উদ্ভিদের বিস্তার ক্ষমতা।

এই আধুনিক শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি উদ্ভিদের মধ্যেকার সম্পর্ককে আরও সুস্পষ্ট এবং বিজ্ঞানসম্মতভাবে উপস্থাপন করে। 👍

বৈশিষ্ট্য উদাহরণ
অঙ্গসংস্থানিক বৈশিষ্ট্য পাতার শিরাবিন্যাস
শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য C3 অথবা C4 উদ্ভিদ
জিনগত বৈশিষ্ট্য DNA সিকোয়েন্স

আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া

ধন্যবাদ! 🙏